Connect with us

খবর

২০২১-এ ১৫ কোটি মানুষ চরম দারিদ্র্যে পড়বে, সতর্কবাণী বিশ্ব ব্যাঙ্কের

নতুন করে যাঁরা চরম দরিদ্রের তালিকায় ঢুকবেন তাঁদের ৮২ শতাংশই আসবেন মধ্য-আয়ের দেশ থেকে।

Published

on

বাংলাbiz ডেস্ক: ২০২১ নাগাদ বিশ্বের অন্তত ১৫ কোটি মানুষ চরম দারিদ্র্যে পড়বে। এর মূলে রয়েছে করোনাভাইরাস অতিমারি। এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক।

এই সংকটময় পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে দেশগুলিকে উন্নয়নের পথে যেতে হলে এবং দারিদ্র্য কমাতে হলে কোভিড-পরবর্তী সময়ের জন্য ‘বিকল্প অর্থনীতি’ প্রস্তুত করতে হবে বলে বিশ্ব ব্যাঙ্ক মনে করে।

এই বিকল্প অর্থনীতি হল নতুন ধরনের ব্যাবসায় এবং নতুন নতুন ক্ষেত্রে মূলধন, শ্রম, দক্ষতা এবং উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানো। এ কথা বলেছেন, বিশ্ব ব্যাঙ্কের গ্রুপ প্রেসিডেন্ট ডেভিড মালপাস।

বিশ্ব ব্যাঙ্কের হিসাব, এ বছর কোভিড ১৯ (Covid 19) অতিমারির জন্য অতিরিক্ত ৮.৮ কোটি থেকে সাড়ে ১১ কোটি মানুষ চরম দারিদ্র্যের মুখে পড়বে। ফলে ২০২১ সাল নাগাদ বিশ্বে চরম দরিদ্র মানুষের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে অন্তত ১৫ কোটি।

ডেভিড মালপাস বলেন, অতিমারি এবং বিশ্বব্যাপী মন্দার দরুন পৃথিবীর জনসংখ্যার ১.৪ শতাংশের বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের শিকার হবেন। যদি কোভিড অতিমারি বিশ্বে না ছেয়ে যেত, তা হলে ২০২০ সালে বিশ্বে দারিদ্র্যের হার ৭.৯ শতাংশে নেমে যেত বলে আশা ছিল।   

বিশ্ব ব্যাঙ্কের রিপোর্ট

বিশ্ব ব্যাঙ্কের দ্বিবার্ষিক ‘পভার্টি অ্যান্ড শেয়ার্ড প্রসপারিটি রিপোর্ট’-এ বলা হয়েছে, এর ফলে পশ্চাদগমনের হার গিয়ে দাঁড়াবে ৯.২ শতাংশ।

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, যে সব দেশে ইতিমধ্যেই দারিদ্র্যের হার খুব বেশি, সেই সব দেশে নতুন করে দরিদ্রের সংখ্যা তো বাড়বেই, আর মধ্য-আয়ের কিছু দেশেও বহু মানুষ চরম দারিদ্র্যের সীমায় চলে যাবে। নতুন করে যাঁরা চরম দরিদ্রের তালিকায় ঢুকবেন তাঁদের ৮২ শতাংশই আসবেন মধ্য-আয়ের দেশ থেকে।

বিশ্ব ব্যাঙ্ক মনে করে, ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের অবসান ঘটানোর যে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল, সেই লক্ষ্য হাতের বাইরে থেকে যাবে কোভিড অতিমারি পরিস্থিতি, বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরোধ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে। একে ঠেকাতে হলে অতি দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকর কর্মনীতি নেওয়া দরকার।

বিশ্ব ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্যের হার ৭ শতাংশে গিয়ে ঠেকতে পারে।

ভারতের কোনো তথ্য নেই

বিশ্ব ব্যাঙ্ক তার রিপোর্টে জানিয়েছে, ভারত থেকে সাম্প্রতিক তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্যের প্রকৃত ছবিটা তুলে ধরা খুবই অসুবিধাজনক হয়ে পড়েছে।

ব্যাঙ্ক বলেছে, দরিদ্র মানুষের একটা বিশাল সংখ্যক মানুষের বাস ভারতে। সেই দেশ থেকে কোনো তথ্য না আসায় বিশ্ব দারিদ্র্যের চলতি হিসাব নিয়ে যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে।

