Connect with us

Uncategorized

করোনাভাইরাস প্রভাব : আয়কর জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ল

Published

on

নয়াদিল্লি : করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে আয়কর দেওয়ার সময়সীমা বাড়ালো কেন্দ্র। ৩১মার্চের বদলে ৩০ জুন পর্যন্ত আয়কর দেওয়া যাবে বলে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছেন।

অর্থমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, দেরিতে আরকর দিলে তার সুদের হারও কমানো হয়েছে। ১২ শতাংশের বদলে ৯ শতাংশ সুদ দিতে হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে একাধিক সংস্থা কেন্দ্রের কাছে আবেদন করে আয়কর প্রদানের সময়সামী বাড়তে। তারপর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

Advertisement

অর্থমন্ত্রী প্যান এবং আধার কার্ড সংযুক্তির সময়সীমাও বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেন। ৩১ মার্চের বদলে ৩০ জুন পর্যন্ত প্যান ও আধার কার্ড সংযোগ করা যাবে।

সরকার জিএসটি জমার সময়সীমাও বাড়িয়েছে। এপ্রিল এবং মে মাসের জিএসটি রির্টান ৩০জুন, ২০২০ পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে। যে সমস্ত সংস্থার র্টানওভার ৫কোটি টাকার নীচে তাদের দেরিতে জিএসটি জমা দেওয়ার জন্য সুদ, লেট ফি বা পেনাল্টি দিতে হবে না।

আরও পড়ুন : এটিএমে টাকা তোলা থেকে সেভিংসে ন্যূনতম ব্যালেন্স, একাধিক নিয়ম শিথিল করল কেন্দ্র

Advertisement

Uncategorized

ধাক্কা খেল ভারতীয় অর্থনীতি, বৃদ্ধির হার আরও কমাল এডিবি

আশঙ্কা ছিলই। সেই আশঙ্কাই সত্যি করে এ বার ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার আরও কমিয়ে দিল এডিবি। কারণ হিসাবে দেখানো হল মূল্যবৃদ্ধির চাপ, তাকে বাগে আনতে সুদের হার বৃদ্ধি এবং শ্লথ বিশ্ব অর্থনীতির প্রভাব।

Published

on

বিবি ডেস্ক: আশঙ্কা ছিলই। সেই আশঙ্কাই সত্যি করে এ বার ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার আরও কমিয়ে দিল এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (এডিবি) (Asian Development Bank) (ADB)। কারণ হিসাবে দেখানো হল মূল্যবৃদ্ধির চাপ, তাকে বাগে আনতে সুদের হার বৃদ্ধি এবং শ্লথ বিশ্ব অর্থনীতির প্রভাব।

বৃদ্ধির আশা কতটা

সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চলতি অর্থবর্ষে দেশের সাড়ে সাত শতাংশ বৃদ্ধির আশার কথা শুনিয়েছেন। মঙ্গলবার কেন্দ্রের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরনও জানান, বৃদ্ধির হার সাত শতাংশের উপরে থাকা নিশ্চিত। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, এডিবির বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টার আশা না মেলারই ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট হল।

গত সপ্তাহে মূল্যায়ন সংস্থা ফিচ রেটিংস পূর্বাভাস সাত শতাংশে নামিয়েছিল। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ৭.২ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে। বস্তুত, মূল্যায়ন ও ব্রোকারেজ সংস্থাগুলি ইঙ্গিত দিয়েছে, মূল্যবৃদ্ধি ও যুদ্ধের মতো প্রতিকূল শর্তগুলির উন্নতি না হলে বৃদ্ধির হার সাত শতাংশের নীচে নামারও ঝুঁকি রয়েছে। উল্লেখ্য, গত এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির হার ছিল সাড়ে ১৩ শতাংশ। তবে তা অনেকেরই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।

Advertisement

কী বলছে এডিবি

বুধবার এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক রিপোর্টের দ্বিতীয় সংশোধনীতে জানানো হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির হার দাঁড়াতে পারে সাত শতাংশ। এপ্রিলে প্রথম বার রিপোর্ট পেশের সময় তারা সাড়ে সাত শতাংশ বৃদ্ধির কথা বলেছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে সারা বিশ্বে সরবরাহ ব্যবস্থা যখন বিপর্যস্ত, সেই সময় জুলাইয়ের প্রথম সংশোধনীতে সেই পূর্বাভাস ছেঁটে ৭.২ শতাংশে নামানো হয়।

এ বার ফের তা ২০ বেসিস পয়েন্ট কমানো হল। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের পূর্বাভাসও দু’বার কমিয়েছে এডিবি। প্রথমে আট শতাংশ থেকে ৭.৮ শতাংশ। আর এ দিন আরও কমিয়ে ৭.২ শতাংশ। তবে একই দিনে এসঅ্যান্ডপি (S&P) জানিয়েছে, আমেরিকা ও ইউরোপে মন্দার আশঙ্কা থাকলেও ভারতে তেমন সম্ভাবনা নেই। সারা বিশ্বের অস্থিরতার প্রভাব এ দেশে অনেক কম পড়বে।

আরও পড়ুন: ঋণ শোধ করতে আংশিক বিক্রিতে অনুমতি, সংস্থা বাঁচাতে পদক্ষেপ করল পর্ষদ

Advertisement
Continue Reading

Uncategorized

এলআইসি নিয়ে এল নতুন ‘জীবন অক্ষয়-৭’ বার্ষিকী প্ল্যান

এটি একটি একক প্রিমিয়ামের বার্ষিকী প্ল্যান। সর্বনিম্ন ক্রয়ের মূল্য এক লক্ষ টাকা।

