Connect with us

ফিনান্স

সরকারি ব্যাঙ্কের জন্য বাজেটে আর মূলধনের সংস্থান রাখছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ

আসন্ন বাজেটে সরকারি ব্যাঙ্কের জন্য আর মূলধনের সংস্থান রাখছে না সরকার। তার বদলে অনাদায়ি ঋণ আদায়ের উপর জোর দিয়ে, বাজার থেকে তহবিল সংগ্রহ করে মূলধন যোগানের উপর ব্যাঙ্কগুলিকে বলবে সরকার।

Published

on

বিবি ডেস্ক : আসন্ন বাজেটে সরকারি ব্যাঙ্কের জন্য আর মূলধনের সংস্থান রাখছে না সরকার। তার বদলে অনাদায়ি ঋণ আদায়ের উপর জোর দিয়ে, বাজার থেকে তহবিল সংগ্রহ করে মূলধন যোগানের উপর ব্যাঙ্কগুলিকে বলবে সরকার। এছাড়াও সূত্রে জানা গিয়েছে ব্যাঙ্কগুলিকে নন-কোর ব্যবসায় অংশ বিক্রি করে ২০২০-২১-এ তহবিল সংগ্রহের জন্য সরকার বলবে।

অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ দ্বিতীয় দফার মোদী সরকারের দ্বিতীয় বাজেট পেশ করবেন ১ ফেব্রুয়ারি।

সূত্রে জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্কের শেয়ারদর লাগাতার বাড়ার ফলে, তাদের কাছে সুযোগ তৈরি হয়েছে ক্রমশ সরকারি হোল্ডিংকে কমিয়ে ফেলার।

দেশের সবচেয়ে বড় ঋণদানকারী ব্যাঙ্ক এসবিআই ইতিমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে এসবিআই কার্ড এন্ড পেমেন্ট সার্ভিস লিমিটেড এবং ইউটিআই মিউচ্যুয়াল ফান্ড থেকে তাদের অংশ কমিয়ে ফেলতে।
একই ধরনের পদক্ষেপ নিতে চলেছে আরও কয়েকটি সরকারি ব্যাঙ্ক।

২০১৯-এর আগস্ট মাসে সরকার ব্যাঙ্ক মেগা সংযুক্তিকরণের ঘোষণা করে সরকার। সংযুক্তিকরণের পর ব্যাঙ্কগুলি যাতে সুষ্ঠভাবে চলতে পারে তারজন্য ইতিমধ্যে ৬৮,৮৫৫ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার।

এরমধ্যে পঞ্জাব ন্যাশানাল ব্যাঙ্ক পেয়েছে ১৬,০৯১ কোটি, ইউনিয়ান ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ১১,৭৬৮কোটি, কানারা ব্যাঙ্ক ৬,৫৭১কোটি এবং ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক ২,৫৩৪ কোটি টাকা।

সংযুক্তিকরণ করা হয়েছে যে ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে তারমধ্যে এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক পেয়েছে ২,১৫৩ কোটি, ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ১,৬৬৬ কোটি এবং অন্ধ্র ব্যাঙ্ক পেয়েছে ২০০কোটি।

এছাড়া ব্যাঙ্ক অফ বরোদা পেয়েছে ৭০০০কোটি, ইন্ডিয়ান ওভাসিজ ব্যাঙ্ক ৪,৩৬০কোটি ইউকো ব্যাঙ্ক ২১৪২কোটি, পঞ্জাব এন্ড সিন্ধ ব্যাঙ্ক ৭৮৭কোটি এবং সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ৩৩৫৩কোটি টাকা। এছাড়া এলআইসি নিয়ন্ত্রিত আইডিবিআই ব্যাঙ্কও ৪,৫৫৭ কোটি টাকা।


সূত্র : বিজনেস টুডে

ফিনান্স

বাজেটে আয়কর স্ল্যাবে পরিবর্তন, জানুন নতুন ও পুরনো কর ব্যবস্থার খুঁটিনাটি

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী?

