Connect with us

ফিনান্স

হোয়াটসঅ্যাপেও জানা যায় ক্রেডিট স্কোর, ঋণের আবেদন জানানোর আগে যাচাই করুন

আপনি কি ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণের জন্য আবেদন করতে যাচ্ছেন? তা হলে এই প্রতিবেদন আপনার কাজে লাগতে পারে।

Published

on

বিবি ডেস্ক: আপনি কি ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণের (Loan) জন্য আবেদন করতে যাচ্ছেন? তা হলে এই প্রতিবেদন আপনার কাজে লাগতে পারে। ঋণ পাওয়ার জন্য প্রাথমিক শর্ত- ক্রেডিট স্কোর (Credit Score) সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে এখানে।

ঋণ পাওয়ার জন্য যে সব শর্তপূরণ করতে হয়, তার মধ্যে প্রথমেই চলে আসে ক্রেডিট স্কোর। গৃহঋণ (Home loan) হোক বা ব্যক্তিগত ঋণ (Personal loan), যে কোনো ধরনের ঋণ পাওয়ার জন্য ক্রেডিট স্কোর ভালো হওয়াটাই স্বাভাবিক নিয়ম।

হোয়াটসঅ্যাপেও জানা যায় ক্রেডিট স্কোর

অনেকেই ঋণের আবেদন করার আগে নিজের ক্রেডিট স্কোর নিয়ে মাথা ঘামান না। যে কারণে, খালি হাতে ফিরতে হয়। আবার ঋণের আবেদন বাতিল হলে, ক্রেডিট স্কোরে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। অনলাইনে ক্রেডিট স্কোর পরীক্ষা করার উপায় রয়েছে। খুঁজে নিতে হবে বিশ্বস্ত এবং সাশ্রয়ী মাধ্যম। আবার, হোয়াটসঅ্যাপে বিনামূল্যে ক্রেডিট স্কোর চেক করার পরিষেবা শুরু করেছে এক্সপেরিয়ান ইন্ডিয়া (Experian India)।

এক্সপেরিয়ান ইন্ডিয়া বলছেষ ভারতে তারাই প্রথম এ ধরনের ক্রেডিট স্কোর যাচাই করার পরিষেবা দিচ্ছে। গ্রাহকরা নিজের এক্সপেরিয়ান ক্রেডিট রিপোর্ট নিয়মিত পরীক্ষা করতে পারেন এবং সহজেই ক্রেডিট পোর্টফোলিও নিরীক্ষণ করতে পারেন। এক্সপেরিয়ান ইন্ডিয়া হল দেশের প্রথম ক্রেডিট ব্যুরো যা ক্রেডিট ইনফরমেশন কোম্পানিজ (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫-এর অধীনে লাইসেন্স পেয়েছে।

এখানে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও ক্রেডিট স্কোর পরীক্ষা করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে +91-9920035444 নম্বরে ‘Hey’ লিখে পাঠাতে হবে। এর পরে আপনাকে আপনার কিছু মৌলিক বিবরণ শেয়ার করতে হবে, যেমন- আপনার নাম, ই-মেইল আইডি এবং ফোন নম্বর। এর পরে আপনি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দ্রুত নিজের এক্সপেরিয়ান ক্রেডিট স্কোর পাবেন। এ ছাড়াও, এক্সপেরিয়ান ক্রেডিট রিপোর্টের একটি পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত কপির জন্য অনুরোধ করতে পারেন, যা আপনার রেজিস্টার্ড ই-মেল আইডি-তে পাঠানো হবে।

যদি ক্রেডিট স্কোর কম থাকে…

সাধারণত, ৭০০ বা তার উপরে ক্রেডিট স্কোর ভালো বলে মনে করা হয়। স্কোর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং সন্তোষজনক ক্রেডিট স্কোর পেতে এটি প্রায় ১৮ থেকে ৩৬ মাস ক্রেডিট ব্যবহার করে। কিন্তু যদি ক্রেডিট স্কোর কম থাকে, তা হলে কী ভাবে ক্রেডিট স্কোর উন্নত করবেন? তা হলে নীচের পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন-

১. সবসময় নির্ধারিত তারিখে বা তার আগে ইএমআই (সমান মাসিক কিস্তি) জমা করুন। ক্রেডিট কার্ড বিলের জন্য টাকা মেটানোর সময়সীমা মিস করবেন না।

২. নিরাপদ ঋণ (যেমন হোম লোন এবং অটো লোন) এবং অনিরাপদ ঋণের (যেমন ব্যক্তিগত ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ড) সঠিক ক্রেডিট মিশ্রণ আপনাকে একটি ভালো ক্রেডিট স্কোর তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে।

