Connect with us

ফিনান্স

ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে চান? রইল সহজ টিপস

কয়েকটি সহজ কৌশল মেনে চললেই জালিয়াতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারবেন ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট…

Published

on

অনেকেই ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট (Demat Account) খুলে স্টক মার্কেটে (Stock Market) প্রবেশ করেছেন এবং এর যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করছেন। এটি শেয়ার (Share),  বন্ড (Bond),  ইটিএফ (ETF),  গোল্ড বন্ড (Gold Bond) এবং মিউচুয়াল ফান্ডে (Mutual Fund) বিরামবিহীন বিনিয়োগ এবং স্থানান্তরের অনুমতি দেয়। ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট (Demat Account) সংক্রান্ত জালিয়াতির ঘটনা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। বহু মানুষ জালিয়াতির শিকার হয়েছেন। তাই সাবধান থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। কয়েকটি সহজ কৌশল মেনে চললেই জালিয়াতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারবেন ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট (Demat Account)।

সিডিএসএল এবং এনএসডিএলের কাজ

ভারতের দু’টি ডিপোজিটরি অর্থাৎ সিডিএসএল (CDSL) এবং এনএসডিএল (NSDL), সমস্ত গ্রাহকের শেয়ার এবং সিকিউরিটিগুলির সুরক্ষার জন্য দায়ী৷ তবে মনে রাখবেন, এই সিডিএসএল বা এনএসডিএল সরাসরি ডিম্যাট অ্যাকাউন্টধারীদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে না বা যোগাযোগ করে না। এরা মূলত স্টক ব্রোকার এবং মধ্যস্থতাকারীদের ডিপোজিটরি পার্টিসিপ্যান্ট লাইসেন্স প্রদান করে। এরা গ্রাহকদের ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট (Demat Account) খোলার জন্য যাবতীয় সুবিধা প্রদান করে।

ডিম্যাট অ্যাকাউন্টধারীদের সংখ্যা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ার ফলে এ সংক্রান্ত জালিয়াতির ঘটনা গত এক দশকে বহু গুণ বেড়ে গিয়েছে। বহু বিনিয়োগকারীকে বিভিন্ন ভাবে পড়তে হয়েছে সমস্যায়। এমন বেশ কয়েকটি উদাহরণ রয়েছে যেখানে দালালরা বিনিয়োগকারীদের সম্মতি না নিয়ে ব্যবসায় মার্জিন তহবিলের জামানত হিসাবে ব্যবহার করার জন্য ইটিএফ ইউনিটগুলিকে স্থানান্তর করছেন। এই সংক্রান্ত অন্যতম কুখ্যাত ঘটনা হল অ্যালায়েড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের সঙ্গে জুড়ে থাকা সাম্প্রতিক একটি ঘটনা।

কী কী সতর্কতা নিতে হবে

আরও বেশ কিছু ঘটনা ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের (Demat Account) নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এই ধরনের প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কী কী সতর্কতা নেওয়া যেতে পারে? এখানে কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা সহজ কৌশলের কথা তুলে ধরা হয়েছে যেগুলি মেনে চললে ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা নিজেদের অর্থ সুরক্ষিত রাখতে পারেন।

প্রথমেই আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের বিবৃতিগুলির একটি রেকর্ড রাখতে হবে৷ আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আপনার পাসবুক, ডিপি হোল্ডিং এবং লেনদেনের বিবৃতিগুলি আপনার ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের সঙ্গে জুড়ে থাকতে হবে। মনে রাখবেন, আপনার যাবতীয় হোল্ডিং স্টেটমেন্ট পর্যায়ক্রমে আপনার সমস্ত শেয়ারহোল্ডিংকে তালিকাভুক্ত করে। ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের লেনদেন বিবৃতি একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপনার অ্যাকাউন্টে সংঘটিত সমস্ত শেয়ার ক্রেডিট এবং ডেবিটগুলির বিশদ বিবরণ দেয় এবং বিনিয়োগকারীদের প্রকৃত রেকর্ডের সঙ্গে আপনার ডিম্যাট অ্যাকাউন্টে সংঘটিত কার্যকলাপের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় করে। আপনি আপনার ব্রোকারের ব্যাক-অফিস সফ্টওয়ারের সাহায্য নিয়ে ইলেকট্রনিকভাবে এটি পেতে পারেন।

