Connect with us

খবর

ফেব্রুয়ারিতেও সুখবর! পর পর ৫ মাস বাড়ল জিএসটি সংগ্রহ

এই নিয়ে টানা তিন মাস ১.১ লক্ষ কোটি টাকার উপরে রইল জিএসটি সংগ্রহ।

Published

on

জিএসটি

বাংলা বিজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারিতে ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেল জিএসটি সংগ্রহ। এই নিয়ে পর পর পাঁচ মাস বৃদ্ধির মুখ দেখে সদ্য শেষ হওয়া মাসে জিএসটি সংগ্রহ হয়েছে ১.১৩ লক্ষ টাকার বেশি। অন্যদিকে, এই নিয়ে টানা তিন মাস ১.১ লক্ষ কোটি টাকার উপরে রইল জিএসটি সংগ্রহ।

অর্থমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এই নিয়ে টানা পঞ্চম বার এক লক্ষ টাকার গণ্ডি অতিক্রম করল জিএসটি-র পরিমাণ। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১.১৩ লক্ষ কোটির বেশি। যা করোনা বিধ্বস্ত অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মোট সংগ্রহের মধ্যে কেন্দ্রীয় জিএসটি (সিজিএসটি) প্রায় ২১,০৯২ কোটি টাকা, রাজ্য জিএসটি (এসজিএসটি) ২৭,২৭৩ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি (আইজিএসটি) সংগ্রহ হয়েছে ৫৫,২৫৩ কোটি টাকা (পণ্য আমদানিতে সংগৃহীত ২৪,৩৩২ কোটি টাকা) এবং সেস ৯,৫২৫ কোটি টাকা (পণ্য আমদানিতে সংগৃহীত ৬৬০ কোটি টাকা-সহ)।

সরকার সিজিএসটিতে ২২,৩৯৮ কোটি এবং আইজিএসটি থেকে ১৭,৫৩৪ কোটি টাকার এসজিএসটি নিয়মিত হিসাবে নিষ্পত্তি করেছে। এ ছাড়াও, কেন্দ্র অ্যাডহক সেটেলমেন্ট হিসাবে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে ৫০:৫০ অনুপাতে আইজিএসটি বাবদ ৪৮,০০০ কোটি টাকার নিষ্পত্তি করেছে।

একমাসে পণ্য আমদানি থেকে আয় ছিল ১৫ শতাংশ বেশি এবং গার্হস্থ্য লেনদেনের (আমদানি পরিষেবা-সহ) আয় ছিল গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সংগৃহীত আয়ের চেয়ে ৫ শতাংশ বেশি।

তবে ফেব্রুয়ারির জিএসটি সংগ্রহের অঙ্ক গত জানুয়ারির তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। জানুয়ারিতে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ১,১৯,৮৭৫ কোটি টাকা। জিএসটি চালু হওয়ার পর থেকে যা ছিল সর্বোচ্চ। সেই জায়গায় ফেব্রুয়ারিতে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ১,১৩,১৪৩ কোটি টাকা।

একই সঙ্গে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের যুক্তি, এমনিতে ফেব্রুয়ারিতে জিএসটি সংগ্রহের বৃদ্ধির ঘটা স্বাভাবিক একটা বিষয়। তবে করোনা মহামারির ধাক্কা সামলে অর্থনীতিতে যে গতি ফিরছে সেই লক্ষণও স্পষ্ট। তাঁরা এমনও বলছেন, চলতি মার্চে জিএসটি সংগ্রহ ১৮-২৩ শতাংশ বাড়তে পারে।

আরও পড়তে পারেন: সপ্তাহান্তে রক্তক্ষরণের পর সোমবার সেনসেক্স উঠল ৭০০ পয়েন্টর বেশি

খবর

শেয়ার বাজারে হুড়মুড়িয়ে ধস! মাথায় হাত লগ্নিকারীদের

সকালে বাজার খুলতেই পড়তে শুরু করে একের পর এক নামী কোম্পানির শেয়ার। আদানি গ্রুপের বেশিরভাগ শেয়ারের দাম ব্যাপক কমেছে।

Published

on

সপ্তাহের শেষ কেনাবেচার দিনে বড়োসড়ো ধাক্কা ভারতীয় শেয়ার বাজারে। শুক্রবার হুড়মুড়িয়ে ধস ভারতীয় শেয়ারবাজারের সবকটি সূচকে। একদিনে প্রায় ২ শতাংশ নেমেছে বাজার।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বব্যাপী প্রবণতার কারণেই এ দিন ব্যাপক ধস নেমেছে ভারতের শেয়ার বাজারে। সকালে বাজার খুলতেই পড়তে শুরু করে একের পর এক নামী কোম্পানির শেয়ার। আদানি গ্রুপের বেশিরভাগ শেয়ারের দাম ব্যাপক কমেছে। জানা গিয়েছে, আমেরিকার সংস্থার তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে মারাত্মক ধস নামে আদানি গ্রুপের শেয়ারে।

একটা সময় সেনসেক্স (Sensex) নেমে যায় এক হাজার পয়েন্টেরও বেশি। পরে কিছুটা পুনরুদ্ধার করে বাজার বন্ধের সময় ৮৪৬ পয়েন্ট পড়ে সেনসেক্স থিতু হয় ৫৯,৩৪৯-এ। বড়ো ধাক্কা লেগেছে নিফটিতেও । প্রায় তিনশো পয়েন্ট পড়ে নিফটি পৌঁছায় ১৭ হাজারে। বাজার বন্ধের সময় ২৮৬ পয়েন্ট পড়ে দাঁড়ায় ১৭,৬১১-য়।