Published

on

আয়করে ছাড় মিলবে। ছাড় দেবে সরকার। কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে এমন সব খবরেই আশার বহর বাড়ছিল সাধারণ মানুষের। গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আয়করের স্ল্য়াব পরিবর্তনের বড়ো ঘোষণা করেছেন তিনি। করদাতাদের দাবি পূরণ করে, আয়কর স্ল্যাবের আওতা থেকে ৭ লক্ষের কম আয়ের মানুষকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

অর্থমন্ত্রী সংসদে ঘোষণা করেছেন, কোনো ব্যক্তি যদি নতুন কর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, তাহলে এমন পরিস্থিতিতে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর এক টাকাও কর দিতে হবে না। অর্থমন্ত্রী ২০২০ সালের বাজেটে নতুন কর ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।

নতুন কর ব্যবস্থা

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী? অর্থমন্ত্রীর ব্কতৃতাতেই স্পষ্ট, নতুন কর ব্যবস্থায়, আপনাকে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো রকমের আয়কর দিতে হবে না। এই ক্ষেত্রে, সরকার ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স রিবেট পাওয়া যায়। নতুন আয়কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ স্ল্যাবে ২০ শতাংশ এবং ১৫ লক্ষ টাকার উপরে সর্বোচ্চ হারে ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

পুরনো কর ব্যবস্থা

পুরনো কর ব্যবস্থা অনুসারে, ৫ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হয় না কারণ ১২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যায়। পুরনো কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন ৩ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। অন্যদিকে, ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ২০ শতাংশ। ১৫ লক্ষ টাকার উপরে আয়ের উপর ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

কত বার বদলানো যাবে?

এমন পরিস্থিতিতে, নতুন এবং পুরানো কর ব্যবস্থায় আসার পরে, ব্যবহারকারীরা এই দু’টির মধ্যে যে কোনো একটি বেছে নিতে পারবেন। নির্দিষ্ট কিছু করদাতা প্রতি বছর নতুন এবং পুরনো কর ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে পারেন। যেমন একজন বেতনভোগী ব্যক্তি, ভাড়া থেকে উপার্জনকারী ব্যক্তি প্রতিবার ট্যাক্স স্ল্যাব পরিবর্তন করতে পারেন। অন্যদিকে, ব্যবসা থেকে আয়ের অর্থ হলে, অর্থাৎ ব্যবসায়ী ব্যক্তিরা একবার ট্যাক্স ব্যবস্থা পরিবর্তন করলে, তিনি আবার পুরানো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: সস্তায় ‘ভারত আটা’ বিক্রি করবে সরকার, জানুন দাম কত

Continue Reading

খবর

পোস্ট অফিসের জনপ্রিয় সব সঞ্চয় প্রকল্প, জানুন সর্বশেষ সুদের হার

বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

Published

on

বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় বা পোস্ট অফিস স্কিমের সুবিধা দিয়ে থাকে সরকার। এগুলো অনেকেরই ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা পূরণ করে থাকে। এই সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হার তিন মাসে একবার (প্রতি ত্রৈমাসিক) সংশোধন করা হয়। এক দিকে সরকারি সমর্থন, অন্য দিকে নিশ্চিত রিটার্ন পাওয়ার কারণে একটা বড়ো অংশের বিনিয়োগকারীদের কাছে জনপ্রিয় স্কিমগুলির মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি। অন্য দিকে বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

অর্থমন্ত্রকের সর্বশেষ সার্কুলারে ঘোষণা করা হয়, চলতি ত্রৈমাসিকে পিপিএফ-এ ৭.১০ শতাংশ, এনএসসি-তে ৭.০০ শতাংশ, মান্থলি ইনকাম স্কিমে (MIS)৭.১০ শতাংশ হারে সুদ পাবেন গ্রাহকরা।

এক নজরে দেখে নিন বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে কার্যকর সুদের হার (Interest Rates)-

