Connect with us

খবর

উৎসবে মরশুমে অনলাইনে সস্তা হল পোশাক

ব্র্যান্ডেড পোশাক নির্মাতারা উৎসবের মরশুমে এই সংস্থাগুলোর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও অটুট করতে নেমে পড়েছে।

Published

on

বিবি ডেস্ক : পোশাকের দাম আরও সস্তা করল অ্যামাজন এবং ফ্লিপকার্ট এর মতো ই-কমার্স সংস্থাগুলো। আর তাই ব্র্যান্ডেড পোশাক নির্মাতারা উৎসবের মরশুমে এই সংস্থাগুলোর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও অটুট করতে নেমে পড়েছে। এই পোশাক নির্মাতাদের তালিকায় রয়েছে আদিত্য বিড়লা গ্রুপের মাদুরা ফ্যাশন এন্ড লাইফ স্টাইল, ল্যান্ডমার্ক গ্রুপ এবং বেস্টসেলার গ্রুপ।

কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অনলাইনে বিশেষ ছাড়ের পোশাক নিয়ে এসেছে মধুরা গ্রুপের অন্তর্গত পিটার ইংল্যান্ড ব্র্যান্ড। একইরকমভাবে ছাড় দিচ্ছে পিউমা, পেপে জিন্স, ভেরো মোদা, বেস্টসেলার জিন্স, জ্যাক এন্ড জোনস এবং ইউনাইটেড কালার্স অফ বেনেটন-এর মত নামজাদা ব্র্যান্ডেড পোশাক নির্মাতারা। লিভাইস শুধুমাত্র অনলাইনে নিয়ে এসেছে সাশ্রয়ীমূল্যের ডেনিজেন প্রোডাক্ট।

লাগেজ ব্র্যান্ডগুলো এই ইকমার্স সাইটের মাধ্যমে তাদের পণ্যগুলি একচেটিয়াভাবে বিক্রি করছে। এর মধ্যে রয়েছে জর্জিয়া, কোপা এবং আমেরিকান ট্যুরিস্ট থেকে আসা শিবির, সাফারি ও স্কাই ব্যাগ রুবিকের থোরিয়াম রেঞ্জ।

পিউমা ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ফ্লিপকার্টে মাসিক সেলের প্রায় প্রায় ৫০ শতাংশই এখন পিউমার জন্য বিকোচ্ছে। সরবরাহ প্রযুক্তি এবং সাপ্লাই চেনের মূল্য বাদ দেয়ার পরও পোশাক নির্মাতারা অনলাইনের মাধ্যমে সেল করে অনেক বেশি লাভবান হচ্ছেন। পোশাক নির্মাতারা মূলত টার্গেট করছেন ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী গ্রাহকদের। সমীক্ষা জানিয়েছে, এই বয়সে গ্রাহকরাই সবচেয়ে বেশি ব্র্যান্ডের পোশাক খোঁজেন অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে।

বেস্টসেলার ইন্ডিয়ার আধিকারিক বিনীত প্রধান জানিয়েছেন, সাধারণ ক্ষেত্রে অফলাইনে বা শপিংমলে ৩৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী গ্রাহকের সংখ্যা বেশি থাকে কিন্তু তাদের মতো পোশাক নির্মাতা সংস্থাগুলোর তৈরি ব্র্যান্ডের পোশাক আকর্ষণ করে যুব প্রজন্মকে। তাই এই যুব প্রজন্মকে টানতে অনলাইন প্লাটফর্মগুলোই ভরসা পোশাক নির্মাতাদের কাছে।

একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে গত তিন সপ্তাহ আগে অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে দেশের সামগ্রিক লাইফ স্টাইল সেল আসত ৩%, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫%। ফ্লিপকার্টের বাণিজ্যিক এবং লাইফস্টাইল প্রধান জানিয়েছেন, বর্তমানে পোশাক নির্মাতারা শুধুমাত্র ফ্লিপকার্ট এর জন্যই বিভিন্ন ধরনের পোশাক লঞ্চ করেন যা বাজারে সাধারণত মেলে না।

উৎসবের মরসুমে অনলাইনে পোশাক খোঁজার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তার ধারণা। এছাড়াও শুধুমাত্র পোশাক নির্মাতার নয় এফএমসিজি এবং ইলেকট্রনিক আইটেমও বর্তমানে শুধুমাত্র অনলাইন প্লাটফর্ম এর জন্যেই লঞ্চ করা হচ্ছে। সঙ্গে মেলে আকর্ষণীয় ছাড়ও। যা বাজারের তুলনায় অনেকটাই কম।

