Connect with us

ফিনান্স

ক্রেডিট কার্ডের পেমেন্টে দেরি? নতুন এই নিয়ম জানুন

ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহৃত টাকা নির্দিষ্ট সময়ে পরিশোধ করা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আর তা না করলে অতিরিক্ত চার্জ যুক্ত হয়ে যায়।

Published

on

আজকাল মানুষের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্রেডিট কার্ড (Credit card)। কেনাকাটা থেকে বিভিন্ন আর্থিক কাজের জন্য ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন। আপনি যদি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে থাকেন, তা হলে অবশ্যই নিয়মকানুনও জানেন। ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহৃত টাকা নির্দিষ্ট সময়ে পরিশোধ করা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আর তা না করলে অতিরিক্ত চার্জ যুক্ত হয়ে যায়।

সময়ে বিল না মেটালে জরিমানা

ক্রেডিট কার্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, নগদ টাকা ছাড়াই এতে কেনাকাটা করা যায়। সেটা শপিং মল হোক বা মুদি দোকান। এ ছাড়াও বিদ্যুৎ বিল, মোবাইল বিল মেটানোর মতো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা যায়। তবে সাধারণত বিল পরিশোধ করতে ভুলে গেলে জরিমানার মুখে পড়তে হয়।

তবে সম্প্রতি একটি নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। এর আওতায় বিল পরিশোধের নির্ধারিত তারিখে পেমেন্ট না করলেও নির্দিষ্ট দিন পর্যন্ত কোনো অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে না। শুধু তাই নয়, এর ফলে আপনার ক্রেডিট স্কোরেও (Credit score) কোনো প্রভাব পড়বে না। যদিও আরবিআই (RBI)-এর এই নিয়মেও শর্তও রয়েছে।

বিল মেটানোর নতুন নিয়ম

আরবিআই নির্দেশিকা অনুসারে, আপনি যদি সময়মতো আপনার ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া পরিশোধ করতে ভুলে যান, তা হলে বিলম্বে জন্য অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই তিনটি কাজের দিনের মধ্যে পরিশোধ করা যেতে পারে। এ ছাড়াও, আপনি যদি এই তিন দিনের মধ্যে পেমেন্ট করে দেন, তাহলে দেরিতে পরিশোধের কারণে আপনার ক্রেডিট স্কোর প্রভাবিত হবে না। তবে তিন দিন পার হয়ে গেলে লেট ফি লাগবে।

কোথায় কত জরিমানা

এই লেট ফি বিভিন্ন সংস্থায় বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, এসবিআই কার্ড এবং অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক ৫০,০০০ টাকা বা তার বেশি ব্যালেন্স পেমেন্টের জন্য যথাক্রমে ১,৩০০, ১,৩০০ এবং ১,০০০ পর্যন্ত চার্জ করে। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক ৫০,০০০ টাকা বা তার বেশি বকেয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১,২০০ টাকা লেট ফি চার্জ করে।

জেনে রাখা ভালো, নির্ধারিত তারিখের পরে যে পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হবে তার উপর সুদ, লেট ফি এবং ব্যালেন্স পেনাল্টি যুক্ত করা হয়। ব্যাঙ্ক এবং ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলি সাধারণত বকেয়া পরিমাণের উপর ভিত্তি করে পূর্ব-নির্ধারিত লেট পেমেন্ট ফি ধার্য করে। এর ফলে লেট ফি বকেয়া ব্যালেন্সের আকারের অনুপাতে বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন: জানুয়ারি মাসে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে ১৪ দিন, রইল পূর্ণাঙ্গ তালিকা

ফিনান্স

বাজেটে আয়কর স্ল্যাবে পরিবর্তন, জানুন নতুন ও পুরনো কর ব্যবস্থার খুঁটিনাটি

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী?

Published

on

আয়করে ছাড় মিলবে। ছাড় দেবে সরকার। কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে এমন সব খবরেই আশার বহর বাড়ছিল সাধারণ মানুষের। গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আয়করের স্ল্য়াব পরিবর্তনের বড়ো ঘোষণা করেছেন তিনি। করদাতাদের দাবি পূরণ করে, আয়কর স্ল্যাবের আওতা থেকে ৭ লক্ষের কম আয়ের মানুষকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

অর্থমন্ত্রী সংসদে ঘোষণা করেছেন, কোনো ব্যক্তি যদি নতুন কর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, তাহলে এমন পরিস্থিতিতে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর এক টাকাও কর দিতে হবে না। অর্থমন্ত্রী ২০২০ সালের বাজেটে নতুন কর ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।

নতুন কর ব্যবস্থা

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী? অর্থমন্ত্রীর ব্কতৃতাতেই স্পষ্ট, নতুন কর ব্যবস্থায়, আপনাকে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো রকমের আয়কর দিতে হবে না। এই ক্ষেত্রে, সরকার ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স রিবেট পাওয়া যায়। নতুন আয়কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ স্ল্যাবে ২০ শতাংশ এবং ১৫ লক্ষ টাকার উপরে সর্বোচ্চ হারে ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

পুরনো কর ব্যবস্থা

পুরনো কর ব্যবস্থা অনুসারে, ৫ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হয় না কারণ ১২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যায়। পুরনো কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন ৩ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। অন্যদিকে, ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ২০ শতাংশ। ১৫ লক্ষ টাকার উপরে আয়ের উপর ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

কত বার বদলানো যাবে?

