Connect with us

খবর

দ্বিতীয় মোদী সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেটের প্রস্তুতি শুরু, পাখির চোখ সেই বৃদ্ধিই

দ্বিতীয় মোদী সরকারের সম্ভাব্য শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেটের (Union Budget) আগে অর্থ মন্ত্রকের (Finance Ministry) পাখির চোখ দেশের ধারাবাহিক বৃদ্ধি।

Published

on

বিবি ডেস্ক: অতিমারির (Pandemic) ধাক্কার পর অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর কথা স্বীকার করে নিলেও পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে ভারতের ক্ষেত্রে চলতি অর্থবর্ষে (Financial Year) বৃদ্ধির পূর্বাভাস ছাঁটাই করেছে বিভিন্ন মূল্যায়ন সংস্থা। এই অবস্থায় দ্বিতীয় মোদী সরকারের সম্ভাব্য শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেটের (Union Budget) আগে অর্থ মন্ত্রকের (Finance Ministry) পাখির চোখ দেশের ধারাবাহিক বৃদ্ধি।

কত হবে আর্থিক বৃদ্ধি

আগামী বছরের ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের বাজেট প্রস্তাব পেশ করতে পারে কেন্দ্র। যা হতে পারে দ্বিতীয় মোদী সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। আজ, সোমবার থেকে সেই বাজেট তৈরির প্রস্তুতি পর্ব শুরু করল অর্থ মন্ত্রক। বিশেষজ্ঞ মহলের বক্তব্য, প্রতিকূল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বৃদ্ধির গতি ধরে রাখাই সেই পর্বের প্রধান চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে।

বিশ্ব ব্যাঙ্ক-সহ (World Bank) বহু সংস্থা চলতি অর্থবর্ষের বৃদ্ধির পূর্বাভাস ছাঁটাই করলেও রবিবার এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সঞ্জীব সান্যালের দাবি, এই অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ ছুঁতে ভারতের সমস্যা হবে না। সহমত হয়েও জাপানের ব্রোকারেজ সংস্থা নোমুরার (Nomura) সতর্কবার্তা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে বিচার করা না হলে আগামী অর্থবর্ষে অর্থনীতির গতি মন্থর হতে পারে।

কেন্দ্রের বাজেট প্রস্তুতি

প্রত্যেক বছর এই সময়েই পরবর্তী বাজেটের প্রস্তুতি শুরু হয়। সূত্রের খবর, প্রথমে বিভিন্ন মন্ত্রক এবং দফতরের সঙ্গে চলতি অর্থবর্ষের সংশোধিত খরচ নিয়ে আলোচনা হবে। তার ভিত্তিতেই কষা হবে পরের অর্থবর্ষের হিসাব। সোমবার পরিবেশ, শ্রম, তথ্য-সম্প্রচার, পরিসংখ্যান, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রকের সঙ্গে অর্থ মন্ত্রকের বৈঠক হয়। বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠক পর্ব শেষ হতে পারে ১০ নভেম্বর। তার ভিত্তিতেই বাজেটের প্রাথমিক হিসাব তৈরি হবে।

আশার বাণী

দেশের আর্থিক বৃদ্ধি অতি সম্প্রতি ১০০ বেসিস পয়েন্ট ছেঁটে ৬.৫ শতাংশে নামিয়েছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক। তবে সঞ্জীববাবু বলেন, ‘‘আমরা নিশ্চিত ভাবেই এমন সময়ে এসে দাঁড়িয়েছি, যখন বহু দেশের বৃদ্ধির হার কমতে চলেছে। কেউ কেউ হয়তো মন্দার খাদেও পড়বে। এর মূল কারণ ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে অর্থনীতির ধাক্কা খাওয়া, জ্বালানির খরচ এবং সুদ বৃদ্ধি। এই অবস্থায় ভারতের পারফরম্যান্স সম্ভবত বড় অর্থনীতিগুলির মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে চলেছে। এই অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির হার থাকতে পারে ৭ শতাংশের আশেপাশে।’’

নেমুরার সতর্কবার্তা

নোমুরা (Nomura) অবশ্য এ বছর ৭ শাতংশ বৃদ্ধির কথা বলেও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। জানিয়েছে, তাকে গুরুত্ব দিয়ে মোকাবিলা না করলে পরের অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার ৫.২ শতাংশে নামতে পারে।

খবর

কলকাতা-সহ দেশের ৮টি বড়ো শহরে বেড়েছে আবাসনের দাম

গত ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২-এ আবাসনের দাম বেড়েছে গড়ে ৭ শতাংশ।

Published

on

নয়াদিল্লি: বেড়েছে নির্মাণ সামগ্রীর দাম। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দেশের আটটি বড়ো শহর জুড়ে আবাসনের দাম। একটি সমীক্ষায় দাবি, “গত ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২-এ আবাসনের দাম বেড়েছে গড়ে ৭ শতাংশ।”

অতিমারির পর বাড়ি-ফ্ল্যাটের দাম বেড়েছে। মাথা তুলেছে ঋণে সুদের হার। কিন্তু স্থায়ী ঠিকানার চাহিদা এবং বাড়ি থেকে কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবাসনের চাহিদাও বাড়ছে। এর ফলে আগামী দিনে সেই দাম আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে আবাসনের দামবৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করেছে PropTiger.com।

সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, আবাসনের দাম বাড়লেও তা বিক্রির উপর সে ভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি। সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় অতিমারি পর্বেই নির্মাণ সামগ্রীর দাম বাড়তে শুরু করেছিল। তা সত্ত্বেও সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর চাহিদার পালে হাওয়া লাগে। সেই চাহিদা অব্যাহত রয়েছে।

