Connect with us

খবর

পিএফের পর ইএসআই, শেয়ার বাজারে লগ্নি আরও এক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের তহবিল

এ বার আরও এক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের তহবিলের দরজা খুলল শেয়ার বাজারের জন্য। এমপ্লয়িজ় স্টেট ইনশিওরেন্সের (কর্মী রাজ্য বিমা বা ইএসআই) তহবিলও শেয়ার বাজারে লগ্নি করতে চলেছে মোদী সরকার।

Published

on

বিবি ডেস্ক: আগেই খুলেছিল প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Provident Fund) দরজা। এ বার আরও এক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের তহবিলের দরজা খুলল শেয়ার বাজারের জন্য। এমপ্লয়িজ় স্টেট ইনশিওরেন্সের (কর্মী রাজ্য বিমা বা ইএসআই) (Employees State Insurance) তহবিলও শেয়ার বাজারে লগ্নি করতে চলেছে মোদী সরকার। রবিবার শ্রমমন্ত্রী ভূপেন্দর যাদবের সভাপতিত্বে কর্মী রাজ্য বিমা নিগমের (ইএসআইসি) (ESIC) পরিচালন পর্ষদের বৈঠকে এই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে শ্রম মন্ত্রক।

কী বলছে ট্রেড ইউনিয়ন

কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ট্রেড ইউনিয়নগুলির একাংশ। তাদের দাবি, ইএসআইয়ের (ESI) মতো সমাজের স্বল্প আয়ের মানুষদের সুরক্ষা প্রকল্পের টাকা ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় লগ্নি করার অনুমতি দিয়ে সরকার বহু মানুষের জীবন অনিশ্চিত করে দিতে চলেছে। বিশেষ করে বর্তমান অনিশ্চিত আর্থিক অবস্থার প্রেক্ষিতে।

সিটুর (CITU) সাধারণ সম্পাদক তপন সেন বলেন, “আমরা ইএসআই (ESI) এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Provident Fund) টাকা শেয়ার বাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় লগ্নির বিরুদ্ধে। ওই প্রস্তাব নিয়ে আগেই ইএসআইসি-র পর্ষদে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বেশিরভাগ শ্রমিক প্রতিনিধি। কিন্তু সকলের বিরোধিতা অগ্রাহ্য করে কেন্দ্র সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের টাকা শেয়ারে খাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’’

যদিও ইএসআইয়ের (ESI) আয় বাড়াতে এই লগ্নি জরুরি বলে মন্তব্য সংস্থার পর্ষদের শ্রমিক প্রতিনিধি সদস্য এবং টিইউসিসির সাধারণ সম্পাদক এসপি তিওয়ারির। তিনি জানান, “সুরক্ষা দেওয়ার পরিষেবা বজায় রাখতে গিয়ে ইতিমধ্যেই ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৩০০ কোটি টাকা। এমন চললে ইএসআইয়ের পরিষেবা সম্প্রসারণের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়িত করা কঠিন হবে। তাই আয় বাড়াতে প্রকল্পের টাকা শেয়ারে লগ্নি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যথেষ্ট সতর্ক ভাবেই তা করা হবে।’’

কোথায় বিনিয়োগ

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুরুতে প্রতি বছর ইএসআইয়ের (ESI) সমস্ত খরচ মিটিয়ে যে টাকা অবশিষ্ট থাকবে, তার ৫ শতাংশ শেয়ারে লগ্নি হবে। ছ’মাস (দু’টি ত্রৈমাসিক) অম্তর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পর্যায়ক্রমে লগ্নির পরিমাণ নিয়ে যাওয়া হবে ১৫ শতাংশে। পুঁজি খাটানো হবে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডের (ইটিএফ) মাধ্যমে। তবে শুধুমাত্র নিফটি (Nifty) এবং সেনসেক্সের (Sensex) ইটিএফেই লগ্নি করা হবে।

কেন্দ্রের দাবি

শ্রম মন্ত্রক দাবি করেছে, বর্তমানে ইএসআইয়ের টাকা প্রধানত বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণপত্রে লগ্নি হয়। কিন্তু তা থেকে আয় কমছে। অথচ বাড়ছে প্রকল্পের সদস্য সংখ্যা। তাই তহবিলের আয় বাড়াতেই শেয়ারে লগ্নির ওই সিদ্ধান্ত।

আরও পড়ুন: মারুতি সুজুকির পর টাটা মোটরস, গাড়ির দাম বাড়াচ্ছে নতুন বছরে

খবর

প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তোলায় বাড়ল সুবিধা, কমল টিডিএস

