Connect with us

খবর

বাজেট ২০২৩: আয়করের হার কমানো হতে পারে, বলছে রিপোর্ট

আগামী ১ ফেব্রুয়ারিতে আসন্ন কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়করের সংশোধিত স্ল্যাব ঘোষণা করা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

Published

on

বর্তমানে, করদাতাদের জন্য দু’টি আয়কর ব্যবস্থা রয়েছে – পুরনো আয়কর ব্যবস্থা, এবং নতুন আয়কর ব্যবস্থা। করদাতা নিজের সুবিধা অনুযায়ী যে কোনো একটি বেছে নিতে পারেন। শোনা যাচ্ছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারিতে আসন্ন কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়করের সংশোধিত স্ল্যাব ঘোষণা করা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

নতুন আয়কর ব্যবস্থা

২০২১ আর্থিক বছরে প্রবর্তিত ডিডাকশন ছাড়া বিকল্পের অধীনে, ছয়টি স্ল্যাব রয়েছে। এগুলি হল ৫ শতাংশ, ১০ শতাংশ, ১৫ শতাংশ, ২০ শতাংশ, ২৫ শতাংশ এবং ৩০ শতাংশ। নতুন কর ব্যবস্থার অধীনে, ৫ লক্ষ থেকে ৭.৫ লক্ষ টাকার বার্ষিক আয়ের উপর ১০ শতাংশ কর দিতে হবে। বছরে ৭.৫ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কর দিতে হবে ১৫ শতাংশ। ১০ লক্ষ টাকার উপরে যাদের আয়, নতুন কর ব্যবস্থার তাদের তিনটি পৃথক স্ল্যাবে ফেলা হয়েছে। ১০ লক্ষ থেকে ১২.৫ লক্ষ টাকার মধ্যে যাদের আয়, তাদের ২০ শতাংশ কর দিতে হবে। এছাড়া, ১২.৫ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার মধ্যে আয়ের জন্য ২৫ শতাংশ এবং ১৫ লক্ষ টাকা বা তার বেশি আয়ের উপর ৩০ শতাংশ কর ধার্য করা আছে।

কী বলছে রিপোর্ট

কেন্দ্র আয়কর সীমা বাড়াবে এবং অন্যদের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত করদাতাদের স্বস্তি দেবে, এমন প্রত্যাশার মধ্যে ১ ফেব্রুয়ারি লোকসভায় ২০২৩-২৪-এর জন্য কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে তিনি রবিবার বলেছিলেন যে তিনি মধ্যবিত্তের চাপ সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সামনে সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ হল কী ভাবে তিনি করের বোঝার মুখোমুখি মধ্যবিত্তদের কিছুটা স্বস্তি দিতে সক্ষম হবেন। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, মধ্যবিত্তদের সমস্যার কথা উল্লেখ করে নির্মলা আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি তাদের চাপ বুঝতে পেরেছেন। এর সঙ্গে তিনি এও উল্লেখ করেছেন যে কেন্দ্রের মোদী সরকার মধ্যবিত্তের উপর নতুন করে কোনো কর আরোপ করেনি।

মধ্যবিত্তের প্রত্যাশা

আসলে দীর্ঘদিন ধরে মধ্যবিত্তদের বিশ্বাস, দেশে করের একটি বিশাল বোঝা তাদের উপর পড়ে। কারণ বেতনভোগী শ্রেণীর বেশিরভাগই মধ্যবিত্ত এবং তাদের উপর করের বোঝা সবচেয়ে বেশি। এই বাজেটে অর্থমন্ত্রী যদি কর অব্যাহতি বা অন্য কোনো মাধ্যমে মধ্যবিত্তদের স্বস্তি দেন, তা হলে সেটা হতে পারে তাদের জন্য বড়ো উপহার। এখন দেখার, সাধারণ জনগণ, রাজ্য সরকার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রত্যাশা পূরণে কী ধরনের পদক্ষেপ নেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী!