ধারাভির সাফল্য

মুম্বইয়ের সব চেয়ে বড়ো বসতি ধারাভি। সেখানে পুর আধিকারিকরা যে ভাবে করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ সক্ষম হয়েছেন। এই বিষয়টি উল্লেখ করে বিশ্ব ব্যাঙ্ক বলেছে, পুর আধিকারিকরা এই কাজে পাশে পেয়েছেন সম্প্রদায়ের সদস্যদের এবং ও বেসরকারি মেডিক্যাল ক্লিনিকের কর্মীদের। তাঁদের দক্ষতা ও প্রবল ইচ্ছাকে কাজে লাগিয়ে ধারাভিবাসীর ব্যাপক ভাবে পরীক্ষা করা হয়। তাঁদের জ্বর ও অক্সিজেনের মাত্রা নিয়মিত মাপা হয়। এ ভাবেই ধারাভিতে সাফল্য আসে।

ধারাভিতে করোনা সংক্রমণের চূড়ান্ত রূপ দেখা গিয়েছিল মে মাসে। তিন মাস পর জুলাইয়ে তা ২০ শতাংশ কমে যায়।            

করোনা সংক্রমণ রোখার যে সব প্রথাগত পদ্ধতি আছে, তার সঙ্গে সাধারণ মানুষের সক্রিয়তা এবং অধ্যাবসায় মিলিয়ে ধারাভিতে এই সাফল্য এসেছে বলে বিশ্ব ব্যাঙ্ক জানিয়েছে।

বিশ্বের কোভিড-চিত্র

জন হপকিন্স করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টারের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৫ কোটিরও বেশি মানুষ এবং মারা গিয়েছেন ১০ লক্ষেরও বেশি।

সব চেয়ে বেশি আক্রান্তদের দেশ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৫ লক্ষেরও বেশি এবং মারা গিয়েছেন ২ লক্ষ ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

বাংলাbiz-এ আরও পড়তে পারেন

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আর্থিক নীতি কমিটিতে এলেন তিন বহিরাগত সদস্য

খবর

বাজেট ২০২৩: রেলপথ, রাস্তার জন্য বাড়তি বরাদ্দের প্রত্যাশা

২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এ বারের বাজেটে একাধিক চমক থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Published

on

নয়াদিল্লি: আগামী ১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৩-২৪ পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতরমন। এটা তাঁর পঞ্চম বাজেট। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এ বারের বাজেটে একাধিক চমক থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এ বারের বাজেট বাড়তি গুরুত্ব পেতে চলেছে রেলপথ ও সড়ক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। বিশ্বব্যাপী মন্দার প্রভাব স্পষ্ট হলেও ভারত যে সেই আঁচ এড়াতে সক্ষম, সেই বার্তা পৌঁছে দিতে চাইবেন অর্থমন্ত্রী। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কমাতে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ।

এমন পরিস্থিতিতে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগে নজর দিচ্ছে বেসরকারি সংস্থাগুলি। ইস্পাত এবং সিমেন্টের মতো মূল উপকরণগুলির চাহিদা তৈরি করতে কেন্দ্রীয় সরকারও পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যায় বরাদ্দ বাড়াতে চাইছে।

২০২০ সালে কোভিড অতিমারির পর থেকে বিভিন্ন মন্ত্রক এবং বিভাগগুলিতে ব্যয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টস (CAG)-এর প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সড়ক পরিবহণ এবং রেলপথের মতো ক্ষেত্রগুলিতে বার্ষিক বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ খরচ করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে সড়ক ও জাতীয় সড়ক মন্ত্রক। যা ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে এই খাতে বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ।

একই ভাবে, বেশ কয়েক বছর ধরে পিছিয়ে থাকা রেলের ব্যয়ও বেড়েছে। সম্পদ তৈরির জন্য ১.১ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে ভারতীয় রেল, যা বাজেট বরাদ্দের প্রায় ৮৪ শতাংশ।

সবমিলিয়ে, সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এ বারের বাজেটে বাড়তি উৎসাহ পেতে চলেছে এই দুই মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই আগত বছরের পরিকল্পনাগুলিও তৈরি করে ফেলেছে তারা। সেই মতোই নির্ধারিত হতে চলেছে সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ।

আরও পড়ুন: চাহিদা বাড়ায় দু’বছরে এই প্রথম লাভের মুখ দেখল টাটা মোটরস, আয় বাড়ল ২৩ শতাংশ

Continue Reading

খবর

চাহিদা বাড়ায় দু’বছরে এই প্রথম লাভের মুখ দেখল টাটা মোটরস, আয় বাড়ল ২৩ শতাংশ

২০২২-২৩ আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আয়-ব্যায়ের খতিয়ান পেশ করে এমনটাই জানিয়েছে দেশের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা।

