Connect with us

খবর

বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নির্মাতাদের জন্য সুখবর!

বর্তমানে যেখানে ওই সুদের হার ৯-১২ শতাংশ, সেখানে এই সুদের হার থেকে কমপক্ষে ৪ শতাংশ ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র

Published

on

electronics manufacturing india

বিবিডেস্ক: ইলেক্ট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক (মেইটওয়াই) গত বছর তিনটি বড়ো প্রকল্প শেষ হওয়ার পরে ভারতে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন বৃদ্ধিতে নতুন উদ্যোগ নিয়ে এগনোর পরিকল্পনা করেছে।

পরিকল্পনাগুলিতে নতুন বিনিয়োগের জন্য ঋণের উপর সুদের হারের ভরতুকি, বৈদ্যুতিন উৎপাদন ক্লাস্টার (ইএমসি) প্রকল্পের পুনর্নবীকরণ এবং যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য গৃহীত ঋণের জন্য জামানত ছাড়ও অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের এক আধিকারিক একটি জাতীয় স্তরের সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন, গত বছর তিনটি বড়োসড়ো প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর, এ ধরনের নতুন উদ্যোগ নিতে চলেছে কেন্দ্র। এই নতুন উদ্যোগের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রকের কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) প্রতিষ্ঠিত এবং নীতি আয়োগের নেতৃত্বে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় প্যানেল ভারতে বিশ্বমানের বৈদ্যুতিন উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, মেইটিওয়াই-এর সচিব প্যানেলের একি অংশ এবং তাঁরা সম্মিলিত ভাবে তথ্যের জোগান দিচ্ছেন, কিন্তু একই সঙ্গে এই প্রস্তাবটি অর্থ মন্ত্রকও বিবেচনা করে দেখছে।

বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম উৎপাদনের বাজারে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করতেই সরকার চাইছে বিনিয়োগের জন্য সুদের হারে আকর্ষণীয় ছাড় দিতে। এতে যেমন স্থানীয় স্তরে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে তেমনই বহুজাতিক সংস্থাগুলিও এ দেশে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখাবে বলেই মনে করছেন সরকারি আধিকারিকরা।

ভারতের প্রতিযোগী হিসাবে পরিচিত চিন এবং ভিয়েতনামের মতো দেশগুলিতে তুলনামূলক ভাবে নিম্ন হারে সুদের হার প্রচলিত রয়েছে শিল্পঋণের ক্ষেত্রে। স্বাভাবিক ভাবে বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদেরও অধিক পছন্দ ওই সমস্ত দেশগুলি। বর্তমানে যেখানে ওই সুদের হার ৯-১২ শতাংশ, সেখানে এই সুদের হার থেকে কমপক্ষে ৪ শতাংশ ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র।

একই সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তাদের ক্রেডিট ঋণের গ্যারান্টি স্কিমের অধীনে ব্যক্তিগত জামানত না দিয়েই শিল্প গড়ার সুবিধার অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাবও করেছে মন্ত্রক। আধিকারিকরা মনে করেন, উচ্চহারে সুদ এবং শিল্পস্থাপনে জামানতের বিষয়টিই অনেক ক্ষেত্রে শিল্পের প্রসারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

খবর

শেয়ার বাজারে হুড়মুড়িয়ে ধস! মাথায় হাত লগ্নিকারীদের

সকালে বাজার খুলতেই পড়তে শুরু করে একের পর এক নামী কোম্পানির শেয়ার। আদানি গ্রুপের বেশিরভাগ শেয়ারের দাম ব্যাপক কমেছে।

Published

on

সপ্তাহের শেষ কেনাবেচার দিনে বড়োসড়ো ধাক্কা ভারতীয় শেয়ার বাজারে। শুক্রবার হুড়মুড়িয়ে ধস ভারতীয় শেয়ারবাজারের সবকটি সূচকে। একদিনে প্রায় ২ শতাংশ নেমেছে বাজার।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বব্যাপী প্রবণতার কারণেই এ দিন ব্যাপক ধস নেমেছে ভারতের শেয়ার বাজারে। সকালে বাজার খুলতেই পড়তে শুরু করে একের পর এক নামী কোম্পানির শেয়ার। আদানি গ্রুপের বেশিরভাগ শেয়ারের দাম ব্যাপক কমেছে। জানা গিয়েছে, আমেরিকার সংস্থার তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে মারাত্মক ধস নামে আদানি গ্রুপের শেয়ারে।

একটা সময় সেনসেক্স (Sensex) নেমে যায় এক হাজার পয়েন্টেরও বেশি। পরে কিছুটা পুনরুদ্ধার করে বাজার বন্ধের সময় ৮৪৬ পয়েন্ট পড়ে সেনসেক্স থিতু হয় ৫৯,৩৪৯-এ। বড়ো ধাক্কা লেগেছে নিফটিতেও । প্রায় তিনশো পয়েন্ট পড়ে নিফটি পৌঁছায় ১৭ হাজারে। বাজার বন্ধের সময় ২৮৬ পয়েন্ট পড়ে দাঁড়ায় ১৭,৬১১-য়।

