Connect with us

ফিনান্স

আজ জিএসটি বৈঠক: রাজ্যগুলির ৬ লক্ষ কোটি রাজস্ব ক্ষতি কেন্দ্রকে পূরণ করতে বলল কংগ্রেস

কংগ্রেস বলেছে, “অর্থ কমিশনগুলির দেওয়া কেন্দ্র-রাজ্য তহবিল ভাগাভাগি সূত্রের বাস্তব রূপ দেওয়ার এটাই হল সঠিক সময়।”

Published

on

finance minister Nirmala Sitharaman

বাংলাbiz ডেস্ক: ধারাবাহিক অর্থনৈতিক মন্দার দরুন জিএসটি (GST) খাতে রাজ্যগুলির যে ৬ লক্ষ কোটি টাকার মতো রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে তা পুরোপুরি পূরণ করে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানাল কংগ্রেস (Congress)। উল্লেখ্য, আজই জিএসটি কাউন্সিল সদস্যদের বৈঠকে বসার কথা।

জিএসটি ক্ষতিপূরণ আইন (GST Compensation Act) অনুসারে জিএসটি সংগ্রহে বৃদ্ধির পরিমাণ ১৪ শতাংশের কম হলে রাজ্যগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা। রাজ্যগুলিকে সেই পাওনাও মিটিয়ে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে অনুরোধ করেছে কংগ্রেস।

কংগ্রেস নেতা রাজীব গৌড়া, এস মনপ্রীত সিং বাদল (অর্থমন্ত্রী, পঞ্জাব) এবং কৃষ্ণ বায়রে গৌড়া (কর্নাটকের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী) এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, কেন্দ্র যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তার কমে কোনো অর্থ দেওয়া হলে তাতে ভারতীয় রাজ্যগুলির প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে।

আরও পড়ুন: ‘আরবিআইয়ের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে’, কেন্দ্রীয় সরকারকে বিঁধল সুপ্রিম কোর্ট

জিএসটি ক্ষতিপূরণ সেস সংগ্রহ ১০ বছর পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতারা। তাঁরা দাবি করেছেন, কোভিড ১৯ (Covid 19) সামাল দেওয়ার জন্য সব ধরনের ঋণ যেন কেন্দ্র করে। কারণ তারা কম খরচে সম্পদ সংগ্রহ করতে পারে এবং ঋণের বোঝা রাজ্যগুলির তুলনায় ভালো ভাবে বইতে পারে।

কংগ্রেস চায়, কেন্দ্র যেন সেসের উপর নির্ভরতা কমায় এবং রাজ্যগুলির সঙ্গে রাজস্ব যেন ন্যায্য ভাবে ভাগ করে নেয়। “অর্থ কমিশনগুলির দেওয়া কেন্দ্র-রাজ্য তহবিল ভাগাভাগি সূত্রের বাস্তব রূপ দেওয়ার এটাই হল সঠিক সময়”, ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কেন্দ্রের তালগোল-পাকানো কাজের দরুন কোভিড ১৯ জনিত ধস নামার আগে থেকেই ভারতীয় অর্থনীতি ‘মোদী মন্দা’র অভিজ্ঞতা অর্জন করছিল।

কংগ্রেস বলেছে, কেন্দ্রের ‘অদক্ষতার’ মাশুল গুনতে হবে রাজ্যগুলিকে। সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির সামনে কেন্দ্র যে কথা বলেছিল তার উল্লেখ করেছে দল। কেন্দ্র বলেছিল, বাধ্যতামূলক ভাবে রাজ্যগুলোকে জিএসটি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার যে বিধি রয়েছে, তা দেওয়ার টাকা কেন্দ্রের নেই।

কংগ্রেস নেতাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কোভিড-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাজ্যগুলি রয়েছে প্রথম সারিতে। এই কঠোর সময়ে রাজ্যগুলির সাহায্যের্থে কেন্দ্রীয় সরকারের এগিয়ে আসাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি বইতে হলে রাজ্যগুলোকে তাদের প্রধান প্রধান কর্মসূচি ও নীতি রূপায়ণে খরচ কাটছাঁট করতে হবে। এই সংকট কাটাতে মোদী সরকার কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন? এটা খুবই বেদনাদায়ক যে রাজ্যগুলিকে সাহায্য করার জন্য পদক্ষেপ করার বদলে তারা বিশ্বাসঘাতকতার মাটি তৈরি করছে। সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থার জায়গায় তারা দমনমূলক যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নিয়ে আসছে।”       

