Connect with us

খবর

বছরে দু’কোটি কর্মসংস্থান স্বপ্ন, কেন্দ্রের রিপোর্টই বলছে কাজ তৈরি হচ্ছে শম্বুকগতিতে

ক্ষমতায় আসার আগে বছরে দু’কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু বিরোধীদের বরাবরের অভিযোগ, তিনি ক্ষমতায় আসার পরে কাজের বাজার তো চাঙ্গা হয়ইনি, উল্টে আরও ঝিমিয়ে পড়েছে।

Published

on

বিবি ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার আগে বছরে দু’কোটি কর্মসংস্থানের (Job Market) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু বিরোধীদের বরাবরের অভিযোগ, তিনি ক্ষমতায় আসার পরে কাজের বাজার তো চাঙ্গা হয়ইনি, উল্টে আরও ঝিমিয়ে পড়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষের জাতীয় পরিসংখ্যান দফতরের রিপোর্টেই স্পষ্ট হয়েছিল, সেই সময়ে বেকারত্বের হার (৬.১%) ছিল চার দশকের সর্বোচ্চ। এ বার কেন্দ্রেরই একটি রিপোর্ট দেখাল, বছরে দু’কোটি কর্মসংস্থান তো দূর, বছরে কর্মসংস্থান বেড়েছে মাত্র ১০ লক্ষ!

কী বলছে রিপোর্ট

অতিমারির পরে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে কেন্দ্র দাবি করলেও কাজের বাজার নিয়ে মোদী সরকারকে বরাবরই বিঁধে আসছে বিরোধী দলগুলি। সেই আক্রমণের ভিত্তি যে কতটা গভীর, তা আরও এক বার স্পষ্ট হল খোদ কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের রিপোর্টে। মঙ্গলবার শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের প্রকাশ করা রিপোর্টে জানানো হয়েছে, গত জানুয়ারি-মার্চে সারা দেশে নির্মাণ, উৎপাদন, তথ্যপ্রযুক্তি-সহ ন’টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে (কৃষি বাদে) কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন ৩.১৮ কোটি মানুষ। যে সংখ্যা গত অক্টোবর-ডিসেম্বরে ছিল ৩.১৪ কোটি।

এই রিপোর্ট প্রকাশ করে কেন্দ্র কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবি করলেও সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, ওই তিন মাসে ক্ষেত্রগুলিতে নিট কাজ বেড়েছে মাত্র চার লক্ষ। যা কাজের বাজারের চাহিদার সঙ্গে মোটেই সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

Advertisement

কোথায় কতটা চাকরি বেড়েছে

চলতি সমীক্ষাটিতে গত অর্থবর্ষের এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকের পরিসংখ্যান প্রকাশিত হলে দেখা যায় আলোচ্য ন’টি ক্ষেত্রে (উৎপাদন, নির্মাণ, বাণিজ্য, পরিবহণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, হোটেল-রেস্তরাঁ, তথ্যপ্রযুক্তি-বিপিও এবং আর্থিক ক্ষেত্র) কাজ করছেন ৩.০৮ কোটি মানুষ। অর্থাৎ, এক বছরের মধ্যে সেগুলিতে কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে মাত্র ১০ লক্ষ। ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষের আর্থিক সুমারিতে ওই সমস্ত ক্ষেত্রে ২.৩৭ কোটি কাজের কথা বলা হয়েছিল। আট বছরে ওই ক্ষেত্রগুলিতে কাজ বেড়েছে ৮১ লক্ষ। বছরের হিসাবে মোটামুটি ৩.৪%। অথচ ন্যাশনাল কেরিয়ার সার্ভিস পোর্টালে শূন্য পদের সংখ্যাও ৪.৮২ লক্ষে পৌঁছেছে। যা রেকর্ড। তা হলে নিয়োগ আটকে কেন, উঠছে প্রশ্ন।