২০১৬-২১ সময়কালে আবাসনের দাম অনেকাংশে স্থিতিশীল ছিল। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলে এমন একটি কারণে নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়ে যায়। নির্মাণ সামগ্রীর দাম বাড়তেই আবাসনের দাম বাড়াতে বাধ্য হন বিল্ডাররা।

সমীক্ষা রিপোর্ট অনুসারে, গুরুগ্রামে প্রায় ১৩ শতাংশ দাম বেড়েছে। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। অন্য দিকে, বেঙ্গালুরু এবং দিল্লি-এনসিআরে ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, তারপরে পুনে ৮ শতাংশ। অমদাবাদ এবং কলকাতায় বৃদ্ধি হয়েছে ৭ শতাংশ।

গুরুগ্রামে এখন আবাসনের প্রতি স্কোয়ার ফুটের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ৭০০০-৭২০০ টাকা। দিল্লি-এনসিআরে ৪৮০০-৫০০০ টাকা প্রতি স্কোয়ার ফুট। তবে নয়ডাতে ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি স্কোয়ার ফুটের গড় দাম ৫৪০০-৫৬০০ টাকা। কলকাতা এবং মুম্বইয়ে যা যথাক্রমে ৪৬০০-৪৮০০ টাকা এবং ১০১০০-১০৩০০ টাকা।

আরও পড়ুন: ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

Continue Reading

খবর

উইপ্রোর পর ইনফোসিস, বরখাস্ত ৬০০ ফ্রেশার

অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ প্রায় ৬০০ জন ফ্রেশারকে বরখাস্ত করল আরেক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিস।

Published

on

কয়েক দিন আগেই অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়া ফ্রেশারদের ছাঁটাই করেছিল ভারতের অন্যত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা উইপ্রো (Wipro)। মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশ, কতকটা একই কারণে প্রায় ৬০০ জন ফ্রেশারকে বরখাস্ত করল আরেক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিস (Infosys)।

বরখাস্ত হওয়া ফ্রেশারের মন্তব্য উদ্ধৃত করে বিজনেস টুডে-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের আগস্টে ইনফোসিসে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। তাঁকে এসএপি এপিএপি (SAP ABAP) স্ট্রিমের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। তবে ১৫০ জনের টিমে মাত্র ৬০ জন ফ্রেশার অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় পাশ করেছেন। অনুত্তীর্ণদের সবাইকে ছাঁটাই করা হয়েছে। যাঁরা জুলাইয়ে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে মোট ১৫০ জনের মধ্যে ৮৫ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অন্য দিকে, সংস্থার এক প্রতিনিধির পাল্টা যুক্তি, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে বরাবরই চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়।

বলে রাখা ভালো, ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে ইনফোসিসের কর্মী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮৪৫ জন। যা আগের ত্রৈমাসিকে ছিল ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ২১৮ জন। আগের ত্রৈমাসিকে ১০ হাজার কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়েছিল সংস্থা। তবে বাস্তবে তা ১ হাজার ৬২৭-এই থমকে যায়। অন্য দিকে, সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে যেখানে স্বেচ্ছাবসরের হার ছিল ২৭.১ শতাংশ, সেখানে ডিসেম্বরে কিছুটা নেমে থিতু হয় ২৫.৫ শতাংশে।

উল্লেখ্য, এর আগে, খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পরে ফ্রেশারদের বরখাস্ত করেছিল উইপ্রো।

আরও পড়ুন: ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

Continue Reading

খবর

ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। এরই মধ্যে ভারতীয় স্টার্টআপ সেক্টর থেকে কাজ হারিয়েছেন প্রায় হাজারদুয়েক কর্মী।

Published

on

চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রায় ৯২.৬ কোটি ডলারের ২২টি ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে ভারতীয় স্টার্টআপগুলি। এ বছরে তাদের সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। এরই মধ্যে ভারতীয় স্টার্টআপ সেক্টর থেকে কাজ হারিয়েছেন প্রায় হাজারদুয়েক কর্মী।

মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশ, প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলি জানুয়ারিতে ৬৭টি ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে। ১২টি স্টার্টআপ (তারা লেনদেনের তথ্য প্রকাশ করেনি) বাদে প্রত্যেকেই সেই চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রকাশ করেছে। জানা গিয়েছে, তাদের সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১৬.৫ কোটি ডলার।

স্টার্টআপ নিউজ পোর্টাল Entrackr-এর তথ্য উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলির গড় চুক্তির আকার ছিল প্রায় ৪০ লক্ষ এবং তারা এই বছর ১২০ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে। অন্য দিকে, মানিকন্ট্রোল-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১৪টি স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ২১০০-র বেশি কর্মী ছাঁটাই করেছে।

উল্লেখযোগ্য ভাবে, ভারতীয় স্টার্টআপগুলির মধ্যে, ডিজিটাল পেমেন্ট অ্যাপ কোম্পানি PhonePe জানুয়ারি মাসে মোট ৩৫ কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহ করেছে, যখন CreditKey সংগ্রহ করেছে ১২ কোটি। এই দুটি স্টার্টআপ কোম্পানিই মোট তহবিলের ৪০ শতাংশ সংগ্রহ করেছে।

সবচেয়ে বেশি ডিল পেয়েছে ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলি। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেঙ্গালুরুতে ৬০টি চুক্তি করা হয়েছে, যখন দিল্লি এনসিআরে ১৫টি চুক্তি করা হয়েছে। একই সময়ে, ভারতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম জানুয়ারিতে সমস্ত বিভাগে ১৮টি সংস্থার সংযুক্তিকরণ এবং অধিগ্রহণ করেছে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২২ সালের এই একই সময়ের তুলনায় এ বছর বেশি চুক্তি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ট্রেনে বসেই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পছন্দের খাবার, জানুন বিস্তারিত

Continue Reading

Trending