উল্লেখযোগ্য ভাবে, আদানি পোর্টস এবং আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারের দাম ৫ শতাংশ কমেছে। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক এবং এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের শেয়ারের দাম ৩ শতাংশ পর্যন্ত পড়েছে। অন্যদিকে, টাটা মোটরসের শেয়ারের দর ৮ শতাংশ বেড়েছে। বাজাজ অটোর শেয়ারের দামও ৬ শতাংশ বেড়েছে। মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা, ডক্টর রেড্ডিজ ল্যাবসের দামও ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

আরও পড়ুন: বাজেট ২০২৩: রেলপথ, রাস্তার জন্য বাড়তি বরাদ্দের প্রত্যাশা

Continue Reading

খবর

বাজেট ২০২৩: রেলপথ, রাস্তার জন্য বাড়তি বরাদ্দের প্রত্যাশা

২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এ বারের বাজেটে একাধিক চমক থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Published

on

নয়াদিল্লি: আগামী ১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৩-২৪ পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতরমন। এটা তাঁর পঞ্চম বাজেট। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এ বারের বাজেটে একাধিক চমক থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এ বারের বাজেট বাড়তি গুরুত্ব পেতে চলেছে রেলপথ ও সড়ক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। বিশ্বব্যাপী মন্দার প্রভাব স্পষ্ট হলেও ভারত যে সেই আঁচ এড়াতে সক্ষম, সেই বার্তা পৌঁছে দিতে চাইবেন অর্থমন্ত্রী। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কমাতে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ।

এমন পরিস্থিতিতে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগে নজর দিচ্ছে বেসরকারি সংস্থাগুলি। ইস্পাত এবং সিমেন্টের মতো মূল উপকরণগুলির চাহিদা তৈরি করতে কেন্দ্রীয় সরকারও পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যায় বরাদ্দ বাড়াতে চাইছে।

২০২০ সালে কোভিড অতিমারির পর থেকে বিভিন্ন মন্ত্রক এবং বিভাগগুলিতে ব্যয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টস (CAG)-এর প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সড়ক পরিবহণ এবং রেলপথের মতো ক্ষেত্রগুলিতে বার্ষিক বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ খরচ করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে সড়ক ও জাতীয় সড়ক মন্ত্রক। যা ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে এই খাতে বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ।

একই ভাবে, বেশ কয়েক বছর ধরে পিছিয়ে থাকা রেলের ব্যয়ও বেড়েছে। সম্পদ তৈরির জন্য ১.১ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে ভারতীয় রেল, যা বাজেট বরাদ্দের প্রায় ৮৪ শতাংশ।

সবমিলিয়ে, সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এ বারের বাজেটে বাড়তি উৎসাহ পেতে চলেছে এই দুই মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই আগত বছরের পরিকল্পনাগুলিও তৈরি করে ফেলেছে তারা। সেই মতোই নির্ধারিত হতে চলেছে সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ।

আরও পড়ুন: চাহিদা বাড়ায় দু’বছরে এই প্রথম লাভের মুখ দেখল টাটা মোটরস, আয় বাড়ল ২৩ শতাংশ

Continue Reading

খবর

চাহিদা বাড়ায় দু’বছরে এই প্রথম লাভের মুখ দেখল টাটা মোটরস, আয় বাড়ল ২৩ শতাংশ

২০২২-২৩ আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আয়-ব্যায়ের খতিয়ান পেশ করে এমনটাই জানিয়েছে দেশের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা।

Published

on

করোনা মহামারিতে মার খেয়েছিল গাড়ি বাজার। ধীরে ধীরে বেড়েছে চাহিদা। যাত্রীবাহী গাড়ির পাশাপাশি মাঝারি এবং ভারী বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে নির্মাতা টাটা মোটরস (Tata Motors) শেষ ত্রৈমাসিকে উল্লেখযোগ্য লাভের মুখ দেখেছে। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আয়-ব্যায়ের খতিয়ান পেশ করে এমনটাই জানিয়েছে দেশের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা।

ডিসেম্বরে শেষ হওয়া তৃতীয় ত্রৈমাসিকে টাটা মোটরসের একত্রিত নিট মুনাফার পরিমাণ ২ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকার বেশি। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের একই সময়ে নিট লোকসানের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫১৬ কোটি। এবং তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, চলতি আর্থিক বছরের সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে ৯৪৪ কোটি টাকার নিট লোকসানের কথা জানিয়েছিল সংস্থা।

এই সময়কালে সংস্থার অন্যতম গাড়ি জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার থেকে একত্রিত রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৪৮৮ কোটি। যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ২২.৫ শতাংশ।

সংস্থার দাবি, উল্লেখযোগ্য হারে লাভ বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে উত্তরোত্তর বেড়ে চলা গাড়ির চাহিদা। স্টক এক্সচেঞ্জে পেশ করা রিপোর্টে সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়ে তারা যথেষ্ট আশাবাদী। লাভজনক বৃদ্ধি, সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহের উন্নতি এবং স্থিতিশীল পণ্যের দামের উপর লক্ষ্য রাখছে সংস্থা।

আরও পড়ুন: সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

Continue Reading

Trending