দেশে বেকারত্বের হার কত

রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ কাজ করছেন উৎপাদনে (৩৮.৫%)। এর পর রয়েছে শিক্ষা (২১.৭%), তথ্যপ্রযুক্তি (১২%) এবং স্বাস্থ্য (১০.৬%)। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, এমনিতেই এই সমস্ত ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু নয়। তার উপরে ভারতের মতো দেশে অধিকাংশ কর্মী বাহিনী ছড়িয়ে রয়েছে অসংগঠিত ক্ষেত্রে। যা অতিমারির প্রবল ধাক্কার পর এখনও আগের জায়গায় ফিরে যেতে পারেনি। কাজ জোগাড়ের চেষ্টা করেও হতাশ হয়ে বসে পড়তে হচ্ছে অনেককে। উপদেষ্টা সংস্থা সিএমআইই-র সমীক্ষা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, অগস্টে দেশে বেকারত্বের (Unemployment) হার ছিল ৮.২৮%।

আরও পড়ুন: ঝক্কি কমল পাসপোর্টে! এ বার পোস্ট অফিসেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের আবেদন

Advertisement

খবর

অনেকটাই নামল আর্থিক বৃদ্ধির হার, কারণ কি আরবিআইয়ের সুদ-নীতি?

জুলাই-সেপ্টেম্বরে দেশে আর্থিক বৃদ্ধির হার নামল ৬.৩ শতাংশে। গত বছর ওই সময় তা ছিল ৮.৪ শতাংশ। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম তিন মাসে ছুঁয়েছিল ১৩.৫ শতাংশ।

Published

on

RBI

নয়াদিল্লি: মূল্যবৃদ্ধিকে (Inflation) নিয়ন্ত্রণে রাখতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই) (RBI) লাগাতার সুদ বাড়িয়েছে। এর ফলে যে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি (Economic Growth) কমতে পারে, সে বিষয়ে সাবধান করেছিলেন একাধিক অর্থনীতিবিদ। সেই আশঙ্কাই এ বার সত্যি হল। চড়া মূল্যবৃদ্ধি এবং বাড়তি সুদের ধাক্কায় কারখানার উৎপাদন কমল। তার ফলে জুলাই-সেপ্টেম্বরে দেশে আর্থিক বৃদ্ধির হার নামল ৬.৩ শতাংশে। গত বছর ওই সময় তা ছিল ৮.৪ শতাংশ। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম তিন মাসে ছুঁয়েছিল ১৩.৫ শতাংশ।

কেন কমল আর্থিক বৃদ্ধি

অর্থনীতিবিদদের একটা বড় অংশের দাবি, করোনায় গত বছর এপ্রিল-জুনে জিডিপি-র (GDP) বহর অনেকটাই কম ছিল। তার নিরিখে চলতি বছরের ওই তিন মাসে জিডিপি বৃদ্ধির হার বেশি চড়া দেখিয়েছে। সেই নিচু ভিতের সুবিধা জুলাই-সেপ্টেম্বরে তেমন মেলেনি। দুই ত্রৈমাসিক মিলিয়ে অর্থবর্ষের প্রথম ছ’মাসে বৃদ্ধি ৯.৭ শতাংশ। কিন্তু অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, মূল্যবৃদ্ধি ও সুদের ধাক্কায় শেষ ছ’মাসে তা আরও কমতে পারে।

আশঙ্কা যে অমূলক নয়, তা স্পষ্ট আজই কেন্দ্র প্রকাশিত পরিকাঠামো বৃদ্ধির পরিসংখ্যানে। যা বলছে গত মাসে আটটি মূল পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ০.১ শতাংশ যা ২০ মাসে সর্বনিম্ন। সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ৭.৮ শতাংশ। অশো‌ধিত তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, শোধনাগারের পণ্য, সিমেন্টের উৎপাদন কমেছে।

