Connect with us

খবর

লক্ষ্যের থেকে অনেক বেশি আয় হবে কর থেকে, আশার কথা শোনালেন অর্থমন্ত্রী

আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আগামী আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করবেন। এই বাজেটে জনমুখী প্রকল্পে খরচ বাড়াতে হবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

Published

on

central finance minister

হাতে আর মাস দু’য়েক। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections) আগে শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Budget 2023) পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitaraman)। তার আগে বছরের শেষে শোনা গেল স্বস্তির খবর।

জানা গিয়েছে, কর বাবদ যে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল কেন্দ্র, তার থেকে আয় হবে অনেকটাই বেশি। এই কর বাবদ আয় হচ্ছে সব দিক থেকেই। তা সে আয়কর (Income Tax), কর্পোরেট কর (Corporate Tax) হোক কিংবা পেট্রল-ডিজ়েলের শুল্ক। সেই সুবাদে অর্থ মন্ত্রক মনে করছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) ধাক্কা যুঝতে সারে ভর্তুকি, প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় খাদ্যে ভর্তুকি বাড়াতে হলেও, তার জন্য বাড়তি ধার করতে হবে না সরকারকে।

কোথায় দাঁড়িয়ে করবাবদ আয়

চলতি অর্থবর্ষের (Financial Year) আর তিন মাস বাকি। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitaraman) আগামী আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করবেন। এই বাজেটে জনমুখী প্রকল্পে খরচ বাড়াতে হবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। এই পরিস্থিতিতে সরকারের আয় কেমন হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর পর্ষদের (Central Board of Direct Taxes) চেয়ারম্যান নিতিন গুপ্তের নেতৃত্বে শীর্ষ-কর্তারা বৈঠকে বসেছিলেন। সূত্রের খবর, অর্থবর্ষের তিন মাস বাকি থাকতেই আয়কর ও কর্পোরেট কর থেকে লক্ষ্যমাত্রার ৮০ শতাংশ রাজকোষে চলে এসেছে। শুধু তা-ই নয়, এই অর্থবর্ষে বছরে আয়কর, কর্পোরেট কর থেকে ১৪.৪০ লক্ষ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য নিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। বাস্তবে এখনও পর্যন্ত হয়েছে ১১.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা।

কত বেশি রোজগার হবে

অর্থ মন্ত্রকের (Finance Minsitry) কর্তারা বলছেন, সার্বিক ভাবেও কর বাবদ মোট সাড়ে ২৭ লক্ষ কোটি টাকা আসবে ধরা হয়েছিল। আশা, আয়কর (Income Tax), কর্পোরেট করের (Corporate Tax) মতো উৎপাদন শুল্ক, আমদানি-রফতানি শুল্ক (Import Export Tax), জিএসটি (GST) থেকে আয় হবে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশি। ফলে বছর শেষে কর খাতে সরকারের রোজগার সাড়ে ৩১ লক্ষ কোটি টাকা হতে পারে। যা লক্ষ্যের থেকে ৪ লক্ষ কোটি বেশি।

কেন্দ্রকে বাড়তি ধার করতে হবে না

সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে (Winter Session) অর্থমন্ত্রী বাজেটের অতিরিক্ত সওয়া ৩ লক্ষ কোটি টাকা খরচের প্রস্তাব পেশ করেছেন। তবে একই সঙ্গে তাঁর বার্তা, কর বাবদ আয় লক্ষ্যের তুলনায় যথেষ্ট বেশি হচ্ছে। তাই সার, খাদ্য ভর্তুকি খাতে খরচ বাড়লেও, কেন্দ্রকে বাড়তি ধার করতে হবে না। অর্থ মন্ত্রকের বক্তব্য, এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরে গত বছরের তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি আয় হয়েছে। যেখানে গত ফেব্রুয়ারির বাজেটে ৯.৬ শতাংশের মতো বেশি আয় হবে বলে ধরা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: কর্মসংস্থানের বড় সুযোগ, সাহায্য করছে এই সরকারি পোর্টাল

খবর

কলকাতা-সহ দেশের ৮টি বড়ো শহরে বেড়েছে আবাসনের দাম

গত ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২-এ আবাসনের দাম বেড়েছে গড়ে ৭ শতাংশ।

Published

on

নয়াদিল্লি: বেড়েছে নির্মাণ সামগ্রীর দাম। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দেশের আটটি বড়ো শহর জুড়ে আবাসনের দাম। একটি সমীক্ষায় দাবি, “গত ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২-এ আবাসনের দাম বেড়েছে গড়ে ৭ শতাংশ।”

অতিমারির পর বাড়ি-ফ্ল্যাটের দাম বেড়েছে। মাথা তুলেছে ঋণে সুদের হার। কিন্তু স্থায়ী ঠিকানার চাহিদা এবং বাড়ি থেকে কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবাসনের চাহিদাও বাড়ছে। এর ফলে আগামী দিনে সেই দাম আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে আবাসনের দামবৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করেছে PropTiger.com।

সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, আবাসনের দাম বাড়লেও তা বিক্রির উপর সে ভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি। সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় অতিমারি পর্বেই নির্মাণ সামগ্রীর দাম বাড়তে শুরু করেছিল। তা সত্ত্বেও সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর চাহিদার পালে হাওয়া লাগে। সেই চাহিদা অব্যাহত রয়েছে।

২০১৬-২১ সময়কালে আবাসনের দাম অনেকাংশে স্থিতিশীল ছিল। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলে এমন একটি কারণে নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়ে যায়। নির্মাণ সামগ্রীর দাম বাড়তেই আবাসনের দাম বাড়াতে বাধ্য হন বিল্ডাররা।