৩. প্রয়োজন পড়লে তবেই নতুন ক্রেডিট এর জন্য আবেদন করার কথা ভাবুন। ঘন ঘন ক্রেডিট চাওয়া ঋণদাতাদের বিরূপ করে তুলতে পারে। অনেক বেশি ঋণ আপনার ক্রেডিট স্কোর কমিয়ে আনতে পারে। প্রথমে একটি ঋণ পরিশোধ করে শুধুমাত্র তারপর অন্য একটি খোঁজার মাধ্যমে আপনার ক্রেডিট স্কোর উন্নত করুন।

৪. সারা বছর ধরে আপনার ক্রেডিট ইতিহাস ট্র্যাক করুন এবং নিশ্চিত করুন যে কোনও অমিল নেই। ক্রেডিট ব্যুরো কখনও কখনও রেকর্ড আপডেট করার সময় ত্রুটি করতে পারে। সে ক্ষেত্রে, আপনাকে অবশ্যই আপনার ঋণদাতাকে সঠিক তথ্য-সহ ক্রেডিট ব্যুরোর কাছে আপডেট করতে বলতে হবে যাতে এটি আপনার ক্রেডিট স্কোরকে প্রভাবিত না করে।

৫. ঋণ নেওয়ার সময় দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ বেছে নিন। এতে আপনার ক্রেডিট স্কোর উন্নত হতে পারে, কারণ এ ক্ষেত্রে ইএমআই কম হয়। এটি আপনাকে ঋণ পরিশোধের জন্য কম ইএমআই-সহ দীর্ঘ সময়ের সুযোগ দেয়।

আরও পড়ুন: ক্রেডিট ইউটিলাইজেশন রেশিও কী? এই মাপকাঠিতে কী ভাবে প্রভাবিত হয় ক্রেডিট স্কোর

ফিনান্স

বাজেটে আয়কর স্ল্যাবে পরিবর্তন, জানুন নতুন ও পুরনো কর ব্যবস্থার খুঁটিনাটি

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী?

Published

on

আয়করে ছাড় মিলবে। ছাড় দেবে সরকার। কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে এমন সব খবরেই আশার বহর বাড়ছিল সাধারণ মানুষের। গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আয়করের স্ল্য়াব পরিবর্তনের বড়ো ঘোষণা করেছেন তিনি। করদাতাদের দাবি পূরণ করে, আয়কর স্ল্যাবের আওতা থেকে ৭ লক্ষের কম আয়ের মানুষকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

অর্থমন্ত্রী সংসদে ঘোষণা করেছেন, কোনো ব্যক্তি যদি নতুন কর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, তাহলে এমন পরিস্থিতিতে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর এক টাকাও কর দিতে হবে না। অর্থমন্ত্রী ২০২০ সালের বাজেটে নতুন কর ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।

নতুন কর ব্যবস্থা

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী? অর্থমন্ত্রীর ব্কতৃতাতেই স্পষ্ট, নতুন কর ব্যবস্থায়, আপনাকে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো রকমের আয়কর দিতে হবে না। এই ক্ষেত্রে, সরকার ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স রিবেট পাওয়া যায়। নতুন আয়কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ স্ল্যাবে ২০ শতাংশ এবং ১৫ লক্ষ টাকার উপরে সর্বোচ্চ হারে ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

পুরনো কর ব্যবস্থা

পুরনো কর ব্যবস্থা অনুসারে, ৫ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হয় না কারণ ১২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যায়। পুরনো কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন ৩ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। অন্যদিকে, ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ২০ শতাংশ। ১৫ লক্ষ টাকার উপরে আয়ের উপর ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

কত বার বদলানো যাবে?

এমন পরিস্থিতিতে, নতুন এবং পুরানো কর ব্যবস্থায় আসার পরে, ব্যবহারকারীরা এই দু’টির মধ্যে যে কোনো একটি বেছে নিতে পারবেন। নির্দিষ্ট কিছু করদাতা প্রতি বছর নতুন এবং পুরনো কর ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে পারেন। যেমন একজন বেতনভোগী ব্যক্তি, ভাড়া থেকে উপার্জনকারী ব্যক্তি প্রতিবার ট্যাক্স স্ল্যাব পরিবর্তন করতে পারেন। অন্যদিকে, ব্যবসা থেকে আয়ের অর্থ হলে, অর্থাৎ ব্যবসায়ী ব্যক্তিরা একবার ট্যাক্স ব্যবস্থা পরিবর্তন করলে, তিনি আবার পুরানো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: সস্তায় ‘ভারত আটা’ বিক্রি করবে সরকার, জানুন দাম কত

