Connect with us

বিমা

গাড়ি-বাইকের বৈধ পিইউসি না থাকলেও বিমা-দাবি বাতিল করা যাবে না, নির্দেশ নিয়ন্ত্রক সংস্থার

পিইউসি সার্টিফিকেট সারা ভারতেই সমস্ত যানবাহনের জন্য বাধ্যতামূলক।

Published

on

বাংলাBiz ডেস্ক: যানবাহনের ‘পলিউশন আন্ডার কন্ট্রোল’ বা পিইউসি (PUC) সার্টিফিকেটের বৈধতা না থাকলেও বিমা সংস্থাগুলি গ্রাহকের দাবি (Claim) খারিজ করতে পারবে না। এ কথা স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিল বিমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইআরডিএআই (IRDAI)।

বছর তিনেক আগেই দূষণ পরীক্ষার পর পিইউসি বাধ্যতামূলক করার কথা বলেছিল জাতীয় পরিবেশ আদালত। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেও বিমা সংস্থাগুলিকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্ট বলে, “বিমা পলিসি পুনর্নবীকরণের তারিখে বৈধ পিইউসি সার্টিফিকেট না থাকলে গাড়ির বিমা (insurance policy) করার দরকার নেই”।

সুপ্রিম কোর্টের ওই নির্দেশকে সামনে রেখে ২০১৮ সালে আইআরডিএ বিমা সংস্থাগুলির উদ্দেশে জানায়, কোনো যানবাহনের বৈধ পিইউসি সার্টিফিকেট না থাকলে সেটির বিমা পুনর্নবীকরণ করা যাবে না। অর্থাৎ যানবাহনের বিমা পুনর্নবীকরণের জন্য অবশ্যই একটি বৈধ পিইউসি শংসাপত্র থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: ‘ঈশ্বরের সৃষ্টি’ করোনা মহামারির প্রভাব জিএসটিতে, ঘাটতি ঠেকবে ২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকায়, জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

নিয়ন্ত্রক সংস্থার এ ধরনের নির্দেশিকার পর সাময়িক ভাবে জটিলতার সৃষ্টি হয়। যে কারণে বুধবার একটি নির্দেশিকায় আইআরডিএ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, “সম্প্রতি কিছু প্রতিবেদনের জেরে দুর্ঘটনার সময় বৈধ পিইউসি সার্টিফিকেট না থাকলে মোটর বিমা পলিসির অধীনে দাবি পরিশোধযোগ্য নয় বলে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে”।

অর্থাৎ আগের নির্দেশিকাটি বিমা পলিসির পুনর্নবীকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই বলে গ্রাহকের ক্লেম বা দাবি বাতিল করতে পারবে না বিমা সংস্থাগুলি।

উল্লেখ্য, পিইউসি সার্টিফিকেট সারা ভারতেই সমস্ত যানবাহনের জন্য বাধ্যতামূলক।

পিইউসি কী

গাড়ি থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড এবং হাইড্রোকার্বনের মতো দূষণ সৃষ্টিকারী উপাদানের মাত্রার তদারকির জন্য এই সার্টিফিকেট ব্যবহার করা হয়।

গাড়িটির সফল পিইউসি পরীক্ষা করানোর পরে, গাড়ির মালিককে একটি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। এই সার্টিফিকেট ছ’মাসের জন্য বৈধ থাকে।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

হোয়াটসঅ্যাপে এলআইসি পরিষেবা, জানুন কী ভাবে ব্যবহার করবেন

নিজের পলিসি হোল্ডারদের জন্য এই প্রথম ইন্টারেক্টিভ ‘হোয়াটসঅ্যাপ পরিষেবা’ চালু করেছে লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া। জানুন কী ভাবে ব্যবহার করবেন?