Published

on

বাংলাbiz ডেস্ক: লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (LIC) নিয়ে এসেছে নতুন জীবন অক্ষয়-৭ (Jeevan Akshay- VII) বার্ষিকী প্ল্যান।

এলআইসি জীবন অক্ষয়-৭ একটি একক প্রিমিয়ামের বার্ষিকী প্ল্যান (annuity plan)।

এলআইসি সোমবার একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, “এই পলিসি বা বিমা কেনার জন্য গ্রাহক একক প্রিমিয়াম দিতে পারেন। এর পর এলআইসি নিয়মিত অর্থ দেবে। এর জন্য ১০টি বিকল্প রয়েছে। বিমাধারক এই নিয়মিত অর্থ মাসিক, ত্রৈমাসিক, অর্ধ-বার্ষিক বা বার্ষিক ভাবে পেতে পারেন। এই নিয়মিত অর্থকে বলা হয় বার্ষিকী (annuity)”।

Advertisement

হাতে হাতে পলিসিটি কেনার পাশাপাশি অনলাইনেও পাওয়া যাবে। সর্বনিম্ন ক্রয়ের মূল্য এক লক্ষ টাকা।

জীবন অক্ষয়-৭ পলিসিটি ইস্যুয়েন্সের তিন মাস পর অথবা ফ্রি-লুকের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে ঋণগ্রহণের সুবিধা রয়েছে।

অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন: এলআইসি জীবন অক্ষয়-৭

Advertisement

ল্যাপস হওয়া পলিসি ফের চালু করার সুযোগ

প্রিমিয়াম জমা না দিতে পারার জন্য কোনো এলআইসি পলিসি কি ল্যাপস হয়ে গিয়েছে? তা হলে সেই পলিসি ফের চালু করার সুযোগ নিতে পারেন। তবে রয়েছে বেশ কয়েকটি শর্ত।  

১০ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত চালু থাকবে। বিস্তারিত দেখে নিন এখানে ক্লিক করে: ল্যাপস হওয়া পলিসি 

Advertisement

আরও পড়ুন

ফিক্সড ডিপোজিটে ৭ শতাংশ সুদ দিচ্ছে ইয়েস ব্যাঙ্ক

Advertisement
Continue Reading

Uncategorized

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই ভারতে স্মার্টফোন শিল্পে ৫০ হাজার জনের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

Published

on

বাংলাbiz ডেস্ক: করোনার আবহে গোটা বিশ্বে চাকরির জন্য যখন হাহাকার, কোটি কোটি মানুষ যখন কাজ হারাচ্ছেন, তখন স্মার্টফোনের শিল্পে একটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। ডিসেম্বর শেষ হওয়ার আগেই ভারতে এই শিল্পে অন্তত ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। গোটা ব্যাপারটিতে কেন্দ্রের সহায়তা রয়েছে।

ফক্সকন, উইস্টন, স্যামসাং, ডিক্সন আর লাভার মতো দেশি, বিদেশি স্মার্টফোন সংস্থাগুলি বছর শেষের আগেই হয় স্মার্টফোনের উৎপাদনক্ষমতা ব্যাপক ভাবে বাড়াতে চাইছে আর না হয় কেন্দ্রের ‘প্রোডাকশন লিঙ্ক্‌ড ইনসেনটিভ’ (পিএলআই) প্রকল্পের সহায়তায় উৎপাদনকেন্দ্র স্থাপন করতে চলেছে। সেই কারণেই কিছু দিনের মধ্যেই ব্যাপক হারে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবে তারা।

বৈদ্যুতিন সামগ্রী ব্যাপক হারে উৎপাদনের জন্য গত ১ এপ্রিল পিএলআই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকারের বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে জোয়ার আনতে এবং মোবাইল ফোন উৎপাদনের জন্য প্রচুর পরিমাণে বিনিয়োগ টানতে সরকার ওই প্রকল্প অনুযায়ী ‘প্রোডাকশন লিঙ্ক্‌ড ইনসেনটিভ’-এর ব্যবস্থা করেছে।

Advertisement

ইন্ডিয়ান সেলুলার অ্যান্ড ইলেকট্রনিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট পঙ্কজ মহেন্দ্রু বলেন, ২০১৪ থেকে ২০১৯-এর মধ্যে দেশে মোবাইল ফোন শিল্পে উৎপাদন ১,১০০ শতাংশ বেড়েছে। এই ব্যাপক ভাবে উৎপাদনের জন্য শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও মোবাইল রফতানি করেছে ভারত।

মহেন্দ্রুর মতে, এই শিল্প অতি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু করোনা অতিমারির কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়ে গেছে। তা সত্ত্বেও এই বছর শেষ হওয়ার আগেই নতুন করে ৫০ হাজার কর্মী নিয়োগের আশা করছে স্মার্টফোন শিল্প। কোভিডের দাপট কমে যাওয়ার পর অর্থনীতি আরও কিছুটা চাঙ্গা হলে এই শিল্পের অগ্রগতি আরও বাড়বে।

দেশের বৈদ্যুতিন সামগ্রী উৎপাদনে গতি আনতে গত জুনে ৫০ হাজার কোটি টাকার ‘ইলেকট্রনিক ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম’-এর সূচনা করে কেন্দ্র। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ জানান, ভারতকে উৎপাদনের কেন্দ্রে পরিণত করতে এই স্কিমের সূচনা করা হয়েছে।

Advertisement
Continue Reading

Trending