ডিআইএসের গুরুত্ব

মনে রাখবেন, ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের জন্য ডেবিট নির্দেশনা স্লিপ (ডিআইএস) বুকলেটটি আপনার ব্যাঙ্কের চেক বইয়ের সমতুল্য। একটি ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে কোনও শেয়ার স্থানান্তর করার সময়, কোনও বিনিয়োগকারীকে অবশ্যই ডিআইএস স্বাক্ষর করতে হবে। তাই সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে সে যেন তাঁর ডিআইএস বুকলেটটি আশেপাশে না রাখেন বা প্রতারণার সম্ভাবনা এড়াতে তাঁর স্বাক্ষরিত ডিআইএস বুকলেটটি দালালের কাছে রেখে না দেন।

আপনার ব্রোকারের সঙ্গে ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট খোলার সময়, আপনাকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে ব্রোকার যাতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মালিকানাধীন ট্রেডিংয়ের সঙ্গে জড়িত না থাকেন। ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ব্রোকার আপনার হোল্ডিংয়ের সঙ্গে স্বার্থ পরায়ণসম্পন্ন হতে পারেন। এই ধরনের বিপদ এড়াতে, নিশ্চিত করুন যে ব্রোকার মালিকানাধীন ট্রেডিং কার্যকলাপের সঙ্গে যাতে জড়িত না হয়। এই বিষয়টি খুব সহজ মনে হলেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং খুচরো বিনিয়োগকারীদের এই ধরনের কার্যকলাপ সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন থাকা উচিত।

পাওয়ার অফ অ্যাটর্নির ব্যবহার

অনলাইন ট্রেডিং অ্যাকাউন্টে, দালালরা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি চুক্তির মাধ্যমে ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট অ্যাক্সেস করতে পারেন। এই পাওয়ার অফ অ্যাটর্নিগুলি দেশে ক্রমবর্ধমান ডিম্যাট সম্পর্কিত জালিয়াতির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক সময়ে নিয়ম ছিল, একটি সাধারণ উদ্দেশ্য চুক্তিই তহবিলের বিক্রয় স্থানান্তর করার জন্য যথেষ্ট। তবে, নতুন নিয়ম চালু হওয়ার পরে এটি সম্ভব নয়। আপনার ব্রোকারের সঙ্গে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি স্বাক্ষর করার সময়, সীমিত উদ্দেশ্য সমন্বিত পাওয়ার অফ অ্যাটর্নির উপরে জোর দিন।

সে ক্ষেত্রে কারণ দালালদের তাদের বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে তহবিল বা সিকিউরিটি বিক্রি বা স্থানান্তর করার জন্য সম্মতি নিতে হয়। এটি জালিয়াতি থেকে বাঁচার জন্য সেরা একটি নিরাপত্তা বিধি। বকেয়া পাওনার ক্ষেত্রে নোটিস ছাড়াই যে কোনও সময়ে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রত্যাহার করা যেতে পারে। প্রায়ই, লোকজন বিদেশে উড়ে যান এবং সাধারণ ব্যস্ততার কারণে ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের দিকে সে ভাবে নজর দিতে পারেন না। এই পরিস্থিতিতে, আপনি অ্যাক্সেস করতে না পারা পর্যন্ত ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার জন্য আপনি ডিপির কাছে একটি স্বাক্ষরিত আবেদন দিতে পারেন।

অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হলে কী হয়

যখন ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়, তখন এতে লভ্যাংশ, বোনাস এবং ডিভিডেন্টের মতো কর্পোরেট অ্যাকশনগুলি পাওয়া যায় এবং শুধুমাত্র সেই ডিম্যাট অ্যাকাউন্টে ডেবিটের বিষয়ে বাধা দেওয়া হয়। ফ্রিজ হল এমন একটি সুবিধা যা আপনার অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখে। আপনার ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট দীর্ঘ সময়ের জন্য নিষ্ক্রিয় থাকার সম্ভাবনা থাকলে অবশ্যই এটি ব্যবহার করতে হবে।

নিজের ডেবিট তথ্য সম্পর্কে সচেতন হতে, আপনার কষ্টার্জিত বিনিয়োগকৃত অর্থের সঠিক পরিসংখ্যান পেতে আপনার যোগাযোগের বিষয়টি সর্বদা আপডেট রাখা অত্যন্ত জরুরি।

ফিনান্স

বাজেটে আয়কর স্ল্যাবে পরিবর্তন, জানুন নতুন ও পুরনো কর ব্যবস্থার খুঁটিনাটি

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী?