Published

on

বিবি ডেস্ক: নিজের পলিসি হোল্ডারদের জন্য এই প্রথম ইন্টারেক্টিভ ‘হোয়াটসঅ্যাপ পরিষেবা’ চালু করেছে লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (LIC)।

শুক্রবার নতুন এই পরিষেবা চালু করে এলআইসি জানায়, এই পরিষেবাটি শুধুমাত্র সেই সমস্ত পলিসি হোল্ডাররা ব্যবহার করতে পারবেন, যাঁরা এই বিমা সংস্থার পোর্টালে নিজের পলিসি রেজিস্টার করেছেন। আর যাঁরা করেননি, তাঁরা এই পরিষেবা পেতে www.licindia.in পোর্টালে গিয়ে নিজের পলিসি রেজিস্টার করে নিতে পারেন।

কী ভাবে এলআইসি-র ‘হোয়াটসঅ্যাপ পরিষেবা’ পাবেন

যে গ্রাহকের পলিসি ইতিমধ্যেই পোর্টালে নিবন্ধিত রয়েছে, তাঁরা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট নম্বরে ‘হাই’ পাঠিয়ে পরিষেবা পেতে পারেন। এর জন্য মোবাইল নম্বর 8976862090-তে একটি ‘হাই’ পাঠাতে হবে। এরপর চ্যাটবট ব্যবহারকারীকে বেছে নেওয়ার জন্য ১১টি অপশন দেবে। আপনি যে বিকল্পটি চান আপনাকে সমসাময়িক ক্রমিক নম্বর দিয়ে উত্তর দিতে হবে।

যে ১১টি অপশন পাওয়া যাবে-

১. প্রিমিয়াম বকেয়া

২. বোনাস তথ্য

৩. পলিসি স্ট্যাটাস

৪. ঋণের যোগ্যতার কোটেশন

৫. ঋণ পরিশোধের কোটেশন

৬. ঋণের সুদ বকেয়া

৭. প্রিমিয়াম জমার শংসাপত্র

৮. ইউলিপ – ইউনিটের স্টেটমেন্ট

৯. এলআইসি পরিষেবার লিঙ্ক

১০. পরিষেবাগুলি অপ্ট ইন/অপ্ট আউট

১১. কথোপকথনের সমাপ্তি

এলআইসি পোর্টালে কী ভাবে পলিসি রেজিস্টার করবেন

১. প্রথমেই www.licindia.in পোর্টালে যান, সেখানে “Customer Portal” অপশনে ক্লিক করুন

২. নতুন গ্রাহক হলে “New user”-এ ক্লিক করুন

৩. বিস্তারিত বিবরণ দিন

৪. নিজের ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড-সহ প্রয়োজনীয় বিবরণ দিন‌‌

৫. ওই ইউজার আইডি দিয়ে “e-Services”-এ গিয়ে নিজের পলিসি রেজিস্টার করার জন্য ফর্মটি পূরণ করুন

৬. ফর্মটি প্রিন্ট করুন, তাতে স্বাক্ষর করুন এবং ফর্মের স্ক্যান করা ছবি আপলোড করুন

৭. নিজের প্যান কার্ড, আধার কার্ড অথবা পাসপোর্ট স্ক্যান করে আপলোড করুন

৮. এলআইসি অফিসে যাচাইকরণের পরে, আপনাকে ই-মেইল এবং এসএমএস পাঠানো হবে। জানিয়ে দেওয়া হবে আপনি উ-পরিষেবা পেতে প্রস্তুত কি না

৯. সাবমিট বোতামে ক্লিক করুন

১০. আপনার ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড বেছে নিয়ে সাবমিট করুন

১১. লগইন করুন এবং ‘Basic Services’-এ গিয়ে “Add Policy”-তে ক্লিক করুন

১২. আপনার সমস্ত পলিসি এখানেই এনরোল করুন

আরও পড়ুন: ই-রুপি কী? এর সুবিধা কী, অসুবিধাই বা কী?