আরও পড়ুন: সুখবর শোনাচ্ছে সংখ্যাতত্ত্ব, বাজেটের আগে তবু আশঙ্কায় ভারতীয় অর্থনীতি

খবর

প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তোলায় বাড়ল সুবিধা, কমল টিডিএস

২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে টাকা তোলার বিষয়ে কর সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

Published

on

এখন এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) ​​থেকে টাকা তোলায় বাড়তি সুবিধা পাবেন সদস্যরা। টিডিএস (TDS) হিসেবে আগের ৩০ শতাংশের জায়গায় এ বার কাটা হবে ২০ শতাংশ।

ইপিএফও থেকে টাকা তোলার নিয়ম বদল করেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রভিডেন্ট ফান্ড (Provident Fund) থেকে টাকা তোলার বিষয়ে কর সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

৩০ শতাংশের জায়গায় ২০ শতাংশ টিডিএস

আপনি যদি নিজের পিএফ (PF) অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলেন, তা হলে এখন আপনাকে ৩০ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশ হারে টি়ডিএস দিতে হবে। আপনার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে প্যান কার্ড লিঙ্ক করা থাকে বা না থাক, উভয় ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য হবে। ইপিএফও-র এই নতুন নিয়ম চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে। অর্থাৎ, আপনি যদি ১ এপ্রিলের আগে ইপিএফও থেকে টাকা তুলতে চান, তা হলে চলতি হারেই টিডিএস দিতে হবে।

টিডিএসে নিয়ম বদল

কোনো অ্যাকাউন্ট হোল্ডার যদি পাঁচ বছরের মধ্যে টাকা তোলেন, তবে তাঁকে টিডিএস দিতে হবে। পাশাপাশি, ৫ বছর পরে টাকা তোলার উপর কোনো টিডিএস ধার্য করা হবে না। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বাজেটে জানিয়েছিলেন যে টিডিএসের জন্য কমপক্ষে ১০ হাজার টাকার ঊর্ধ্বসীমাও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও লটারির ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, একটি আর্থিক বছরে মোট ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত টিডিএস কাটা হবে না, তবে তার পরে এটি অবশ্যই কাটা হবে।

আরও পড়ুন: বাজেটে আয়কর স্ল্যাবে পরিবর্তন, জানুন নতুন ও পুরনো কর ব্যবস্থার খুঁটিনাটি

Continue Reading

খবর

আদানি-বিপর্যয়ের মধ্যেও চাঙ্গা শেয়ার বাজার, লম্বা দৌড় সেনসেক্স-নিফটির

শুক্রবার সবচেয়ে লাভবান স্টকগুলির মধ্যে রয়েছে টাইটান, বাজাজ ফিন্যান্স, বাজাজ ফিনসার্ভ. এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি।

Published

on

Stock Market

সপ্তাহের শেষ কেনাবেচার দিনে শক্তিশালী অবস্থানে থিতু হয়েছে ভারতীয় শেয়ার বাজার। ফিন্যান্সিয়াল এবং আইটি শেয়ারগুলির কাঁধে ভর দিলে অনেকটাই উঁচুতে উঠে বন্ধ হয়েছে অন্যতম সূচকগুলি। উল্লেখযোগ্য ভাবে, ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI) নিজের ত্রৈমাসিক আয়ের রিপোর্ট পেশ করার আগে আর্থিক লাভ করেছে।

বিএসই সেনসেক্স (BSE Sensex) ৯০০ পয়েন্ট উপরে উঠে ৬০.৮৫০-এর কাছাকাছি স্থির হয়েছে। অন্য দিকে, এনএসই নিফটি (NSE Nifty) প্রায় ২৫০ পয়েন্ট এগিয়ে ১৭,৮৫০-এর উপরে বন্ধ হয়েছে। নিফটি এই সপ্তাহে ১.৪ শতাংশ বেড়েছে এবং এর অন্তর্গত ৫০টি স্টকের মধ্যে লাভের খাতায় নাম লিখিয়েছে ২৭টি। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক এবং আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্কের নেতৃত্বে নিফটি ব্যাঙ্ক এই সপ্তাহে ২.৭ শতাংশ লাফিয়েছে। অন্য দিকে, ইনফোসিস-এর মতো সংস্থার উপর নির্ভর করে নিফটি আইটি সূচক টানা চতুর্থ সপ্তাহে ঊর্ধ্বমুখী।