Published

on

আয়করে ছাড় মিলবে। ছাড় দেবে সরকার। কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে এমন সব খবরেই আশার বহর বাড়ছিল সাধারণ মানুষের। গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আয়করের স্ল্য়াব পরিবর্তনের বড়ো ঘোষণা করেছেন তিনি। করদাতাদের দাবি পূরণ করে, আয়কর স্ল্যাবের আওতা থেকে ৭ লক্ষের কম আয়ের মানুষকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

অর্থমন্ত্রী সংসদে ঘোষণা করেছেন, কোনো ব্যক্তি যদি নতুন কর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, তাহলে এমন পরিস্থিতিতে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর এক টাকাও কর দিতে হবে না। অর্থমন্ত্রী ২০২০ সালের বাজেটে নতুন কর ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।

নতুন কর ব্যবস্থা

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী? অর্থমন্ত্রীর ব্কতৃতাতেই স্পষ্ট, নতুন কর ব্যবস্থায়, আপনাকে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো রকমের আয়কর দিতে হবে না। এই ক্ষেত্রে, সরকার ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স রিবেট পাওয়া যায়। নতুন আয়কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ স্ল্যাবে ২০ শতাংশ এবং ১৫ লক্ষ টাকার উপরে সর্বোচ্চ হারে ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

পুরনো কর ব্যবস্থা

পুরনো কর ব্যবস্থা অনুসারে, ৫ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হয় না কারণ ১২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যায়। পুরনো কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন ৩ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। অন্যদিকে, ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ২০ শতাংশ। ১৫ লক্ষ টাকার উপরে আয়ের উপর ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

কত বার বদলানো যাবে?

এমন পরিস্থিতিতে, নতুন এবং পুরানো কর ব্যবস্থায় আসার পরে, ব্যবহারকারীরা এই দু’টির মধ্যে যে কোনো একটি বেছে নিতে পারবেন। নির্দিষ্ট কিছু করদাতা প্রতি বছর নতুন এবং পুরনো কর ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে পারেন। যেমন একজন বেতনভোগী ব্যক্তি, ভাড়া থেকে উপার্জনকারী ব্যক্তি প্রতিবার ট্যাক্স স্ল্যাব পরিবর্তন করতে পারেন। অন্যদিকে, ব্যবসা থেকে আয়ের অর্থ হলে, অর্থাৎ ব্যবসায়ী ব্যক্তিরা একবার ট্যাক্স ব্যবস্থা পরিবর্তন করলে, তিনি আবার পুরানো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: সস্তায় ‘ভারত আটা’ বিক্রি করবে সরকার, জানুন দাম কত

Continue Reading

খবর

পোস্ট অফিসের জনপ্রিয় সব সঞ্চয় প্রকল্প, জানুন সর্বশেষ সুদের হার

বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

Published

on

বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় বা পোস্ট অফিস স্কিমের সুবিধা দিয়ে থাকে সরকার। এগুলো অনেকেরই ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা পূরণ করে থাকে। এই সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হার তিন মাসে একবার (প্রতি ত্রৈমাসিক) সংশোধন করা হয়। এক দিকে সরকারি সমর্থন, অন্য দিকে নিশ্চিত রিটার্ন পাওয়ার কারণে একটা বড়ো অংশের বিনিয়োগকারীদের কাছে জনপ্রিয় স্কিমগুলির মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি। অন্য দিকে বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

অর্থমন্ত্রকের সর্বশেষ সার্কুলারে ঘোষণা করা হয়, চলতি ত্রৈমাসিকে পিপিএফ-এ ৭.১০ শতাংশ, এনএসসি-তে ৭.০০ শতাংশ, মান্থলি ইনকাম স্কিমে (MIS)৭.১০ শতাংশ হারে সুদ পাবেন গ্রাহকরা।