Continue Reading

খবর

ভাল কাজের ভিত্তিতে বেতন বৃদ্ধি, বিমা ক্ষেত্রে নয়া নিয়ম আনতে চায় কেন্দ্র

বেসরকারি বিমা (Insurance) সংস্থাগুলির সঙ্গে লড়াই করুক সরকারি বিমা (Insurance) সংস্থাগুলি, এমনটাই চাইছে কেন্দ্র। আর এই জন্য বেতন কাঠামোয় আমূল বদল আনতে চাইছে তারা।

Published

on

Insurance

বিবি ডেস্ক: বেসরকারি বিমা (Insurance) সংস্থাগুলির সঙ্গে লড়াই করুক সরকারি বিমা (Insurance) সংস্থাগুলি, এমনটাই চাইছে কেন্দ্র। আর এই জন্য বেতন কাঠামোয় আমূল বদল আনতে চাইছে তারা। অর্থ মন্ত্রকের অধীন আর্থিক পরিষেবা বিভাগ জানিয়ে দিল দেশের চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত সাধারণ বিমা (Insurance) সংস্থায় এ বার থেকে কাজের ভিত্তিতে কর্মীদের বেতন সংশোধন করা হবে। এই বিষয়ে ইউনিয়নকেও জানিয়ে দিয়েছে তারা।

কী বলছে কেন্দ্র

বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের জন্য কর্মীদের বেতন ১২ শতাংশ হারে বাড়িয়েছে অর্থ মন্ত্রক। তার পরেই জানিয়েছে, আগামী দিনে এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের উন্নতি এবং কর্মীদের কাজের মানের ভিত্তিতে নেওয়া হবে। তবে এতে প্রবল আপত্তি ইউনিয়নগুলির। তাদের দাবি, বেতন সংশোধনের নিয়ম বদলের প্রতিবাদে দেশ জুড়ে আন্দোলনে নামবে তারা।

কী পরিবর্তন হতে পারে

ঘোষিত বর্ধিত বেতন কার্যকর হবে নিউ ইন্ডিয়া অ্যাশিয়োরেন্স (New India Assurance), ইউনাইটেড ইন্ডিয়া ইনশিয়োরেন্স (United India Insurance), ওরিয়েন্টাল ইনশিয়োরেন্স (The Oriental Insurance Company) এবং ন্যাশনাল ইনশিয়োরেন্সের (National Insurance Company) কর্মীদের ক্ষেত্রে। সেগুলির হোল্ডিং কোম্পানি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত পুনর্বিমা সংস্থা জিআইসিআরইর (GICRI) কর্মীরাও সংশোধিত বেতনই পাবেন। সূত্রের দাবি, কেন্দ্র চায় রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিক। সেই লক্ষ্যেই বদলাচ্ছে বিধি। এতে কর্মীরা ভাল কাজ করতে উৎসাহ পাবেন। লোকসান হলে সম্ভব হবে খরচ কমানো।

যৌথ ভাবে দেশ জুড়ে আন্দোলন

প্রস্তাব কার্যকর হলে আর পাঁচ বছর অন্তর বেতন বদলাবে না। তা স্থির হবে প্রতি বছর, প্রতিটি সংস্থার আয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর কাজের মূল্যায়নের নিরিখে। সিদ্ধান্ত নেবে পরিচালন পর্ষদ। মঙ্গলবার সাধারণ বিমা কর্মীদের সংগঠন ন্যাশনাল ফেডারেশন অব জেনারেল ইনশিয়োরেন্স এমপ্লয়িজ়ের পূর্বাঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন চান রাষ্ট্রায়ত্ত সাধারণ বিমা সংস্থাগুলিতে কাজের ভিত্তিতে বেতন দিতে। কেন্দ্র উপদেষ্টা সংস্থা ইঅ্যান্ডওয়াই-কে দিয়ে সমীক্ষা চালানোর পরে সেই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘‘এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সাধারণ বিমা শিল্পের সমস্ত ইউনিয়ন যৌথ ভাবে দেশ জুড়ে আন্দোলনে নামবে।’’

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য বিমা করাবেন? এই বিষয়গুলি অবশ্যই মাথায় রাখবেন

Continue Reading

বিমা

স্বাস্থ্য বিমা করাবেন? এই বিষয়গুলি অবশ্যই মাথায় রাখবেন

যে কোনো সময় যে কেউ অসুখে পড়তে পারেন। ফলে নিজেকে এবং নিজের পরিবারের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিপর্যয় থেকে দূরে রাখতে স্বাস্থ্য বিমার ভূমিকা অনেক।