Published

on

করোনা মহামারিতে মার খেয়েছিল গাড়ি বাজার। ধীরে ধীরে বেড়েছে চাহিদা। যাত্রীবাহী গাড়ির পাশাপাশি মাঝারি এবং ভারী বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে নির্মাতা টাটা মোটরস (Tata Motors) শেষ ত্রৈমাসিকে উল্লেখযোগ্য লাভের মুখ দেখেছে। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আয়-ব্যায়ের খতিয়ান পেশ করে এমনটাই জানিয়েছে দেশের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা।

ডিসেম্বরে শেষ হওয়া তৃতীয় ত্রৈমাসিকে টাটা মোটরসের একত্রিত নিট মুনাফার পরিমাণ ২ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকার বেশি। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের একই সময়ে নিট লোকসানের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫১৬ কোটি। এবং তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, চলতি আর্থিক বছরের সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে ৯৪৪ কোটি টাকার নিট লোকসানের কথা জানিয়েছিল সংস্থা।

এই সময়কালে সংস্থার অন্যতম গাড়ি জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার থেকে একত্রিত রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৪৮৮ কোটি। যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ২২.৫ শতাংশ।

সংস্থার দাবি, উল্লেখযোগ্য হারে লাভ বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে উত্তরোত্তর বেড়ে চলা গাড়ির চাহিদা। স্টক এক্সচেঞ্জে পেশ করা রিপোর্টে সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়ে তারা যথেষ্ট আশাবাদী। লাভজনক বৃদ্ধি, সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহের উন্নতি এবং স্থিতিশীল পণ্যের দামের উপর লক্ষ্য রাখছে সংস্থা।

আরও পড়ুন: সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

Continue Reading

খবর

কলকাতায় প্রথম শাখা খুলল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক

এই শাখা উদ্বোধনের সঙ্গেই ফিনকেয়ার পূর্ব ভারতে যাত্রা শুরু করল।

Published

on

কলকাতা: শহরে নিজের প্রথম শাখা উদ্বোধন করল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক (Fincare Small Finance bank)। এই শাখা উদ্বোধনের সঙ্গেই ফিনকেয়ার পূর্ব ভারতে যাত্রা শুরু করল। আধুনিক প্রযুক্তি, সর্বোত্তম-শ্রেণির পণ্য ও পরিষেবা এবং দক্ষ কর্মীদের সাহায্যে গ্রাহকের ব্যাঙ্কিং চাহিদা মেটাতে ব্যাঙ্ক প্রস্তুত।

নতুন শাখা খোলার বিষয়ে ব্যাঙ্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার রাজীব যাদব বলেন, “ফিনকেয়ার কলকাতার বাসিন্দাদের সেবা করতে পেরে রোমাঞ্চিত। ব্যাঙ্কের লক্ষ্য হল ব্যাঙ্কিং চাহিদার কথা মাথায় রেখে সুবিধা-ভিত্তিক সমাধানগুলি অফার করা৷ আমরা শহর এবং প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে গ্রাহকদের সম্পূর্ণ ব্যাঙ্কিং পরিষেবা সরবরাহ করার লক্ষ্য রাখি। কলকাতার এই শাখাটি উচ্চ সুদে সেভিংস অ্যাকাউন্ট, সুইপ ইন- সুইট আউট কারেন্ট অ্যাকাউন্ট এবং কিউআর কোড সুবিধা, সোনার বিপরীতে ঋণ-সহ আরও অনেক পরিষেবা দেবে”।

যাদব আরও জানান, “গ্রাহকরা নিয়মিত ব্যাঙ্কিং চ্যানেলের পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ এবং ভিডিও ব্যাঙ্কিংয়ের অভিজ্ঞতা নিতে পারেন৷ এ ছাড়া ইউনিফাইড পেমেন্ট ইন্টারফেস (UPI)-এর মাধ্যমেও লেনদেনের সুবিধা পাওয়া যাবে। ব্যাঙ্ক একটি “স্মার্ট ব্যাঙ্কিং” পদ্ধতি গ্রহণ করেছে যা এটিকে ভারত জুড়ে আধুনিক এবং সুবিধাজনক ব্যাঙ্কিং পরিষেবাগুলির একটি পছন্দের প্রদানকারী করে তুলেছে”।

২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের ১৯টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৩২ লক্ষেরও বেশি গ্রাহককে পরিষেবা দিয়েছে ব্যাঙ্ক। ১২ হাজারের বেশি কর্মী রয়েছেন ফিনকেয়ারে।

আরও পড়ুন: অর্থবর্ষ প্রায় শেষ, আয়কর বাঁচানোর ব্রহ্মাস্ত্র সম্পর্কে ওয়াকিবহাল তো?

Continue Reading

Trending