Advertisement

কী বলছেন অর্থনীতিবিদরা

উপদেষ্টা ইক্রার (ICRA) মুখ্য অর্থনীতিবিদ অদিতি নায়ারের বক্তব্য, ‘‘আর্থিক বৃদ্ধি মূলত কেনাকাটায় খরচের ফলে চাঙ্গা হয়েছে। কিন্তু সুদের পিছনে খরচ ছাড়া রাজস্ব খাতে ব্যয় কমেছে।’’ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitaraman) জানিয়েছেন, গত দু’বারের মতো আগামী বাজেটেও পরিকাঠামোয় খরচ বাড়াবেন। তাঁর দাবি, বেসরকারি লগ্নি আসার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের (P Chidambaram) অভিযোগ, ‘‘লগ্নির পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। নতুন বিনিয়োগের খিদে কম। আর্থিক বৃদ্ধির জন্য হয়তো এখন আরও বেশি লগ্নি করতে হচ্ছে।’’

আরবিআই (RBI) বলেছে, অক্টোবর-ডিসেম্বর ও জানুয়ারি-মার্চে বৃদ্ধি দাঁড়াবে ৪.৬ শতাংশ। তবে প্রাক্তন অর্থসচিব সুভাষচন্দ্র গর্গ বলেন, ‘‘এই সময়ে তা ৪.৫ শতাংশেরও কম হবে। তিন বছরে বার্ষিক বৃদ্ধি মাত্র ১.৮২ শতাংশ। ভারতের অর্থনীতি নতুন করে কম বৃদ্ধির ফাঁদে পড়ছে। বেশি দেরি হওয়ার আগে সমস্যা চিহ্নিত করে সংস্কার করা জরুরি।’’

কেন্দ্রের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরণের যদিও দাবি, এই অর্থবর্ষে ৬.৮-৭ শতাংশ বৃদ্ধি ছোঁবে দেশ। কিন্তু চিদম্বরমের মতে, ‘‘অক্টোবর-ডিসেম্বরে জিডিপি অনেকটাই কমবে। দেশের বাইরের ও ভিতরের পরিস্থিতি তাকে টেনে নামাচ্ছে। হতাশার বিষয় কেন্দ্র বাইরের অবস্থা নিয়ে অসহায়। ভিতরের সমস্যা অস্বীকার করছে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন: আর্থিক বৃদ্ধি কমছেই, কিন্তু তা কতটা? নজর এখন সে দিকেই

Continue Reading

খবর

সামান্য কমল গ্রামের বেকারত্ব, দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে অনেকটাই বাড়ল শহরে

গোটা দেশে তিন মাসের সর্বোচ্চ হল বেকারত্ব। প্রশ্ন উঠছে, আর্থিক কর্মকাণ্ড বাড়লেও কাজের বাজার চাঙ্গা হচ্ছে না কেন?

Published

on

নয়াদিল্লি: দেশে আবার বাড়ল বেকারত্বের (Unemployment) হার। গ্রামে তা সামান্য কমলেও শহরে বেকারত্ব (Unemployment) অনেকটাই বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক ভাবে ছবিটা থাকল খারাপই। গ্রামাঞ্চলে বেকারত্বের হার মাথা তুলতে থাকায় উদ্বেগ বাড়ছিল সমস্ত মহলে। সম্প্রতি তা সামান্য কমলেও, দুশ্চিন্তা বাড়ল শহর নিয়ে। আর তার হাত ধরেই গোটা দেশে তিন মাসের সর্বোচ্চ হল বেকারত্ব। প্রশ্ন উঠছে, আর্থিক কর্মকাণ্ড বাড়লেও কাজের বাজার চাঙ্গা হচ্ছে না কেন?