Published

on

বিবি ডেস্ক: যে কোনো সময় যে কেউ অসুখে পড়তে পারেন। ফলে নিজেকে এবং নিজের পরিবারের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিপর্যয় থেকে দূরে রাখতে স্বাস্থ্য বিমার (health insurance) ভূমিকা অনেক। তবে স্বাস্থ্য বিমা করানোর সময় প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী সঠিক পলিসি নির্বাচন করাও একটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বিষয়।

সঠিক বিচার-বিবেচনা না করে কেনা একটি স্বাস্থ্য বিমা জরুরি সময়ে পর্যাপ্ত নাও হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, কোনো হৃদরোগীর ক্ষেত্রে এমন একটি কভার বেছে নেওয়া দরকার, যা ব্যয়বহুল চিকিৎসা লাঘব করতে পারে। ফলে আমাদের প্রত্যেকেই বয়স, পরিবারের আকার, চিকিৎসা সংক্রান্ত ইতিহাস, স্বাস্থ্যের অবস্থা, জিনঘটিত গঠন ইত্যাদির দিকগুলি বিবেচনা করে সেই অনুযায়ী স্বাস্থ্য বিমা নির্বাচন করতে হবে।

স্বাস্থ্য বিমা করানোর সময় যে বিষয়গুলি মাথায় রাখা দরকার

স্বাস্থ্য বিমার পুনর্নবীকরণ

এই বিষয়টিই সব থেকে গুরুত্ব পূর্ণ। কিন্তু বহুক্ষেত্রেই অবহেলার শিকার হয়ে থাকে। কোনো বিষয় থেকে সাময়িক অনুপ্রাণিত হয়ে প্রথমবার স্বাস্থ্য বিমা করানো হল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে তার কভারেজ সীমা সমাপ্ত হয়ে যাওয়ার পর পুনর্নবীকরণের বিষয়টি নিয়ে অনেকেই অনিচ্ছা দেখান। বা গুরুত্বই দিতে চান না। কিন্তু প্রথম বারের প্রিমিয়াম থেকে যদি কোনো রকমের চিকিৎসা পরিষেবা না নেওয়ার প্রয়োজনও পড়ে, পরের বার তা লাগবে না, কে গ্যারান্টি দিতে পারে।

কভারেজের পরিমাণ বৃদ্ধি

একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কভারেজ পাওয়ার প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে কেউ স্বাস্থ্য বিমা করালেন। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে, দিনে দিনে কিন্তু সব কিছুরই কিন্তু মূল্য বৃদ্ধি ঘটছে। ফলে চিকিৎসার খরচেরও বৃদ্ধি ঘটে যাচ্ছে সমান তালে। সেই কথা মাথায় রেখেই স্বাস্থ্য বিমা পুনর্নবীকরণের সময় কভারেজের পরিমাণও বাড়াতে হবে। তা তে দেখা যাবে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে।

সময়ের অপেক্ষা

আগে থেকে শরীরে বাসা বাঁধা কোনো রোগের জন্যই কেউ কেউ স্বাস্থ্য বিমা করানোর আগ্রহ দেখান। বছর তিন-চারেক তার কোনো রকম প্রভাব না দেখা গেলেই পলিসি বন্ধ করে দেওয়ার উদাহরণ রয়েছে অজস্র। এই ধরনের চিন্তাভাবনা খুবই নেতিবাচক।

বাংলা বিজ-এ আরও পড়ুন: মানসিক সমস্যায় কি স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা পাওয়া যায়?

যত দ্রুত সম্ভব

স্বাস্থ্য বিমা করানোর জন্য কোনো বয়সের বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে যত দ্রুত সম্ভব এই বিমার আওতায় চলে আসা বুদ্ধিমানের কাজ। অনেকে আবার ব্যক্তিগত বিমায় আগ্রহ দেখান। কিন্তু প্রিমিয়ামের পরিমাণ সামান্য বেশি হলেও পারিবারিক ভাবে স্বাস্থ্য বিমার আওতায় আসা অনেক বেশি লাভজনক।

আরও পড়ুন: বেড়েই চলেছে দাম, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চাহিদা, আবাসনই কি বিনিয়োগের সেরা পছন্দ?

Continue Reading

Trending