Connect with us

শেয়ার বাজার

এসবিআই কার্ড আইপিও খুলছে ২মার্চ, জেনে নিন বিস্তারিত

Published

on

বিবি ডেস্ক : ২রা মার্চ আইপিও (ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং) খুলতে চলেছে দেশে বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ক্রেডিট কার্ড শাখা। জানা গিয়েছে এসবিআই কার্ডস অ্যান্ড পেমেন্ট সার্ভিসেসের ৯,৫০০ কোটি টাকার আইপিও ছাড়া হবে।

এসবিআই কার্ডের প্রতিটি শেয়ারের দাম হবে ৭৫০ থেকে ৭৫৫টাকা। জানা গিয়েছে, চারদিন ধরে আইপিও সাবস্ক্রিপশন চালু থাকবে। সাধারণ ভাবে তিনদিন সাবস্ক্রিপশন চালু থাকে।

বেশী সংখ্যক বিনিয়োগকারীকে আকৃষ্ট করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চতুর্থ দিনটিতে বিশেষ ভাবে রাখা হয়েছে খুচরো বিনিয়োগকারী, এসবিআই শেয়ার হোল্ডার্স এবং হাইনেটওয়ার্ক শেয়ার হোল্ডারদের জন্য।

কত শেয়ার ছাড়া হবে?

বিক্রির জন্য ১৩০,৫২৬,৭৯৮টি ইক্যুইটি শেয়ার ছাড়বে এসবিআই কার্ড। এর মধ্যে ৩৭,২৯৩৩৭ টি শেয়ার বিক্রি করবে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। ৯৩,২৩৩,৪২৭টি শেয়ার বিক্রি করবে কার্লাইল গ্রুপ।

এসবিআই কার্ডের ৭৬ শতাংশ অংশিদারিত্ব রয়েছে এবিআইএর হাতে এবং বাকি অংশীদারিত্ব রয়েছে কার্লাইল গ্রুপের কাছে।

১৯৯৮ সালে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং জিই ক্যাপিটাল যৌথ ভাবে এসবিআই কার্ডকে বাজারে নিয়ে আসে। ২০১৭ সালে জিআই ক্যাপিট্যালের অংশীদারিত্ব নিয়ে নেয় এসবিআই এবং কার্লাইল গ্রুপ।

দেশের ১৩০ শহরে প্রায় ৯০ লক্ষ গ্রাহককে পরিষেবা দিচ্ছে এসবিআই কার্ড।

এসবিআই কার্ডের আইপিও-র জন্য কী ভাবে আবেদন করবেন?

আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এএসবিএ (অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্টেট বাই ব্লক অ্যাকাউন্ট) সুবিধার মাধ্যমে। এটি সেবি প্রদত্ত একটি বিশেষ প্রযুক্তিগত সুবিধা। আইপিওতে আবেদনের পর যতক্ষণ না আপনার শেয়ার বরাদ্দ হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ডেবিট হবে না। আপনার ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং-এ লগ-ইন করে ইনভেস্ট সেকশনে গিয়ে এসবিআই কার্ড আইপিও-তে আবেদন করতে পারেন।

এছাড়া, বিএসসি বা এনএসসি থেকে এসবিআই কার্ড আইপিও ফর্ম ডাউনলোড করে, তা পূরণ করে আপনার ব্যাঙ্ক অথবা ব্রোকারকে দিতে পারেন।

এসবিআই কার্ডের প্রথমসারির ব্যবস্থাপক

কোটাক মাহিন্দ্রা ক্যাপিটাল, অ্যাক্সিস ক্যাপিটাল, ডিএসপি মেরিল লিঞ্চ, নমুরা ফিনান্সিয়াল অ্যাডভাইজারি, এইচএসবিসি সিকিউরিটিজ এবং এসবিআই ক্যাপিটাল মার্কেটস এসবিআই কার্ডের আইপিও-র প্রথমসারির ব্যবস্থাপক হিসাবে কাজ করছে।

আরও পড়ুন : অনলাইনে কী ভাবে এসবিআই এফডি খোলা যায়, দেখে নিন ১০টি ধাপে

খবর

পর পর দু’দিন পতন সেনসেক্সে, সপ্তাহের শেষ কেনাবেচার দিনে ১৮ হাজারে নিফটি

বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির আক্রমণাত্মক অবস্থানের আশঙ্কা…

Published

on

বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবারেও পতন দেখল সেনসেক্স। সপ্তাহের শেষ কেনাবেচার দিনে ২৩৭ পয়েন্ট নেমে এল ৩০ স্টকের এই সূচক। অন্য দিকে, ০.৪৪ শতাংশ পড়লেও ১৮ হাজারের উপরেই থিতু হল নিফটি ফিফটি।

বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির আক্রমণাত্মক অবস্থানের আশঙ্কা এবং মূল কর্পোরেট উপার্জনের প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বব্যাপী স্টক মার্কেটের অবস্থান নজরে রেখেই ভারতীয় বাজারও এ দিন নিঃশব্দে শুরু হয়েছিল। বার কয়েক উত্থান-পতন ঘটলেও দিনের শেষে নীচে নেমেই বন্ধ হল সূচকগুলি।