খবর

প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তোলায় বাড়ল সুবিধা, কমল টিডিএস

২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে টাকা তোলার বিষয়ে কর সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

Published

on

এখন এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) ​​থেকে টাকা তোলায় বাড়তি সুবিধা পাবেন সদস্যরা। টিডিএস (TDS) হিসেবে আগের ৩০ শতাংশের জায়গায় এ বার কাটা হবে ২০ শতাংশ।

ইপিএফও থেকে টাকা তোলার নিয়ম বদল করেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রভিডেন্ট ফান্ড (Provident Fund) থেকে টাকা তোলার বিষয়ে কর সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

৩০ শতাংশের জায়গায় ২০ শতাংশ টিডিএস

আপনি যদি নিজের পিএফ (PF) অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলেন, তা হলে এখন আপনাকে ৩০ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশ হারে টি়ডিএস দিতে হবে। আপনার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে প্যান কার্ড লিঙ্ক করা থাকে বা না থাক, উভয় ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য হবে। ইপিএফও-র এই নতুন নিয়ম চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে। অর্থাৎ, আপনি যদি ১ এপ্রিলের আগে ইপিএফও থেকে টাকা তুলতে চান, তা হলে চলতি হারেই টিডিএস দিতে হবে।

টিডিএসে নিয়ম বদল

কোনো অ্যাকাউন্ট হোল্ডার যদি পাঁচ বছরের মধ্যে টাকা তোলেন, তবে তাঁকে টিডিএস দিতে হবে। পাশাপাশি, ৫ বছর পরে টাকা তোলার উপর কোনো টিডিএস ধার্য করা হবে না। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বাজেটে জানিয়েছিলেন যে টিডিএসের জন্য কমপক্ষে ১০ হাজার টাকার ঊর্ধ্বসীমাও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও লটারির ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, একটি আর্থিক বছরে মোট ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত টিডিএস কাটা হবে না, তবে তার পরে এটি অবশ্যই কাটা হবে।

আরও পড়ুন: বাজেটে আয়কর স্ল্যাবে পরিবর্তন, জানুন নতুন ও পুরনো কর ব্যবস্থার খুঁটিনাটি

Continue Reading

খবর

আদানি-বিপর্যয়ের মধ্যেও চাঙ্গা শেয়ার বাজার, লম্বা দৌড় সেনসেক্স-নিফটির

শুক্রবার সবচেয়ে লাভবান স্টকগুলির মধ্যে রয়েছে টাইটান, বাজাজ ফিন্যান্স, বাজাজ ফিনসার্ভ. এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি।

Published

on

Stock Market

সপ্তাহের শেষ কেনাবেচার দিনে শক্তিশালী অবস্থানে থিতু হয়েছে ভারতীয় শেয়ার বাজার। ফিন্যান্সিয়াল এবং আইটি শেয়ারগুলির কাঁধে ভর দিলে অনেকটাই উঁচুতে উঠে বন্ধ হয়েছে অন্যতম সূচকগুলি। উল্লেখযোগ্য ভাবে, ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI) নিজের ত্রৈমাসিক আয়ের রিপোর্ট পেশ করার আগে আর্থিক লাভ করেছে।

বিএসই সেনসেক্স (BSE Sensex) ৯০০ পয়েন্ট উপরে উঠে ৬০.৮৫০-এর কাছাকাছি স্থির হয়েছে। অন্য দিকে, এনএসই নিফটি (NSE Nifty) প্রায় ২৫০ পয়েন্ট এগিয়ে ১৭,৮৫০-এর উপরে বন্ধ হয়েছে। নিফটি এই সপ্তাহে ১.৪ শতাংশ বেড়েছে এবং এর অন্তর্গত ৫০টি স্টকের মধ্যে লাভের খাতায় নাম লিখিয়েছে ২৭টি। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক এবং আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্কের নেতৃত্বে নিফটি ব্যাঙ্ক এই সপ্তাহে ২.৭ শতাংশ লাফিয়েছে। অন্য দিকে, ইনফোসিস-এর মতো সংস্থার উপর নির্ভর করে নিফটি আইটি সূচক টানা চতুর্থ সপ্তাহে ঊর্ধ্বমুখী।

