Connect with us

কাজ ও কেরিয়ার

বাড়ছে তথ্য-প্রযুক্তিতে কর্মীর চাহিদা, প্রথম ত্রৈমাসিকে ৪০হাজারের বেশি কর্মী নিয়োগ করেছে TCS, Infosys, Wipro

২০২২ আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে এই তিনটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা প্রায় ৪০,০০০ কর্মী নিয়োগ করেছে।

Published

on

বিবি ডেস্ক : করোনা কালে নিয়োগের গ্রাফ নেমে গেছে তলানিতে। আর্থিক চাপের মুখে দাঁড়িয়ে নিয়োগকারী সংস্থাগুলি ছাঁটাই, মাইনে কমানোর রাস্তায় যেতে বাধ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আশার আলো দেখাচ্ছে তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা টিসিএস, উইপ্রো, ইনফোসিস।

২০২২ আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে এই তিনটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা প্রায় ৪০,০০০ কর্মী নিয়োগ করেছে। এই নিয়োগের সংখ্যা ২০২১ আর্থিক প্রথম দিকে ৯০০০ মতো পড়ে গিয়েছে।

উইপ্রোর চেয়ারম্যান ঋষদ প্রেমজি একটি চিঠিতে শেয়ারহোল্ডারদের জানিয়েছেন, অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোতে বড় ভূমিকা নেবে প্রযুক্তি। বাড়বে ডিজিট্যাল নির্ভরতা। এই পরিস্থিতিকে ভারতের আইটি সংস্থাগুলি কাজে লাগতে চাইছে। তাই তারা নিয়োগের দিকে ঝুঁকছে এবং ইনসেনটিভ দেওয়ার ক্ষেত্রে উদ্যোগ নিচ্ছে।

দেশের সেরা আইটি ফার্মগুলির নিয়োগ, প্রথম ত্রৈমাসিকের শেষে অর্থাৎ ৩০ জুন ২০২১-এর ৪০,০০০-এ দাঁড়িয়েছে। সংস্থাগুলি বড়সড় চুক্তি করার সঙ্গে সঙ্গে চাহিদা বাড়ছে তথ্য-প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের।

সম্প্রতি ইনফোসিস ২.৬ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করেছে। উইপ্রো আটটি বড় প্রকল্পের জন্য ৭১৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে। অন্যদিকে টিসিএস প্রথম ত্রৈমাসিক ৮.১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে।

টিসিএম এই ত্রৈমাসিক প্রায় ২০,০০০ কর্মী নিয়োগ করেছে। একটি ত্রৈমাসিকে এই পরিমাণ নিয়োগ কার্য়ত রেকর্ড। এর ফলে সংস্থাটির বর্তমান কর্মী সংখ্যা ৫ লক্ষ।

অন্যদিকে ইনফোসিস ৮,৩০০ এবং উইপ্রো ১২ হাজার কর্মী নিয়োগ করছে। যা গত এক দশকে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ।

টিসিএস প্রথম ত্রৈমাসিকে ৪০,০০০ ফ্রেশার্স নিয়োগ করবে। অন্যদিকে ইনফোসিস ৩৫,০০০ ফ্রেশার্স নিয়োগ করবে।

ইউপ্রো জানিয়েছে, তারা ক্যাম্পাস থেকে ৯০০০ কর্মী নিয়োগ করবে। এই বছরে আরও ৩৩ শতাংশ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

আরও পড়ুন

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ১১ শতাংশ DA বাড়ল

কাজ ও কেরিয়ার

কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দিতে জাতীয় স্তরে আগ্রহপত্র চাইল রাজ্য, আগ্রহী প্রায় ১০০ সংস্থা

কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দিতে জাতীয় স্তরে প্রশিক্ষক সংস্থাগুলির থেকে আগ্রহপত্র চাওয়া হয়েছিল রাজ্যের তরফে। কর্মকাণ্ডে শামিল হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছে প্রায় ১০০টি সংস্থা।