আজকের লেনদেন শেষে, বিএসই সেনসেক্স ২৩৬.৬৬ পয়েন্ট কমেছে এবং ৬০,৬২১.৭৭ পয়েন্টে বন্ধ হয়েছে। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটি ফিফটি ৮০.২০ পয়েন্টের নীচে নেমে ১৮,০২৭.৬৫-এ বন্ধ হয়েছে।

এ দিন উল্লেখযোগ্য পতনের সম্মুখীন টিভিএস মোটর এবং হ্যাভেলস (৪ শতাংশেরও বেশি)। এ ছাড়াও রয়েছে হিন্দুস্তান ইউনিলিভার (৩.৭৬ শতাংশ), এশিয়ান পেন্টস (২.৮৫ শতাংশ), বাজাজ ফিন্যান্স (২.৭৮ শতাংশ), নেসলে (২.৩৭ শতাংশ) এবং বাজাজ ফিনসার্ভ (১.৯৭ শতাংশ)-সহ আরও বেশকিছু সংস্থার স্টক। তবে লাভের মুখ দেখেছে কোল ইন্ডিয়া, এইচডিএফসি ব্যাংক, পাওয়ার গ্রিড, এইচডিএফসি এবং আইটিসি।

সেক্টরাল সূচকগুলি মিশ্র লেনদেন করেছে। ব্যাঙ্ক নিফটি ০.৭৫ শতাংশ বেড়েছে, নিফটি আইটি বেড়েছে ০.২৫ শতাংশ, নিফটি পিএসইউ ব্যাঙ্ক ০.৮০ শতাংশ এবং নিফটি অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ০.২৫ শতাংশ বেড়েছে। অন্য দিকে নিফটি অটো কমেছে ০.১৬ শতাংশ। এ ছাড়াও নিফটি এফএমসিজি ০.৮৫ শতাংশ এঊং নিফটি মেটাল ০.৫৫ শতাংশ নেমে এসেছে এ দিন।

আরও পড়ুন: নজরে লোকসভা ভোট, বাজেটে গ্রামের দিকে বেশি নজর মোদী সরকারের

Continue Reading

খবর

মাত্র ২ সপ্তাহ, ভারতীয় শেয়ার বাজার থেকে উধাও ১৫ হাজার কোটির বিদেশি বিনিয়োগ

২ জানুয়ারি থেকে ১৩ জানুয়ারির মধ্যে এফপিআই-গুলি ভারতীয় ইক্যুইটি বাজার থেকে ১৫ হাজার ৬৮ কোটি টাকা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

Published

on

stock market

নয়াদিল্লি: বিশ্বের বেশ কিছু দেশে নতুন করে কোভিডের ঝুঁকি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মন্দা-সহ আরও বেশ কিছু উদ্বেগকে সামনে রেখে ভারতের শেয়ার বাজার থেকে বড়ো অঙ্কের বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারির প্রথম দুই সপ্তাহে এ দেশের স্টক মার্কেট থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার ইক্যুইটি বিক্রি করেছেন তাঁরা।

কেন বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহার

শুধু নতুন বছরের প্রথম দুই সপ্তাহেই নয়, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারতীয় শেয়ার বাজারে সতর্ক পদক্ষেপ করছে বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরা (FPI)। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অথবা দেশীয় ভাবে মুদ্রাস্ফীতি সামান্য মাত্র নিম্নগামী হলেও এ দেশের শেয়ার বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ। তথ্য অনুযায়ী, ২ জানুয়ারি থেকে ১৩ জানুয়ারির মধ্যে এফপিআই-গুলি ভারতীয় ইক্যুইটি বাজার থেকে ১৫ হাজার ৬৮ কোটি টাকা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

জানা গিয়েছে, গত ২০২২ সাল জুড়ে ভারতীয় ইক্যুইটি বাজার থেকে ১.২১ লক্ষ কোটি টাকা তুলে নিয়েছিল এফপিআই-গুলি। এর নেপথ্যে ছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির সুদের হার বৃদ্ধি, অপরিশোধিত তেলের দামে চাপান-উতোর এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। পরিস্থিতি এমনই হয়েছিল যে, শেষ তিন বছরে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহার হয়েছিল ২০২২ সালেই।

সেই ধারা নতুন বছরেও অব্যাহত। এর জন্য আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় স্তরে বিভিন্ন উদ্বেগজনক কারণকেই কাঠগড়ায় তুলছেন বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণের হার। একই সঙ্গে রয়েছে মার্কিন মন্দার উদ্বেগ। এ রকমই সব কারণ ভারতীয় শেয়ার বাজারে বিদেশি বিনিয়োগে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সস্তা বাজারে আগ্রহ বিদেশি বিনিয়োগের