এক নজরে দেখে নিন বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে কার্যকর সুদের হার (Interest Rates)-

স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প১ জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত সুদের হারকী ভাবে জমা হবে
সেভিংস ডিপোজিট৪%বার্ষিক
১ বছর মেয়াদি আমানত৬.৬০%ত্রৈমাসিক
২ বছর মেয়াদি আমানত৬.৮০%ত্রৈমাসিক
৩ বছর মেয়াদি আমানত৬.৯০%ত্রৈমাসিক
৫ বছর মেয়াদি আমানত৭.০০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের রেকারিং৫.৮০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম৮.০০%ত্রৈমাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের মাসিক আয় প্রকল্প৭.১০%মাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের জাতীয় সঞ্চয় শংসাপত্র৭.০০%বার্ষিক
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম৭.১০%বার্ষিক
কিষান বিকাশ পত্র৭.২০% (১২৪ মাসে ম্যাচুরিটি)বার্ষিক
সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্ট স্কিম৭.৬০%বার্ষিক
সূত্র: অর্থমন্ত্রকের সার্কুলার
Continue Reading

ফিনান্স

সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

Published

on

নিজের একটা বাড়ি বা ফ্ল্যাট। এমন স্বপ্ন অনেকেরই। কিন্তু এর জন্য দরকার বড়ো অঙ্কের টাকার। বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট কেনার জন্য যে কারণে বেশির ভাগ ক্রেতাই শরণাপন্ন হন ব্যাঙ্ক অথবা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। যেখানে সহজ মাসিক কিস্তিতে গৃহঋণ (Home loan) নিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব।

একটি নির্দিষ্ট সুদের হারে ঋণ দেয় ব্যাঙ্ক। যার জন্য গ্রাহককে প্রতি মাসে ইএমআই (EMI) দিতে হয়। বেঁধে দেওয়া হয় ঋণ পরিশোধের সময়সীমা। সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

অন্যদিকে, যত দিন না ঋণ পরিশোধ হচ্ছে, ততদিন গ্রাহকের বাড়ির কাগজপত্র ব্যাঙ্কের কাছে জমা থাকে। অর্থাৎ, ঋণের পরিমাণ সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির মালিকানা ব্যাঙ্কের হাতেই। এই কারণে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি পরিশোধ করা উচিত। দ্রুত এই ঋণ মিটিয়ে দিয়ে ঝক্কি কমানোর কিছু বিকল্প পথও রয়েছে।

গৃহঋণ তাড়াতাড়ি পরিশোধ করতে, প্রতি বছর লোনের ব্যালেন্সের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ জমা করতে পারেন। এতে করে মূল পরিমাণ কমে যায় এবং ২০ বছরের ঋণ ১২ বছরে সম্পূর্ণ করা যায়।

আরও একটি বিকল্পের মধ্যে রয়েছে বছরে বাড়তি ইএমআই জমা করার পদ্ধতি। আপনি যদি গৃহঋণ তাড়াতাড়ি মিটিয়ে দিতে চান তবে ১২-র পরিবর্তে বছরে ১৩টি ইএমআই দিন৷ প্রতি বছর যদি অতিরিক্ত একটি ইএমআই জমা করে, তা হলে ২০ বছরের ঋণ শেষ শেষ হয়ে যাবে ১৭ বছরে।

তবে সব কিছুই নির্ভর করছে গ্রাহকের মাসিক আয়ের উপর। কারণ, এমনিতেই গৃহঋণের ইএমআই বেশ বড়ো হয়। যদি বাড়তি অর্থের সংস্থান হয়ে যায়, তা হলে ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে আপনি পূর্বনির্ধারিত ইএমআই-এর পরিমাণও বাড়িয়ে নিতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে, মাসিক কিস্তি ৫ শতাংশ বাড়িয়ে নিলে ২০ বছরের ঋণ ১৩ বছরেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: কলকাতায় প্রথম শাখা খুলল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক

Continue Reading

Trending