ফিনান্স

সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

Published

on

নিজের একটা বাড়ি বা ফ্ল্যাট। এমন স্বপ্ন অনেকেরই। কিন্তু এর জন্য দরকার বড়ো অঙ্কের টাকার। বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট কেনার জন্য যে কারণে বেশির ভাগ ক্রেতাই শরণাপন্ন হন ব্যাঙ্ক অথবা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। যেখানে সহজ মাসিক কিস্তিতে গৃহঋণ (Home loan) নিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব।

একটি নির্দিষ্ট সুদের হারে ঋণ দেয় ব্যাঙ্ক। যার জন্য গ্রাহককে প্রতি মাসে ইএমআই (EMI) দিতে হয়। বেঁধে দেওয়া হয় ঋণ পরিশোধের সময়সীমা। সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

অন্যদিকে, যত দিন না ঋণ পরিশোধ হচ্ছে, ততদিন গ্রাহকের বাড়ির কাগজপত্র ব্যাঙ্কের কাছে জমা থাকে। অর্থাৎ, ঋণের পরিমাণ সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির মালিকানা ব্যাঙ্কের হাতেই। এই কারণে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি পরিশোধ করা উচিত। দ্রুত এই ঋণ মিটিয়ে দিয়ে ঝক্কি কমানোর কিছু বিকল্প পথও রয়েছে।

গৃহঋণ তাড়াতাড়ি পরিশোধ করতে, প্রতি বছর লোনের ব্যালেন্সের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ জমা করতে পারেন। এতে করে মূল পরিমাণ কমে যায় এবং ২০ বছরের ঋণ ১২ বছরে সম্পূর্ণ করা যায়।

আরও একটি বিকল্পের মধ্যে রয়েছে বছরে বাড়তি ইএমআই জমা করার পদ্ধতি। আপনি যদি গৃহঋণ তাড়াতাড়ি মিটিয়ে দিতে চান তবে ১২-র পরিবর্তে বছরে ১৩টি ইএমআই দিন৷ প্রতি বছর যদি অতিরিক্ত একটি ইএমআই জমা করে, তা হলে ২০ বছরের ঋণ শেষ শেষ হয়ে যাবে ১৭ বছরে।

তবে সব কিছুই নির্ভর করছে গ্রাহকের মাসিক আয়ের উপর। কারণ, এমনিতেই গৃহঋণের ইএমআই বেশ বড়ো হয়। যদি বাড়তি অর্থের সংস্থান হয়ে যায়, তা হলে ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে আপনি পূর্বনির্ধারিত ইএমআই-এর পরিমাণও বাড়িয়ে নিতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে, মাসিক কিস্তি ৫ শতাংশ বাড়িয়ে নিলে ২০ বছরের ঋণ ১৩ বছরেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: কলকাতায় প্রথম শাখা খুলল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক

Continue Reading

খবর

অর্থবর্ষ প্রায় শেষ, আয়কর বাঁচানোর ব্রহ্মাস্ত্র সম্পর্কে ওয়াকিবহাল তো?

আপনাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারে তা হল আয়কর আইনের ৮০ নম্বর ধারা। আয়কর বাঁচাতে এটাই হতে পারে আপনার ব্রহ্মাস্ত্র।

Published

on

প্রায় শেষ হতে চলল ২০২৩ অর্থবর্ষ। আর কয়েক দিন পরেই পেশ হবে চলতি বছরের সাধারণ বাজেট (Budget 2023)। আর তার পরেই শুরু হবে আয়কর (Income Tax) বাঁচানোর জটিল হিসাব। এই অবস্থায় যা আপনাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারে তা হল আয়কর আইনের ৮০ নম্বর ধারা। আয়কর বাঁচাতে এটাই হতে পারে আপনার ব্রহ্মাস্ত্র।

৮০ নম্বর ধারা কী

আয়কর আইনের ৮০ ধারা সাধারণ মানুষের হাতে কর থেকে ছাড় পাওয়ার অন্যতম অস্ত্র। আয়কর থেকে ছাড় পেতে এই ধারায় ১২টি উপধারা আছে। তবে একটা কথা মাথায় রাখতে হবে। ৮০ নম্বর ধারার যে উপধারার ছাড়ের সুযোগই আপনি নিন না কেন, আপনার কিন্তু ওই ১ লক্ষ ৫০ হাজার পর্যন্তই মোট ছাড় মিলবে এই ধারায়।

দেখে নেওয়া যাক কোন উপধারায় কী কী ছাড় পাওয়া যায়—

৮০ ধারার উপধারাগুলি কী কী

৮০সি (80 C): এই উপধারায় আপনি ছাড় পাবেন কর্মচারী ভবিষ্যনিধি, জীবন বিমা, ইএলএসএস, গৃহঋণের মূল শোধ, বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনার জন্য স্ট্যাম্প ডিউটির খরচ, সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা, ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম, সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম, ইউলিপ, পাঁচ বছরের কর বাঁচানোর ফিক্সড ডিপোজিট, ইনফ্রাস্ট্রাকচার বন্ডের মতো বিনিয়োগে।