উল্লেখযোগ্য ভাবে, আদানি পোর্টস এবং আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারের দাম ৫ শতাংশ কমেছে। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক এবং এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের শেয়ারের দাম ৩ শতাংশ পর্যন্ত পড়েছে। অন্যদিকে, টাটা মোটরসের শেয়ারের দর ৮ শতাংশ বেড়েছে। বাজাজ অটোর শেয়ারের দামও ৬ শতাংশ বেড়েছে। মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা, ডক্টর রেড্ডিজ ল্যাবসের দামও ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

আরও পড়ুন: বাজেট ২০২৩: রেলপথ, রাস্তার জন্য বাড়তি বরাদ্দের প্রত্যাশা

Continue Reading

খবর

বাজেট ২০২৩: রেলপথ, রাস্তার জন্য বাড়তি বরাদ্দের প্রত্যাশা

২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এ বারের বাজেটে একাধিক চমক থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Published

on

নয়াদিল্লি: আগামী ১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৩-২৪ পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতরমন। এটা তাঁর পঞ্চম বাজেট। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এ বারের বাজেটে একাধিক চমক থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এ বারের বাজেট বাড়তি গুরুত্ব পেতে চলেছে রেলপথ ও সড়ক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। বিশ্বব্যাপী মন্দার প্রভাব স্পষ্ট হলেও ভারত যে সেই আঁচ এড়াতে সক্ষম, সেই বার্তা পৌঁছে দিতে চাইবেন অর্থমন্ত্রী। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কমাতে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ।

এমন পরিস্থিতিতে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগে নজর দিচ্ছে বেসরকারি সংস্থাগুলি। ইস্পাত এবং সিমেন্টের মতো মূল উপকরণগুলির চাহিদা তৈরি করতে কেন্দ্রীয় সরকারও পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যায় বরাদ্দ বাড়াতে চাইছে।

২০২০ সালে কোভিড অতিমারির পর থেকে বিভিন্ন মন্ত্রক এবং বিভাগগুলিতে ব্যয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টস (CAG)-এর প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সড়ক পরিবহণ এবং রেলপথের মতো ক্ষেত্রগুলিতে বার্ষিক বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ খরচ করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে সড়ক ও জাতীয় সড়ক মন্ত্রক। যা ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে এই খাতে বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ।

একই ভাবে, বেশ কয়েক বছর ধরে পিছিয়ে থাকা রেলের ব্যয়ও বেড়েছে। সম্পদ তৈরির জন্য ১.১ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে ভারতীয় রেল, যা বাজেট বরাদ্দের প্রায় ৮৪ শতাংশ।

সবমিলিয়ে, সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এ বারের বাজেটে বাড়তি উৎসাহ পেতে চলেছে এই দুই মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই আগত বছরের পরিকল্পনাগুলিও তৈরি করে ফেলেছে তারা। সেই মতোই নির্ধারিত হতে চলেছে সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ।

আরও পড়ুন: চাহিদা বাড়ায় দু’বছরে এই প্রথম লাভের মুখ দেখল টাটা মোটরস, আয় বাড়ল ২৩ শতাংশ

Continue Reading

খবর

চাহিদা বাড়ায় দু’বছরে এই প্রথম লাভের মুখ দেখল টাটা মোটরস, আয় বাড়ল ২৩ শতাংশ

২০২২-২৩ আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আয়-ব্যায়ের খতিয়ান পেশ করে এমনটাই জানিয়েছে দেশের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা।

Published

on

করোনা মহামারিতে মার খেয়েছিল গাড়ি বাজার। ধীরে ধীরে বেড়েছে চাহিদা। যাত্রীবাহী গাড়ির পাশাপাশি মাঝারি এবং ভারী বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে নির্মাতা টাটা মোটরস (Tata Motors) শেষ ত্রৈমাসিকে উল্লেখযোগ্য লাভের মুখ দেখেছে। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আয়-ব্যায়ের খতিয়ান পেশ করে এমনটাই জানিয়েছে দেশের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা।

ডিসেম্বরে শেষ হওয়া তৃতীয় ত্রৈমাসিকে টাটা মোটরসের একত্রিত নিট মুনাফার পরিমাণ ২ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকার বেশি। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের একই সময়ে নিট লোকসানের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫১৬ কোটি। এবং তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, চলতি আর্থিক বছরের সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে ৯৪৪ কোটি টাকার নিট লোকসানের কথা জানিয়েছিল সংস্থা।

এই সময়কালে সংস্থার অন্যতম গাড়ি জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার থেকে একত্রিত রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৪৮৮ কোটি। যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ২২.৫ শতাংশ।

সংস্থার দাবি, উল্লেখযোগ্য হারে লাভ বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে উত্তরোত্তর বেড়ে চলা গাড়ির চাহিদা। স্টক এক্সচেঞ্জে পেশ করা রিপোর্টে সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়ে তারা যথেষ্ট আশাবাদী। লাভজনক বৃদ্ধি, সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহের উন্নতি এবং স্থিতিশীল পণ্যের দামের উপর লক্ষ্য রাখছে সংস্থা।

আরও পড়ুন: সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

Continue Reading

Trending