সমীক্ষা রিপোর্ট অনুসারে, গুরুগ্রামে প্রায় ১৩ শতাংশ দাম বেড়েছে। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। অন্য দিকে, বেঙ্গালুরু এবং দিল্লি-এনসিআরে ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, তারপরে পুনে ৮ শতাংশ। অমদাবাদ এবং কলকাতায় বৃদ্ধি হয়েছে ৭ শতাংশ।

গুরুগ্রামে এখন আবাসনের প্রতি স্কোয়ার ফুটের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ৭০০০-৭২০০ টাকা। দিল্লি-এনসিআরে ৪৮০০-৫০০০ টাকা প্রতি স্কোয়ার ফুট। তবে নয়ডাতে ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি স্কোয়ার ফুটের গড় দাম ৫৪০০-৫৬০০ টাকা। কলকাতা এবং মুম্বইয়ে যা যথাক্রমে ৪৬০০-৪৮০০ টাকা এবং ১০১০০-১০৩০০ টাকা।

আরও পড়ুন: ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

Continue Reading

খবর

উইপ্রোর পর ইনফোসিস, বরখাস্ত ৬০০ ফ্রেশার

অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ প্রায় ৬০০ জন ফ্রেশারকে বরখাস্ত করল আরেক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিস।

Published

on

কয়েক দিন আগেই অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়া ফ্রেশারদের ছাঁটাই করেছিল ভারতের অন্যত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা উইপ্রো (Wipro)। মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশ, কতকটা একই কারণে প্রায় ৬০০ জন ফ্রেশারকে বরখাস্ত করল আরেক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিস (Infosys)।

বরখাস্ত হওয়া ফ্রেশারের মন্তব্য উদ্ধৃত করে বিজনেস টুডে-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের আগস্টে ইনফোসিসে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। তাঁকে এসএপি এপিএপি (SAP ABAP) স্ট্রিমের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। তবে ১৫০ জনের টিমে মাত্র ৬০ জন ফ্রেশার অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় পাশ করেছেন। অনুত্তীর্ণদের সবাইকে ছাঁটাই করা হয়েছে। যাঁরা জুলাইয়ে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে মোট ১৫০ জনের মধ্যে ৮৫ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অন্য দিকে, সংস্থার এক প্রতিনিধির পাল্টা যুক্তি, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে বরাবরই চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়।

বলে রাখা ভালো, ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে ইনফোসিসের কর্মী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮৪৫ জন। যা আগের ত্রৈমাসিকে ছিল ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ২১৮ জন। আগের ত্রৈমাসিকে ১০ হাজার কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়েছিল সংস্থা। তবে বাস্তবে তা ১ হাজার ৬২৭-এই থমকে যায়। অন্য দিকে, সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে যেখানে স্বেচ্ছাবসরের হার ছিল ২৭.১ শতাংশ, সেখানে ডিসেম্বরে কিছুটা নেমে থিতু হয় ২৫.৫ শতাংশে।

উল্লেখ্য, এর আগে, খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পরে ফ্রেশারদের বরখাস্ত করেছিল উইপ্রো।

আরও পড়ুন: ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

Continue Reading

খবর

ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। এরই মধ্যে ভারতীয় স্টার্টআপ সেক্টর থেকে কাজ হারিয়েছেন প্রায় হাজারদুয়েক কর্মী।

Published

on

চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রায় ৯২.৬ কোটি ডলারের ২২টি ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে ভারতীয় স্টার্টআপগুলি। এ বছরে তাদের সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। এরই মধ্যে ভারতীয় স্টার্টআপ সেক্টর থেকে কাজ হারিয়েছেন প্রায় হাজারদুয়েক কর্মী।

মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশ, প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলি জানুয়ারিতে ৬৭টি ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে। ১২টি স্টার্টআপ (তারা লেনদেনের তথ্য প্রকাশ করেনি) বাদে প্রত্যেকেই সেই চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রকাশ করেছে। জানা গিয়েছে, তাদের সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১৬.৫ কোটি ডলার।

স্টার্টআপ নিউজ পোর্টাল Entrackr-এর তথ্য উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলির গড় চুক্তির আকার ছিল প্রায় ৪০ লক্ষ এবং তারা এই বছর ১২০ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে। অন্য দিকে, মানিকন্ট্রোল-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১৪টি স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ২১০০-র বেশি কর্মী ছাঁটাই করেছে।

উল্লেখযোগ্য ভাবে, ভারতীয় স্টার্টআপগুলির মধ্যে, ডিজিটাল পেমেন্ট অ্যাপ কোম্পানি PhonePe জানুয়ারি মাসে মোট ৩৫ কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহ করেছে, যখন CreditKey সংগ্রহ করেছে ১২ কোটি। এই দুটি স্টার্টআপ কোম্পানিই মোট তহবিলের ৪০ শতাংশ সংগ্রহ করেছে।

সবচেয়ে বেশি ডিল পেয়েছে ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলি। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেঙ্গালুরুতে ৬০টি চুক্তি করা হয়েছে, যখন দিল্লি এনসিআরে ১৫টি চুক্তি করা হয়েছে। একই সময়ে, ভারতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম জানুয়ারিতে সমস্ত বিভাগে ১৮টি সংস্থার সংযুক্তিকরণ এবং অধিগ্রহণ করেছে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২২ সালের এই একই সময়ের তুলনায় এ বছর বেশি চুক্তি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ট্রেনে বসেই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পছন্দের খাবার, জানুন বিস্তারিত

Continue Reading

Trending