Published

on

রাজ্যে কর্মমুখী প্রশিক্ষণে (Job Oriented Training) জোর দেওয়ার উদ্যোগ বহু দিনের। এ বার সেই উদ্যোগকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল রাজ্য। কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দিতে জাতীয় স্তরে প্রশিক্ষক সংস্থাগুলির থেকে আগ্রহপত্র চাওয়া হয়েছিল রাজ্যের তরফে। কর্মকাণ্ডে শামিল হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছে প্রায় ১০০টি সংস্থা।

রাজ্যের উদ্যোগ

শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানকে সামনে রেখে তৃতীয় তৃণমূল সরকার কারিগরি শিক্ষায় বাড়তি জোর দিয়েছিল। যদিও বড় মাপের উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ এখনও সে ভাবে আসেনি রাজ্যে। এই পরিস্থিতিতে এ বার তারা কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করছে বিভিন্ন শিল্প সংস্থাকে। প্রশাসন সূত্রের দাবি, সরকারের এই উদ্যোগে প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মী নেবে টাটা-মহিন্দ্রার মতো সংস্থা। যেমন, ট্রাক্টর সার্ভিস বা সারাইয়ের প্রশিক্ষণ দেবে মহিন্দ্রা গোষ্ঠী (Mahindra and Mahindra)। টাটা মেটালিক্স (Tata Metaliks) শেখাবে সেরামিক-সহ নানা কাজ।

প্রশাসনের এক সূত্র বলছে, রাজ্যে কর্মমুখী প্রশিক্ষণে জোর দেওয়ার উদ্যোগ বহু দিনের। তবে এ বার কারিগরি শিক্ষার পুরনো ব্যবস্থায় বদল আনার চেষ্টা চলছে। সেই কাজ শুরু হচ্ছে শিল্পের সহযোগিতা নিয়ে। যেখানে বড় মাপের সংস্থাগুলি তাদের প্রয়োজন এবং চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিয়ে আগ্রহী চাকরিপ্রার্থীদের গড়েপিটে নেবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এর ফলে বাজার অনুযায়ী দক্ষতা অর্জন করবেন চাকরিপ্রার্থী। কর্মসংস্থান হবে দ্রুত। পশ্চিমবঙ্গের প্রতি আগ্রহ তৈরি হতে পারে বিভিন্ন বড় সংস্থার। বেসরকারি ক্ষেত্রের পাশাপাশি সরকারি স্তরেও প্রকল্প বাস্তবায়নে কর্মী-সহায়কদের পাঠ দেওয়ার প্রস্তুতি চালাচ্ছে কারিগরি দফতর। প্রশাসনিক পর্যবেক্ষকদের বক্তব্য, কাজের মানোন্নয়নও এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। কারণ, অনুদানভুক্ত প্রকল্পে নজরদারি ক্রমশ বাড়াচ্ছে কেন্দ্র।

কারা দিচ্ছে প্রশিক্ষণ

জানা যাচ্ছে, টাটা মেটালিক্স (Tata Metaliks) এবং মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রার (Mahindra and Mahindra) পাশাপাশি ওটিস (Otis), লার্সেন অ্যান্ড টুব্রোর (Larsen and Toubro) মতো সংস্থাও রাজ্যের বিভিন্ন আইটিআই-তে তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খড়্গপুরে কৃষি যন্ত্রাংশের চাহিদা আছে। সেখানে ট্রাক্টর সারাইয়ের প্রশিক্ষণ দেবে মহিন্দ্রা। টাটা মেটালিক্সের সেরামিক এবং অন্যান্য কাজে কর্মী প্রয়োজন। তাই সেই সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেবে তারা। বাকিরাও নিজেদের মতো করে দক্ষ কর্মী তৈরি করে নেবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সর্বভারতীয় স্তরের যে সংস্থাগুলি প্রশিক্ষণ দেবে তাদের খরচ মেটানো হবে রাজ্য ও কেন্দ্রের তহবিল থেকে। সংস্থা বাছার জন্য আলাদা কমিটি গড়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলিতে জিও ট্যাগ ও আধার-যুক্ত হাজিরার পরিকল্পনা আছে।