স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প১ জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত সুদের হারকী ভাবে জমা হবে
সেভিংস ডিপোজিট৪%বার্ষিক
১ বছর মেয়াদি আমানত৬.৬০%ত্রৈমাসিক
২ বছর মেয়াদি আমানত৬.৮০%ত্রৈমাসিক
৩ বছর মেয়াদি আমানত৬.৯০%ত্রৈমাসিক
৫ বছর মেয়াদি আমানত৭.০০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের রেকারিং৫.৮০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম৮.০০%ত্রৈমাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের মাসিক আয় প্রকল্প৭.১০%মাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের জাতীয় সঞ্চয় শংসাপত্র৭.০০%বার্ষিক
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম৭.১০%বার্ষিক
কিষান বিকাশ পত্র৭.২০% (১২৪ মাসে ম্যাচুরিটি)বার্ষিক
সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্ট স্কিম৭.৬০%বার্ষিক
সূত্র: অর্থমন্ত্রকের সার্কুলার
Continue Reading

ফিনান্স

সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

Published

on

নিজের একটা বাড়ি বা ফ্ল্যাট। এমন স্বপ্ন অনেকেরই। কিন্তু এর জন্য দরকার বড়ো অঙ্কের টাকার। বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট কেনার জন্য যে কারণে বেশির ভাগ ক্রেতাই শরণাপন্ন হন ব্যাঙ্ক অথবা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। যেখানে সহজ মাসিক কিস্তিতে গৃহঋণ (Home loan) নিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব।

একটি নির্দিষ্ট সুদের হারে ঋণ দেয় ব্যাঙ্ক। যার জন্য গ্রাহককে প্রতি মাসে ইএমআই (EMI) দিতে হয়। বেঁধে দেওয়া হয় ঋণ পরিশোধের সময়সীমা। সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

অন্যদিকে, যত দিন না ঋণ পরিশোধ হচ্ছে, ততদিন গ্রাহকের বাড়ির কাগজপত্র ব্যাঙ্কের কাছে জমা থাকে। অর্থাৎ, ঋণের পরিমাণ সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির মালিকানা ব্যাঙ্কের হাতেই। এই কারণে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি পরিশোধ করা উচিত। দ্রুত এই ঋণ মিটিয়ে দিয়ে ঝক্কি কমানোর কিছু বিকল্প পথও রয়েছে।

গৃহঋণ তাড়াতাড়ি পরিশোধ করতে, প্রতি বছর লোনের ব্যালেন্সের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ জমা করতে পারেন। এতে করে মূল পরিমাণ কমে যায় এবং ২০ বছরের ঋণ ১২ বছরে সম্পূর্ণ করা যায়।

আরও একটি বিকল্পের মধ্যে রয়েছে বছরে বাড়তি ইএমআই জমা করার পদ্ধতি। আপনি যদি গৃহঋণ তাড়াতাড়ি মিটিয়ে দিতে চান তবে ১২-র পরিবর্তে বছরে ১৩টি ইএমআই দিন৷ প্রতি বছর যদি অতিরিক্ত একটি ইএমআই জমা করে, তা হলে ২০ বছরের ঋণ শেষ শেষ হয়ে যাবে ১৭ বছরে।

তবে সব কিছুই নির্ভর করছে গ্রাহকের মাসিক আয়ের উপর। কারণ, এমনিতেই গৃহঋণের ইএমআই বেশ বড়ো হয়। যদি বাড়তি অর্থের সংস্থান হয়ে যায়, তা হলে ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে আপনি পূর্বনির্ধারিত ইএমআই-এর পরিমাণও বাড়িয়ে নিতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে, মাসিক কিস্তি ৫ শতাংশ বাড়িয়ে নিলে ২০ বছরের ঋণ ১৩ বছরেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: কলকাতায় প্রথম শাখা খুলল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক

Continue Reading

Trending