৮০সিসিসি (80 CCC): এই উপধারায় অ্যানুইটি পেনশন প্রকল্পে বিনিয়োগ অথবা সেই প্রকল্প থেকে পাওয়া আয়ের উপর ছাড় পাওয়া যায়।

৮০সিসিডি(১) (80 CCD (1): এই উপধারায় ক) বেতন বাবদ আয়ের ১০ শতাংশ, খ) স্বনিযুক্ত হলে সামগ্রিক বাৎসরিক আয়ের ২০ শতাংশ অথবা গ) এক লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এই তিনের মধ্যে যেটি সব থেকে কম তার উপরে করছাড় মেলে।

৮০সিসিডি (১বি) (80 CCD (1B): এনপিএস প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য অতিরিক্ত ৫০ হাজার ছাড়। অটল পেনশন যোজনা থেকেও এই উপধারায় ছাড়ের সুযোগ রয়েছে।

৮০সিসিডি (২): চাকুরিরতদের জন্য এনপিএসে বিনিয়োগে ছাড়।

আরও পড়ুন: নজরে লোকসভা ভোট, বাজেটে গ্রামের দিকে বেশি নজর মোদী সরকারের

Continue Reading

খবর

পড়েই চলেছে দর, ক্রিপ্টোর ‘আসল রূপ’ সম্পর্কে সাবধান করলেন রাজন

ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের মঞ্চ থেকে ফের ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লগ্নি নিয়ে সতর্ক করলেন রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন!

Published

on

এর আগেও বহু বার ক্রিপ্টো (Cryptocurrency) নিয়ে সতর্কবার্তা শোনা গিয়েছে তাঁর গলায়। আরবিআইয়ের (RBI) বর্তমান গভর্নর শক্তিকান্ত দাসও (Shaktikanta Das) বার বার মানুষকে সাবধান করেছেন। ক্রিপ্টো লেনদেনে কর বসিয়েছে কেন্দ্র। এ বার ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের (World Economic Forum) মঞ্চ থেকে ফের নেট-মুদ্রায় (ক্রিপ্টোকারেন্সি) লগ্নি নিয়ে সতর্ক করলেন রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন (Raghuram Rajan)।

কী বলছেন রাজন

গত এক বছরে বিশ্ব জুড়ে ক্রিপ্টোর (Cryptocurrency) দর যে হারে নেমেছে, তা মনে করিয়ে রাজন বলেন, এর ফলে আগামী দিনে লগ্নিকারীরা এর ‘আসল দর’ সম্পর্কে অবগত হবেন। সেই বুঝে নতুন এই প্রযুক্তি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এবং তা কাজে লাগাতে পারবেন তাঁরা। ফোরামে বিশ্ব বাজার নিয়ে সভায় রাজন বলেন, ‘‘সরকার পরিচালিত মুদ্রা ধ্বংস হবে ও ক্রিপ্টো তার মূল্য ধরে রাখবে— এই চিন্তা বাতুলতা ছাড়া কিছু নয়। সাধারণ মুদ্রা বরং দীর্ঘ মেয়াদে জিতেই এসেছে।’’

কতটা কমেছে ক্রিপ্টোকারেন্সির দর

উল্লেখ্য, গত বছরে সারা বিশ্বে সব মিলিয়ে ক্রিপ্টোকারেন্সির (Cryptocurrency) দর কমেছে ১.৪ লক্ষ কোটি ডলার। এগুলির মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় বিটকয়েনই হারিয়েছে ৬০ শতাংশ মূল্য। জানুয়ারিতে তা ২৬ শতাংশ বেড়েছে ঠিকই। কিন্তু বাজার এখনও অস্থির বলেই মনে করা হচ্ছে। তার উপরে ভারতে এ সপ্তাহেই কয়েকশো কোটি টাকার ক্রিপ্টো জালিয়াতির খবর সামনে এসেছে।

কী বলছেন বিশেষজ্ঞেরা

বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, নভেম্বরে আমেরিকায় ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ এফটিএক্স-এর (FTX) পতন এবং দেউলিয়া ঘোষণা এই বাজার নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়েছে। এক বছর আগেও ৩২০০ কোটি ডলার মূল্য থাকা সংস্থায় প্রতিষ্ঠাতাদের বিরুদ্ধেই জালিয়াতির অভিযোগ এনেছে তদন্তকারীরা।

আরও পড়ুন: নজরে লোকসভা ভোট, বাজেটে গ্রামের দিকে বেশি নজর মোদী সরকারের

Continue Reading

Trending