শুক্রবার সবচেয়ে লাভবান স্টকগুলির মধ্যে রয়েছে টাইটান, বাজাজ ফিন্যান্স, বাজাজ ফিনসার্ভ. এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি। এ ছাড়াও এ দিন সবচেয়ে সক্রিয় স্টকের মধ্যে ছিল আদানি এন্টারপ্রাইজেস, আদানি পোর্টস সেজ, আরআইএল, এসবিআই, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক। নিফটি-কে পিছনের দিকে টেনে ধরার চেষ্টা করেছে টেক মাহিন্দ্রা, এইচসিএল টেক, উইপ্রো সেনসেক্সে ওজন করেছে যখন ডিভিস ল্যাবস, বিপিসিএল।

প্রসঙ্গত, আদানি গোষ্ঠীর সংস্থাগুলির শেয়ারের পতন অব্যাহত রয়েছে। ২০ হাজার কোটি টাকার এফপিও বন্ধ করার পরে আদানি এন্টারপ্রাইজ ২ শতাংশের বেশি কমে ১,৫৩১ টাকায় নেমে এসেছে। আদানি টোটাল গ্যাস ৫ শতাংশ, আদানি গ্রিন এবং আদানি ট্রান্সমিশন ১০ শতাংশ করে কমেছে।

ও দিকে, আমেরিকার শেয়ার বাজারে বৃহস্পতিবার রাতে বাজার খোলার কিছু ক্ষণ পরে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ার দরের পতন ঘটতে শুরু করে। যার প্রভাব পড়ে ডাও জোন্স সূচকেও। এক সময় সূচক তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় আদানির সংস্থাকে। পরে আবার তা চালু হলেও পতন ঠেকানো যায়নি। সামগ্রিক ভাবে আদানিদের ওই সংস্থাগুলির শেয়ার দর পড়েছে ৫ শতাংশেরও বেশি। আর তার অভিঘাতে ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে পতন ঘটে ডাও জোন্স সূচকে।

আরও পড়ুন: আদানিকাণ্ডে এলআইসি লগ্নিকারীদের উপর আঁচ পড়বে না, বিবৃতি বিমা সংস্থার

Continue Reading

খবর

সস্তায় ‘ভারত আটা’ বিক্রি করবে সরকার, জানুন দাম কত

খোলা বাজারে বিক্রয় প্রকল্পের আওতায় এই আটা বিক্রি হবে। এর নাম ‘ভারত আটা’

Published

on

খোলা বাজারে আটার দাম বেড়েছে অনেকটাই। বাড়তি চাপ পকেটে। স্বস্তি দিতে শীঘ্রই সস্তায় আটা সরবরাহ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। খোলা বাজারে বিক্রয় প্রকল্পের আওতায় এই আটা বিক্রি হবে। এর নাম ‘ভারত আটা’ (Bharat Atta)।

কত দাম ভারত আটার

মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশ, বেশি দামে আটা কেনা গ্রাহকরা স্বস্তি পেতে চলেছেন এই সরকারি উদ্যোগে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এই ‘ভারত আটা’ বিক্রি শুরু হবে।

উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারি আউটলেট থেকে প্রতি কেজি ভারত আটা কেনা যাবে ২৯.৫০ টাকায়। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে ভারতের ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন (NAFED) এবং ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ক্রেডিট কাউন্সেলিং (NFCC) ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এই আটা বিক্রি শুরু করবে।

গম দেবে এফসিআই

বর্তমানে দেশে কেজি প্রতি আটার দাম অন্ততপক্ষে ৩৮ টাকা। এমতাবস্থায় সরকারের এই প্রকল্পের ফলে জনগণের কাছে সস্তায় আটা পৌঁছে যাবে। জানা গিয়েছে, খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের সচিব সঞ্জীব চোপড়া একটি বৈঠকে এর ওপেন মার্কেট সেল স্কিম পর্যালোচনা করেছেন।

ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (FCI)-র ডিপো থেকে কেন্দ্রীয় ভাণ্ডার, এনএএইইডি এবং এনসিসিএফ সংস্থাগুলি ৩ এলএমটি পর্যন্ত গম তুলবে। এর পরে, এই গম থেকে আটা তৈরির পর খুচরো দোকান এবং সরকারি আউটলেটের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে তা বিক্রি করা হবে।

বলে রাখা ভালো, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওপেন মার্কেট স্কিম পর্যালোচনা করেছিলেন। এই প্রকল্পের অধীনে ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন গম ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র।

আরও পড়ুন: আদানিকাণ্ডে এলআইসি লগ্নিকারীদের উপর আঁচ পড়বে না, বিবৃতি বিমা সংস্থার

Continue Reading

Trending