কী বলছে রিপোর্ট

উপদেষ্টা সংস্থা সিএমআইই-র (CMII) রিপোর্ট বলছে, নভেম্বরে দেশে বেকারত্বের হার ফের ৮ শতাংশ। গ্রামে তা ৮.০৪ শতাংশ থেকে ৭.৫৫ শতাংশে নামলেও, শহরে ৭.১২ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯ শতাংশ ছুঁইছুঁই। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, পরিস্থিতি সুবিধার নয় আঁচ করেই গ্রামাঞ্চলে কর্মসংস্থান বাড়াতে মাঠে নামতে চাইছে কেন্দ্র। সরকারি সূত্রের ইঙ্গিত, ১০০ দিনের কাজের আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা ভাবছে তারা। এরই মধ্যে রবিশস্যের চাষ শুরু হওয়ায় কিছুটা হলেও কাজ এসেছে মানুষের হাতে। কিন্তু শহরের অবস্থা আলাদা। সেখানে মূলত পরিষেবা ক্ষেত্রের কাঁধে চেপে আর্থিক কর্মকাণ্ডে গতি এলেও কর্মী নিয়োগের ঝুঁকি নিতে চাইছে না বহু সংস্থা। কারণ, আর্থিক অনিশ্চয়তা। সম্প্রতি দেশের মূল আটটি পরিকাঠামো ক্ষেত্রে (Infrastructure Sector) উৎপাদন শ্লথ হওয়ার ছবিও স্পষ্ট হয়েছে কেন্দ্রের অক্টোবরের রিপোর্টে। সেখানে বৃদ্ধির হার নামমাত্র (০.১ শতাংশ)। সব মিলিয়ে ডামাডোল বেড়েছে কাজের বাজারেও।

Advertisement

কেন বাড়ছে বেকারত্ব

আর্থিক বিশেষজ্ঞ অনির্বাণ দত্ত বলেন, চড়া মূল্যবৃদ্ধি চাহিদা কমিয়েছে। আর সুদের হার বৃদ্ধি রুখেছে শিল্পের সম্প্রসারণ। উৎপাদনেও ধাক্কা লাগছে। ফলে বাড়ছে না কর্মসংস্থান। দক্ষ এবং আধা-দক্ষ কর্মী নিয়োগ করতে পারে এমন বড় মাপের নতুন সংস্থা তৈরি হয়নি বহু দিন। উল্টে অ্যামাজন, টুইটার-সহ অনেক পরিষেবা সংস্থা কর্মী ছাঁটাই করেছে। অথচ কাজের খোঁজ বেড়েছে। ফলে চড়া বেকারত্ব।

অনেকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, সম্প্রতি জাতীয় পরিসংখ্যান দফতরের (এনএসও) রিপোর্টেও (NSO Report) শহরাঞ্চলের কাজের মলিন পরিস্থিতির ছবিই ফুটে উঠেছে। সেখানে জানানো হয়েছে, গত জুলাই-সেপ্টেম্বরে শহরে ১৫ বছর কিংবা তার বেশি বয়সিদের মধ্যে বেকারত্বের হার ছিল ৭.২ শতাংশ। পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের অবস্থা অনেকটাই খারাপ।

Advertisement

আরও পড়ুন: ই-রুপি কী? এর সুবিধা কী, অসুবিধাই বা কী?

Continue Reading

খবর

ই-রুপি কী? এর সুবিধা কী, অসুবিধাই বা কী?

আমজনতার কাছে এখনও পরিষ্কার নয় এই মুদ্রা ঠিক কী? কী ভাবে এটি কাজ করবে? এর সুবিধা, অসুবিধাই বা কী?

Published

on

বিবি ডেস্ক: অবশেষে ভারতের বাজারে এল ই-রুপি (E Rupee)। আগামী কাল থেকে দেশের বাছাই করা চার শহরে শুরু হবে এই ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Rupee) পরিষেবা। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (Reserve Bank Of India) দাবি, এর ফলে নগদ ছাপানোর খরচ কমবে। পাশাপশি নগদে লেনদেনের উপর নজর রাখাও সহজ হবে। কিন্তু আমজনতার কাছে এখনও পরিষ্কার নয় এই মুদ্রা ঠিক কী? কী ভাবে এটি কাজ করবে? এর সুবিধা, অসুবিধাই বা কী?