Continue Reading

খবর

পোস্ট অফিসের জনপ্রিয় সব সঞ্চয় প্রকল্প, জানুন সর্বশেষ সুদের হার

বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

Published

on

বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় বা পোস্ট অফিস স্কিমের সুবিধা দিয়ে থাকে সরকার। এগুলো অনেকেরই ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা পূরণ করে থাকে। এই সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হার তিন মাসে একবার (প্রতি ত্রৈমাসিক) সংশোধন করা হয়। এক দিকে সরকারি সমর্থন, অন্য দিকে নিশ্চিত রিটার্ন পাওয়ার কারণে একটা বড়ো অংশের বিনিয়োগকারীদের কাছে জনপ্রিয় স্কিমগুলির মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি। অন্য দিকে বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

অর্থমন্ত্রকের সর্বশেষ সার্কুলারে ঘোষণা করা হয়, চলতি ত্রৈমাসিকে পিপিএফ-এ ৭.১০ শতাংশ, এনএসসি-তে ৭.০০ শতাংশ, মান্থলি ইনকাম স্কিমে (MIS)৭.১০ শতাংশ হারে সুদ পাবেন গ্রাহকরা।

এক নজরে দেখে নিন বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে কার্যকর সুদের হার (Interest Rates)-

স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প১ জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত সুদের হারকী ভাবে জমা হবে
সেভিংস ডিপোজিট৪%বার্ষিক
১ বছর মেয়াদি আমানত৬.৬০%ত্রৈমাসিক
২ বছর মেয়াদি আমানত৬.৮০%ত্রৈমাসিক
৩ বছর মেয়াদি আমানত৬.৯০%ত্রৈমাসিক
৫ বছর মেয়াদি আমানত৭.০০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের রেকারিং৫.৮০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম৮.০০%ত্রৈমাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের মাসিক আয় প্রকল্প৭.১০%মাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের জাতীয় সঞ্চয় শংসাপত্র৭.০০%বার্ষিক
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম৭.১০%বার্ষিক
কিষান বিকাশ পত্র৭.২০% (১২৪ মাসে ম্যাচুরিটি)বার্ষিক
সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্ট স্কিম৭.৬০%বার্ষিক
সূত্র: অর্থমন্ত্রকের সার্কুলার
Continue Reading

ফিনান্স

সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

Published

on

নিজের একটা বাড়ি বা ফ্ল্যাট। এমন স্বপ্ন অনেকেরই। কিন্তু এর জন্য দরকার বড়ো অঙ্কের টাকার। বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট কেনার জন্য যে কারণে বেশির ভাগ ক্রেতাই শরণাপন্ন হন ব্যাঙ্ক অথবা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। যেখানে সহজ মাসিক কিস্তিতে গৃহঋণ (Home loan) নিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব।

একটি নির্দিষ্ট সুদের হারে ঋণ দেয় ব্যাঙ্ক। যার জন্য গ্রাহককে প্রতি মাসে ইএমআই (EMI) দিতে হয়। বেঁধে দেওয়া হয় ঋণ পরিশোধের সময়সীমা। সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

অন্যদিকে, যত দিন না ঋণ পরিশোধ হচ্ছে, ততদিন গ্রাহকের বাড়ির কাগজপত্র ব্যাঙ্কের কাছে জমা থাকে। অর্থাৎ, ঋণের পরিমাণ সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির মালিকানা ব্যাঙ্কের হাতেই। এই কারণে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি পরিশোধ করা উচিত। দ্রুত এই ঋণ মিটিয়ে দিয়ে ঝক্কি কমানোর কিছু বিকল্প পথও রয়েছে।

গৃহঋণ তাড়াতাড়ি পরিশোধ করতে, প্রতি বছর লোনের ব্যালেন্সের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ জমা করতে পারেন। এতে করে মূল পরিমাণ কমে যায় এবং ২০ বছরের ঋণ ১২ বছরে সম্পূর্ণ করা যায়।

আরও একটি বিকল্পের মধ্যে রয়েছে বছরে বাড়তি ইএমআই জমা করার পদ্ধতি। আপনি যদি গৃহঋণ তাড়াতাড়ি মিটিয়ে দিতে চান তবে ১২-র পরিবর্তে বছরে ১৩টি ইএমআই দিন৷ প্রতি বছর যদি অতিরিক্ত একটি ইএমআই জমা করে, তা হলে ২০ বছরের ঋণ শেষ শেষ হয়ে যাবে ১৭ বছরে।

তবে সব কিছুই নির্ভর করছে গ্রাহকের মাসিক আয়ের উপর। কারণ, এমনিতেই গৃহঋণের ইএমআই বেশ বড়ো হয়। যদি বাড়তি অর্থের সংস্থান হয়ে যায়, তা হলে ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে আপনি পূর্বনির্ধারিত ইএমআই-এর পরিমাণও বাড়িয়ে নিতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে, মাসিক কিস্তি ৫ শতাংশ বাড়িয়ে নিলে ২০ বছরের ঋণ ১৩ বছরেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: কলকাতায় প্রথম শাখা খুলল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক

Continue Reading

Trending