এমন পরিস্থিতিতে, নতুন এবং পুরানো কর ব্যবস্থায় আসার পরে, ব্যবহারকারীরা এই দু’টির মধ্যে যে কোনো একটি বেছে নিতে পারবেন। নির্দিষ্ট কিছু করদাতা প্রতি বছর নতুন এবং পুরনো কর ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে পারেন। যেমন একজন বেতনভোগী ব্যক্তি, ভাড়া থেকে উপার্জনকারী ব্যক্তি প্রতিবার ট্যাক্স স্ল্যাব পরিবর্তন করতে পারেন। অন্যদিকে, ব্যবসা থেকে আয়ের অর্থ হলে, অর্থাৎ ব্যবসায়ী ব্যক্তিরা একবার ট্যাক্স ব্যবস্থা পরিবর্তন করলে, তিনি আবার পুরানো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: সস্তায় ‘ভারত আটা’ বিক্রি করবে সরকার, জানুন দাম কত

Continue Reading

খবর

পোস্ট অফিসের জনপ্রিয় সব সঞ্চয় প্রকল্প, জানুন সর্বশেষ সুদের হার

বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

Published

on

বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় বা পোস্ট অফিস স্কিমের সুবিধা দিয়ে থাকে সরকার। এগুলো অনেকেরই ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা পূরণ করে থাকে। এই সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হার তিন মাসে একবার (প্রতি ত্রৈমাসিক) সংশোধন করা হয়। এক দিকে সরকারি সমর্থন, অন্য দিকে নিশ্চিত রিটার্ন পাওয়ার কারণে একটা বড়ো অংশের বিনিয়োগকারীদের কাছে জনপ্রিয় স্কিমগুলির মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি। অন্য দিকে বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

অর্থমন্ত্রকের সর্বশেষ সার্কুলারে ঘোষণা করা হয়, চলতি ত্রৈমাসিকে পিপিএফ-এ ৭.১০ শতাংশ, এনএসসি-তে ৭.০০ শতাংশ, মান্থলি ইনকাম স্কিমে (MIS)৭.১০ শতাংশ হারে সুদ পাবেন গ্রাহকরা।

এক নজরে দেখে নিন বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে কার্যকর সুদের হার (Interest Rates)-

স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প১ জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত সুদের হারকী ভাবে জমা হবে
সেভিংস ডিপোজিট৪%বার্ষিক
১ বছর মেয়াদি আমানত৬.৬০%ত্রৈমাসিক
২ বছর মেয়াদি আমানত৬.৮০%ত্রৈমাসিক
৩ বছর মেয়াদি আমানত৬.৯০%ত্রৈমাসিক
৫ বছর মেয়াদি আমানত৭.০০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের রেকারিং৫.৮০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম৮.০০%ত্রৈমাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের মাসিক আয় প্রকল্প৭.১০%মাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের জাতীয় সঞ্চয় শংসাপত্র৭.০০%বার্ষিক
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম৭.১০%বার্ষিক
কিষান বিকাশ পত্র৭.২০% (১২৪ মাসে ম্যাচুরিটি)বার্ষিক
সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্ট স্কিম৭.৬০%বার্ষিক
সূত্র: অর্থমন্ত্রকের সার্কুলার
Continue Reading

ফিনান্স

সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

Published

on

নিজের একটা বাড়ি বা ফ্ল্যাট। এমন স্বপ্ন অনেকেরই। কিন্তু এর জন্য দরকার বড়ো অঙ্কের টাকার। বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট কেনার জন্য যে কারণে বেশির ভাগ ক্রেতাই শরণাপন্ন হন ব্যাঙ্ক অথবা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। যেখানে সহজ মাসিক কিস্তিতে গৃহঋণ (Home loan) নিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব।

একটি নির্দিষ্ট সুদের হারে ঋণ দেয় ব্যাঙ্ক। যার জন্য গ্রাহককে প্রতি মাসে ইএমআই (EMI) দিতে হয়। বেঁধে দেওয়া হয় ঋণ পরিশোধের সময়সীমা। সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

অন্যদিকে, যত দিন না ঋণ পরিশোধ হচ্ছে, ততদিন গ্রাহকের বাড়ির কাগজপত্র ব্যাঙ্কের কাছে জমা থাকে। অর্থাৎ, ঋণের পরিমাণ সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির মালিকানা ব্যাঙ্কের হাতেই। এই কারণে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি পরিশোধ করা উচিত। দ্রুত এই ঋণ মিটিয়ে দিয়ে ঝক্কি কমানোর কিছু বিকল্প পথও রয়েছে।

গৃহঋণ তাড়াতাড়ি পরিশোধ করতে, প্রতি বছর লোনের ব্যালেন্সের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ জমা করতে পারেন। এতে করে মূল পরিমাণ কমে যায় এবং ২০ বছরের ঋণ ১২ বছরে সম্পূর্ণ করা যায়।

আরও একটি বিকল্পের মধ্যে রয়েছে বছরে বাড়তি ইএমআই জমা করার পদ্ধতি। আপনি যদি গৃহঋণ তাড়াতাড়ি মিটিয়ে দিতে চান তবে ১২-র পরিবর্তে বছরে ১৩টি ইএমআই দিন৷ প্রতি বছর যদি অতিরিক্ত একটি ইএমআই জমা করে, তা হলে ২০ বছরের ঋণ শেষ শেষ হয়ে যাবে ১৭ বছরে।

তবে সব কিছুই নির্ভর করছে গ্রাহকের মাসিক আয়ের উপর। কারণ, এমনিতেই গৃহঋণের ইএমআই বেশ বড়ো হয়। যদি বাড়তি অর্থের সংস্থান হয়ে যায়, তা হলে ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে আপনি পূর্বনির্ধারিত ইএমআই-এর পরিমাণও বাড়িয়ে নিতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে, মাসিক কিস্তি ৫ শতাংশ বাড়িয়ে নিলে ২০ বছরের ঋণ ১৩ বছরেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: কলকাতায় প্রথম শাখা খুলল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক

Continue Reading

Trending