২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে টাকা তোলার বিষয়ে কর সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

Published

on

এখন এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) ​​থেকে টাকা তোলায় বাড়তি সুবিধা পাবেন সদস্যরা। টিডিএস (TDS) হিসেবে আগের ৩০ শতাংশের জায়গায় এ বার কাটা হবে ২০ শতাংশ।

ইপিএফও থেকে টাকা তোলার নিয়ম বদল করেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রভিডেন্ট ফান্ড (Provident Fund) থেকে টাকা তোলার বিষয়ে কর সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

৩০ শতাংশের জায়গায় ২০ শতাংশ টিডিএস

আপনি যদি নিজের পিএফ (PF) অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলেন, তা হলে এখন আপনাকে ৩০ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশ হারে টি়ডিএস দিতে হবে। আপনার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে প্যান কার্ড লিঙ্ক করা থাকে বা না থাক, উভয় ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য হবে। ইপিএফও-র এই নতুন নিয়ম চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে। অর্থাৎ, আপনি যদি ১ এপ্রিলের আগে ইপিএফও থেকে টাকা তুলতে চান, তা হলে চলতি হারেই টিডিএস দিতে হবে।

টিডিএসে নিয়ম বদল

কোনো অ্যাকাউন্ট হোল্ডার যদি পাঁচ বছরের মধ্যে টাকা তোলেন, তবে তাঁকে টিডিএস দিতে হবে। পাশাপাশি, ৫ বছর পরে টাকা তোলার উপর কোনো টিডিএস ধার্য করা হবে না। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বাজেটে জানিয়েছিলেন যে টিডিএসের জন্য কমপক্ষে ১০ হাজার টাকার ঊর্ধ্বসীমাও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও লটারির ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, একটি আর্থিক বছরে মোট ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত টিডিএস কাটা হবে না, তবে তার পরে এটি অবশ্যই কাটা হবে।

আরও পড়ুন: বাজেটে আয়কর স্ল্যাবে পরিবর্তন, জানুন নতুন ও পুরনো কর ব্যবস্থার খুঁটিনাটি

Continue Reading

খবর

আদানি-বিপর্যয়ের মধ্যেও চাঙ্গা শেয়ার বাজার, লম্বা দৌড় সেনসেক্স-নিফটির

শুক্রবার সবচেয়ে লাভবান স্টকগুলির মধ্যে রয়েছে টাইটান, বাজাজ ফিন্যান্স, বাজাজ ফিনসার্ভ. এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি।

Published

on

Stock Market

সপ্তাহের শেষ কেনাবেচার দিনে শক্তিশালী অবস্থানে থিতু হয়েছে ভারতীয় শেয়ার বাজার। ফিন্যান্সিয়াল এবং আইটি শেয়ারগুলির কাঁধে ভর দিলে অনেকটাই উঁচুতে উঠে বন্ধ হয়েছে অন্যতম সূচকগুলি। উল্লেখযোগ্য ভাবে, ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI) নিজের ত্রৈমাসিক আয়ের রিপোর্ট পেশ করার আগে আর্থিক লাভ করেছে।

বিএসই সেনসেক্স (BSE Sensex) ৯০০ পয়েন্ট উপরে উঠে ৬০.৮৫০-এর কাছাকাছি স্থির হয়েছে। অন্য দিকে, এনএসই নিফটি (NSE Nifty) প্রায় ২৫০ পয়েন্ট এগিয়ে ১৭,৮৫০-এর উপরে বন্ধ হয়েছে। নিফটি এই সপ্তাহে ১.৪ শতাংশ বেড়েছে এবং এর অন্তর্গত ৫০টি স্টকের মধ্যে লাভের খাতায় নাম লিখিয়েছে ২৭টি। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক এবং আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্কের নেতৃত্বে নিফটি ব্যাঙ্ক এই সপ্তাহে ২.৭ শতাংশ লাফিয়েছে। অন্য দিকে, ইনফোসিস-এর মতো সংস্থার উপর নির্ভর করে নিফটি আইটি সূচক টানা চতুর্থ সপ্তাহে ঊর্ধ্বমুখী।