শুক্রবার সবচেয়ে লাভবান স্টকগুলির মধ্যে রয়েছে টাইটান, বাজাজ ফিন্যান্স, বাজাজ ফিনসার্ভ. এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি। এ ছাড়াও এ দিন সবচেয়ে সক্রিয় স্টকের মধ্যে ছিল আদানি এন্টারপ্রাইজেস, আদানি পোর্টস সেজ, আরআইএল, এসবিআই, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক। নিফটি-কে পিছনের দিকে টেনে ধরার চেষ্টা করেছে টেক মাহিন্দ্রা, এইচসিএল টেক, উইপ্রো সেনসেক্সে ওজন করেছে যখন ডিভিস ল্যাবস, বিপিসিএল।

প্রসঙ্গত, আদানি গোষ্ঠীর সংস্থাগুলির শেয়ারের পতন অব্যাহত রয়েছে। ২০ হাজার কোটি টাকার এফপিও বন্ধ করার পরে আদানি এন্টারপ্রাইজ ২ শতাংশের বেশি কমে ১,৫৩১ টাকায় নেমে এসেছে। আদানি টোটাল গ্যাস ৫ শতাংশ, আদানি গ্রিন এবং আদানি ট্রান্সমিশন ১০ শতাংশ করে কমেছে।

ও দিকে, আমেরিকার শেয়ার বাজারে বৃহস্পতিবার রাতে বাজার খোলার কিছু ক্ষণ পরে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ার দরের পতন ঘটতে শুরু করে। যার প্রভাব পড়ে ডাও জোন্স সূচকেও। এক সময় সূচক তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় আদানির সংস্থাকে। পরে আবার তা চালু হলেও পতন ঠেকানো যায়নি। সামগ্রিক ভাবে আদানিদের ওই সংস্থাগুলির শেয়ার দর পড়েছে ৫ শতাংশেরও বেশি। আর তার অভিঘাতে ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে পতন ঘটে ডাও জোন্স সূচকে।

আরও পড়ুন: আদানিকাণ্ডে এলআইসি লগ্নিকারীদের উপর আঁচ পড়বে না, বিবৃতি বিমা সংস্থার

Continue Reading

খবর

সস্তায় ‘ভারত আটা’ বিক্রি করবে সরকার, জানুন দাম কত

খোলা বাজারে বিক্রয় প্রকল্পের আওতায় এই আটা বিক্রি হবে। এর নাম ‘ভারত আটা’

Published

on

খোলা বাজারে আটার দাম বেড়েছে অনেকটাই। বাড়তি চাপ পকেটে। স্বস্তি দিতে শীঘ্রই সস্তায় আটা সরবরাহ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। খোলা বাজারে বিক্রয় প্রকল্পের আওতায় এই আটা বিক্রি হবে। এর নাম ‘ভারত আটা’ (Bharat Atta)।

কত দাম ভারত আটার

মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশ, বেশি দামে আটা কেনা গ্রাহকরা স্বস্তি পেতে চলেছেন এই সরকারি উদ্যোগে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এই ‘ভারত আটা’ বিক্রি শুরু হবে।

উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারি আউটলেট থেকে প্রতি কেজি ভারত আটা কেনা যাবে ২৯.৫০ টাকায়। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে ভারতের ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন (NAFED) এবং ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ক্রেডিট কাউন্সেলিং (NFCC) ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এই আটা বিক্রি শুরু করবে।

গম দেবে এফসিআই

বর্তমানে দেশে কেজি প্রতি আটার দাম অন্ততপক্ষে ৩৮ টাকা। এমতাবস্থায় সরকারের এই প্রকল্পের ফলে জনগণের কাছে সস্তায় আটা পৌঁছে যাবে। জানা গিয়েছে, খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের সচিব সঞ্জীব চোপড়া একটি বৈঠকে এর ওপেন মার্কেট সেল স্কিম পর্যালোচনা করেছেন।

ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (FCI)-র ডিপো থেকে কেন্দ্রীয় ভাণ্ডার, এনএএইইডি এবং এনসিসিএফ সংস্থাগুলি ৩ এলএমটি পর্যন্ত গম তুলবে। এর পরে, এই গম থেকে আটা তৈরির পর খুচরো দোকান এবং সরকারি আউটলেটের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে তা বিক্রি করা হবে।

বলে রাখা ভালো, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওপেন মার্কেট স্কিম পর্যালোচনা করেছিলেন। এই প্রকল্পের অধীনে ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন গম ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র।

আরও পড়ুন: আদানিকাণ্ডে এলআইসি লগ্নিকারীদের উপর আঁচ পড়বে না, বিবৃতি বিমা সংস্থার

Continue Reading

Trending