ই-টাকা কী

ই-টাকা (E Rupee) হল আমরা যে নোট লেনদেনের জন্য ব্যবহার করি তার ডিজিটাল রূপ। এর জন্য ব্যবহারকারীর ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট থাকা জরুরি নয়। এই টাকা ম্যানিব্যাগের বদলে থাকবে আপনার মোবাইলের ডিজিটাল ওয়ালেটে। নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কগুলির ই-টাকার ওয়ালেট আপনাকে মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে।

আপনার টাকা আপনি ই-টাকায় বদলে এই ওয়ালেটে রাখতে পারবেন এবং তা ব্যবহার করতে পারবেন প্রথাগত টাকা লেনদেন যে ভাবে করেন সে ভাবেই। শুধু ম্যানিব্যাগ থেকে নোট না বার করে আপনার ওয়ালেট থেকে অন্যের ওয়ালেটে তা পাঠিয়ে দিতে হবে।

Advertisement

ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টেও নোটের বদলে ই-টাকা জমা দিতে পারবেন। এখন যে ভাবে কিউআর কোড (QR Code) স্ক্যান করে আপনি ওয়ালেট থেকে টাকা দেন, ঠিক সে ভাবেই লেনদেন করতে পারবেন। অথবা প্রাপকের ওয়ালেট আইডি-তে পাঠাতে পারবেন ই-টাকা (E Rupee)। সুবিধাটা হল এই লেনদেন ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নির্ভর নয়। নগদে যে ভাবে বাজার করেন, সে ভাবেই ব্যবহার করবেন এই ওয়ালেট। ফারাক হবে শুধু মাধ্যমের।

কেন ই-টাকা

এর ফলে দেশের টাকা ছাপার খরচ কমবে। কিন্তু টাকার উপর শীর্ষ ব্যাঙ্কের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। এর ফলে নগদ বয়ে বেরানোর ঝক্কিও থাকবে না। প্রথাগত নগদের লেনদেনের উপর সরকারের নজরদারি যেমন কঠিন, তা কিন্তু এই লেনদেনে থাকবে না।

কোন কোন দেশে ই-মুদ্রা চালু আছে

বাহামাস, সেন্ট কিটস, গ্রেনাডা, অ্যান্টিগার মতো কয়েকটি দেশে ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে ই-মুদ্রা। রাশিয়ায় পরীক্ষামূলক ব্যবহার শেষ হয়ে সবার ব্যবহারের জন্য চালু হওয়ার রাস্তা। চিনও তৈরি। বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিও এ নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে।

Advertisement

সুবিধা এবং অসুবিধা

ডিজিটাল লেনদেনের বর্তমান ব্যবস্থায় প্রতিটি লেনদেনের জন্য আপনাকে একটা কমিশন দিতে হয় যার ওয়ালেট ব্যবহার করছেন তাকে। ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড (Credit Card) ব্যবহার করলেও একই ভাবে আপনাকে কিছু দাম দিতে হয় যার কার্ড ব্যবহার করছেন তাকে। ই-টাকার (E Rupee) লেনদেনে এই খরচ থাকবে না বলে শীর্ষ ব্যাঙ্কের দাবি। ই-টাকায় (E Rupee) আপনি তাৎক্ষণিক দাম চোকানোর সুবিধা পাবেন এবং কোনও তৃতীয় মাধ্যম দিয়ে সেই লেনদেন পরিচালিত হবে না। ঠিক যে ভাবে নগদ লেনদেন পরিচালিত হয় সে ভাবেই চলবে গোটা প্রক্রিয়াটি। প্রয়োজনে লেনদেনের উপর সরকার নজরও রাখতে পারবে সহজে। আপনার মানিব্যাগে নগদ ফুরানোর চাপও থাকবে না। ঘন ঘন এটিএমে দৌড়নোর চাপও কমে যাবে।

আরও পড়ুন: ডিজিটাল মুদ্রা চালু ১ ডিসেম্বর, জানুন কোন কোন ব্যাঙ্ক থেকে পাওয়া যাবে

Advertisement
Continue Reading

Trending