শুক্রবার সবচেয়ে লাভবান স্টকগুলির মধ্যে রয়েছে টাইটান, বাজাজ ফিন্যান্স, বাজাজ ফিনসার্ভ. এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি। এ ছাড়াও এ দিন সবচেয়ে সক্রিয় স্টকের মধ্যে ছিল আদানি এন্টারপ্রাইজেস, আদানি পোর্টস সেজ, আরআইএল, এসবিআই, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক। নিফটি-কে পিছনের দিকে টেনে ধরার চেষ্টা করেছে টেক মাহিন্দ্রা, এইচসিএল টেক, উইপ্রো সেনসেক্সে ওজন করেছে যখন ডিভিস ল্যাবস, বিপিসিএল।

প্রসঙ্গত, আদানি গোষ্ঠীর সংস্থাগুলির শেয়ারের পতন অব্যাহত রয়েছে। ২০ হাজার কোটি টাকার এফপিও বন্ধ করার পরে আদানি এন্টারপ্রাইজ ২ শতাংশের বেশি কমে ১,৫৩১ টাকায় নেমে এসেছে। আদানি টোটাল গ্যাস ৫ শতাংশ, আদানি গ্রিন এবং আদানি ট্রান্সমিশন ১০ শতাংশ করে কমেছে।

ও দিকে, আমেরিকার শেয়ার বাজারে বৃহস্পতিবার রাতে বাজার খোলার কিছু ক্ষণ পরে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ার দরের পতন ঘটতে শুরু করে। যার প্রভাব পড়ে ডাও জোন্স সূচকেও। এক সময় সূচক তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় আদানির সংস্থাকে। পরে আবার তা চালু হলেও পতন ঠেকানো যায়নি। সামগ্রিক ভাবে আদানিদের ওই সংস্থাগুলির শেয়ার দর পড়েছে ৫ শতাংশেরও বেশি। আর তার অভিঘাতে ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে পতন ঘটে ডাও জোন্স সূচকে।

আরও পড়ুন: আদানিকাণ্ডে এলআইসি লগ্নিকারীদের উপর আঁচ পড়বে না, বিবৃতি বিমা সংস্থার

Continue Reading

খবর

সস্তায় ‘ভারত আটা’ বিক্রি করবে সরকার, জানুন দাম কত

খোলা বাজারে বিক্রয় প্রকল্পের আওতায় এই আটা বিক্রি হবে। এর নাম ‘ভারত আটা’

Published

on

খোলা বাজারে আটার দাম বেড়েছে অনেকটাই। বাড়তি চাপ পকেটে। স্বস্তি দিতে শীঘ্রই সস্তায় আটা সরবরাহ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। খোলা বাজারে বিক্রয় প্রকল্পের আওতায় এই আটা বিক্রি হবে। এর নাম ‘ভারত আটা’ (Bharat Atta)।

কত দাম ভারত আটার

মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশ, বেশি দামে আটা কেনা গ্রাহকরা স্বস্তি পেতে চলেছেন এই সরকারি উদ্যোগে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এই ‘ভারত আটা’ বিক্রি শুরু হবে।

উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারি আউটলেট থেকে প্রতি কেজি ভারত আটা কেনা যাবে ২৯.৫০ টাকায়। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে ভারতের ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন (NAFED) এবং ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ক্রেডিট কাউন্সেলিং (NFCC) ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এই আটা বিক্রি শুরু করবে।

গম দেবে এফসিআই

বর্তমানে দেশে কেজি প্রতি আটার দাম অন্ততপক্ষে ৩৮ টাকা। এমতাবস্থায় সরকারের এই প্রকল্পের ফলে জনগণের কাছে সস্তায় আটা পৌঁছে যাবে। জানা গিয়েছে, খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের সচিব সঞ্জীব চোপড়া একটি বৈঠকে এর ওপেন মার্কেট সেল স্কিম পর্যালোচনা করেছেন।

ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (FCI)-র ডিপো থেকে কেন্দ্রীয় ভাণ্ডার, এনএএইইডি এবং এনসিসিএফ সংস্থাগুলি ৩ এলএমটি পর্যন্ত গম তুলবে। এর পরে, এই গম থেকে আটা তৈরির পর খুচরো দোকান এবং সরকারি আউটলেটের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে তা বিক্রি করা হবে।

বলে রাখা ভালো, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওপেন মার্কেট স্কিম পর্যালোচনা করেছিলেন। এই প্রকল্পের অধীনে ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন গম ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র।

আরও পড়ুন: আদানিকাণ্ডে এলআইসি লগ্নিকারীদের উপর আঁচ পড়বে না, বিবৃতি বিমা সংস্থার

Continue Reading

Trending