আরও পড়ুন: অনেকটাই বাড়ল গাড়ি বিক্রি, তবে সুদ বাড়ায় সতর্ক গাড়ি শিল্প

Continue Reading

কাজ ও কেরিয়ার

নামীদামি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার চেয়ে বেশি বেতন দিচ্ছে স্টার্টআপ, বলছে রিপোর্ট

ভারতে স্টার্টআপ সংস্থাগুলি কেমন বেতন দেয়? নামীদামি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার তুলনায় তা কেমন? মুনলাইটিং নিয়ে চলতি বিতর্কের মধ্যে আবার নতুন করে সামনে এসেছে এই প্রশ্ন।

Published

on

বিবি ডেস্ক: ভারতে স্টার্টআপ (Startup) সংস্থাগুলি কেমন বেতন দেয়? নামীদামি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার তুলনায় তা কেমন? মুনলাইটিং নিয়ে চলতি বিতর্কের মধ্যে আবার নতুন করে সামনে এসেছে এই প্রশ্ন। এ বার সেই প্রশ্নগুলির উত্তর কিছুটা হলেও পাওয়া গেল। টুইটারে পোস্ট হওয়া একটি থ্রেড অনুযায়ী নামীদামি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার চেয়ে বেশি বেতন দিচ্ছে স্টার্টআপ সংস্থাগুলি (Startup)।

কী দাবি

টুইটারের ওই থ্রেডে ৫০ হাজারেরও বেশি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের বেতন এবং তাঁদের বেতন বৃদ্ধির হিসাব দিয়ে দেখানো হয়েছে যে দেশীয় স্টার্টআপ এই ক্ষেত্রে বড় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে।

এই থ্রেডটা চালু করেছেন অমিত সিংহ নামে এক এক জন। তিনি উইকডে নামে একটি স্টার্টআপ সংস্থায় কাজ করেন। এই সংস্থা নামী তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় ইঞ্জিনিয়ার সরবরাহ করে। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বেতন নিয়ে বহু দিন ধরেই এই প্রশ্ন ছিল। আমি তথ্য দিয়ে সেই বিষয়ে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি’।

কত বেতন দেয় স্টার্টআপগুলি

থ্রেডে যে ইনফোগ্রাফিক দেওয়া হয়েছে সেই অনুযায়ী, দেশের ১০৭টি ইউনিকর্নের মধ্যে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের সবচেয়ে বেশি বেতন দেয় সমাজমাধ্যম সংস্থা শেয়ারচ্যাট (ShareChat)। চার বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ইঞ্জিনিয়ারদের সংস্থা বছরে প্রায় ৪৭ লক্ষ টাকা বেতন দেয়। এর পরেই নাম রয়েছে ফিনটেক সংস্থা ক্রেডের (CRED)। সেখানে বাৎসরিক বেতন প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা। এর পর রয়েছে মিশো (Meesho), সুইগি (Swiggy), ড্রিম ১১ (Deam11), ইনমবির (InMobi) মতো সংস্থা। এদের ক্ষেত্রে বেতন ৩৫ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা। তালিকার নীচের দিকে রয়েছে ওয়ো (Oyo), পেটিএম (PayTM), বাইজুসের (Byju’s) মতো সংস্থা। এখানে মোটামোটি বেতন ২০-২৫ লক্ষ টাকা। শপক্লুস (ShopClues) তাদের তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের বেতন দেয় বছরে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা।

স্টার্টআপে বেতন বৃদ্ধি কত

বেতনবৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই সব ইউনিকর্ন (Unicorn) আবার বেশ কৃপণ। ১০ শতাংশের বেশি বেতন বৃদ্ধি করে না এই সংস্থাগুলি। অমিতের মতে, এই কারণেই এক চাকরি ছেড়ে আর এক চাকরিতে যাওয়ার সংখ্যাটা অনেক বেশি।

তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার সঙ্গে পার্থক্য কতটা

এই রিপোর্ট অনুযায়ী ইনফোসিস (Infosys), টিসিএসের (TCS) মতো সংস্থার চেয়ে স্টার্টআপগুলি প্রায় ১৬০ শতাংশ বেশি বেতন দেয়। তবে স্টার্টআপগুলির চেয়ে গড়ে বেশি দিন এই সব বড় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মীরা চাকরি করেন।

আরও পড়ুন: দেশে ৫জি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, প্রথম ধাপে পরিষেবা মিলবে কলকাতা-সহ এই ১৩টি শহরে

Continue Reading

কাজ ও কেরিয়ার

কমছে বেকারত্ব, বেড়েছে শ্রমিকদের কাজে যোগ দেওয়ার অনীহাও

মে মাসে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ১১.৯ শতাংশ। সেখানে জুন মাসে তা কমে হয়েছে ৯.১৯ শতাংশ।

Published

on

কর্মসংস্থান

বিবি ডেস্ক : করোনা অতিমারীতে যেখানে মে মাসে বেকারত্বের হার কপালে ভাঁজ ফেলেছিল, সেখানে জুন মাস থেকে কিছুটা হলে স্বস্তির খবর দিল অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর মনিটারিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (CMII)।

মে মাসে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ১১.৯ শতাংশ। সেখানে জুন মাসে তা কমে হয়েছে ৯.১৯ শতাংশ। তবে এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল কোভিড পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়ার হার বেশ কম। পাশাপাশি কম কর্মসংস্থানেরও হারও।

CMII-এর পরিসংখ্যান বলছে, জুনে দেশের শহরগুলিতে বেকারত্বের হার অনেকটাই কমে গিয়েছে। মে মাসে শহরে বেকারত্বের হার ছিল ১৪.৭৩ শতাংশ, সেখানে জুনে তা কমে হয়েছে ১০.০৭ শতাংশ।

তবে দেশের গ্রামগুলিতে বেকারত্বের হার কমার গতি স্লথ। মে মাসে দেশের গ্রামগুলিতে বেকারত্বের হার ছিল ১০.৬৩ শতাংশ, সেখানে জুনে তা কমে হয়েছে ৮.৭৫ শতাংশ।

করোনা অতিমারীর কারণেই শ্রমিকরা কাজে যোগ দিচ্ছেন না বলে মনে করা হচ্ছে। তার উপর আশঙ্কা রয়েছে করোনার তৃতীয় ঢেউকে নিয়ে। তাই শ্রমিকদের একাংশ ভাবছেন তৃতীয় ঢেউ-এর কারণে ফের যদি লকডাউন হয় তবে ফের কারখানা বন্ধ হবে, তখন ঘরে ফের সমস্যা হয়ে যাবে। তাই কাজে যোগ দিতে অনেকেই অনীহা প্রকাশ করছেন।

সংস্থাটির মতে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে গড়ে শ্রমিকদের কাজে যোগ দেওয়ার হার ছিল ৪২.৭ শতাংশ। এপ্রিলে তা কমে দাঁড়ায় ৩৫.৬ শতাংশে। পরে আগস্টে তা সামান্য বেড়ে দাঁড়ায় ৪১ শতাংশে ।

এই হিসাব থেকে দেখা যাচ্ছে, কোভিড পূর্ববতী অবস্থার তুলনায় পরবর্তী পর্যায়ে শ্রমিকদের কাজে যোগ দেওয়ার প্রবণতা ১.৭ শতাংশ কম ছিল। চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে তা গড়ে হয়েছে ৪০ শতাংশ। জুনের শেষেও তা একই থাকবে বলে মত CMII-এর।

Continue Reading

Trending