বিশ্লেষকরা আরও জানাচ্ছেন, ভারতীয় বাজার থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ দেখাচ্ছে চিন, হংকং এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মতো সস্তা বাজারে। তবে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এই পদক্ষেপে কিছুটা ইতিবাচক ভূমিকা নিচ্ছেন খুচরো ক্রেতারা। অপেক্ষাকৃত কম দামে কেনার পর দাম উঠলেই শেয়ার বিক্রি করার প্রবণতা গভীর হচ্ছে ভারতীয় বাজারে। ফলে সূচকগুলির বড়োসড়ো সংশোধনের সম্ভাবনাও কম।

ভারতীয় শেয়ার বাজারের দুর্বলতার নেপথ্যে রয়েছে দেশীয় কিছু কারণও। সূচকগুলি দুর্বল হয়ে পড়ার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। এখন দেখা যাচ্ছে, ডিসেম্বরে কমজিউমার প্রাইস ইনডেক্স মূল্যস্ফীতি ৫.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন: দেশে বিপুল লগ্নির আশা তেল এবং গ্যাস উত্তোলনে, মন্ত্রীর কথায় আশার আলো

Continue Reading

খবর

ইনফোসিস, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের কাঁধে চড়ে ৩০৩ পয়েন্টের উত্থান সেনসেক্সের, ১৮ হাজারের কাছাকাছি নিফটি

সেনসেক্স দিনের সর্বনিম্ন স্তর থেকে ৬৩৩ পয়েন্ট পুনরুদ্ধার করেছে এবং শেষ পর্যন্ত ৩০৩ পয়েন্ট বেড়ে বন্ধ হয়েছে ৬০,২৬১-তে।

Published

on

stock market

ইনফোসিস, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, টিসিএস এবং এইচইউএল-এর মতো বাছাই করা সূচক হেভিওয়েটদের কাঁধে চড়ে ৩০৩ পয়েন্টের উত্থান সেনসেক্সের। অন্য দিকে, শুক্রবার ১৮ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গেল নিফটি। উল্লেখযোগ্য ভাবে, এ দিন কেনাবেচা বন্ধ করার সময় ইক্যুইটি বাজারগুলিতে একটি দৃঢ় পরিবর্তন ধরা পড়েছে, প্রতিটি প্রায় ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

কোথায় দাঁড়িয়ে কোন সূচক

অভ্যন্তরীণ এবং মার্কিন খুচরো মুদ্রাস্ফীতিতে ক্রমশ সরলীকরণও অনুভূতিকে সাহায্য করেছে এবং ব্যবধান কমাতে সাহায্য করেছে। বিএসই সেনসেক্স দিনের সর্বনিম্ন স্তর থেকে ৬৩৩ পয়েন্ট পুনরুদ্ধার করেছে এবং শেষ পর্যন্ত ৩০৩ পয়েন্ট বেড়ে বন্ধ হয়েছে ৬০,২৬১-তে।

পাশাপাশি, এনএসই নিফটি দিনের সর্বনিম্ন স্তর ১৭,৭৭৪ থেকে বাউন্স করার পরে ৯৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৭,৯৫৭ স্তরে বন্ধ হয়েছে। সেক্টরগুলির মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং মেটাল সূচক সর্বাধিক লাভবান হয়েছে। তবে কনজিউমার ডিউরাবেলে উল্টো ছবি। বিএসই মিডক্যাপ এবং স্মলক্যাপ সূচকগুলি যথাক্রমে ০.০৯ এবং ০.২ শতাংশ বেড়ে বন্ধ হয়েছে এ দিন।

এ দিনের বাজারে চওড়া প্রভাব ফেলা অন্যান্য স্টকগুলির মধ্যে রয়েছে টাটা স্টিল, ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক, আল্ট্রাটেক সিমেন্ট, বাজাজ ফাইন্যান্স, এনটিপিসি, এয়ারটেল, আদানি এন্টারপ্রাইজ, আইশার মোটরস এবং বিপিসিএল। এগুলো প্রায় ১-২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

উল্টো দিকে, দুটি বেঞ্চমার্ক সূচকেই শীর্ষ হারে পতন ঘটেছে টাইটান, নেসলে, আইটিসি, এলঅ্যান্ডটি, রিলায়েন্স এবং অ্যাপোলো হাসপাতালের স্টকে।

সোমবার যা নজরে থাকবে

আগামী সপ্তাহের শুরুর দিন (সোমবার) ফের নজরে থাকবে ব্যাঙ্কিং স্টকগুলি। কারণ, ত্রৈমাসিক ফলাফল প্রকাশের আগে বাড়তি আগ্রহ থাকবে বিনিয়োগকারীদের। বিশেষ করে যেখানে চরম অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে চলেছে শেয়ার মার্কেট। শনিবার ত্রৈমাসিক আয়-ব্যায়ের রিপোর্ট পেশ করবে এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, সোমবার ফেডারেল ব্যাঙ্ক।

আরও পড়ুন: চাহিদা বাড়ছে হোমিওপ্যাথির! চাই সদর্থক পদক্ষেপ, মত ওষুধ প্রস্তুতকারক থেকে চিকিৎসকদের

Continue Reading

Trending