Connect with us

কাজ ও কেরিয়ার

নামীদামি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার চেয়ে বেশি বেতন দিচ্ছে স্টার্টআপ, বলছে রিপোর্ট

ভারতে স্টার্টআপ সংস্থাগুলি কেমন বেতন দেয়? নামীদামি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার তুলনায় তা কেমন? মুনলাইটিং নিয়ে চলতি বিতর্কের মধ্যে আবার নতুন করে সামনে এসেছে এই প্রশ্ন।

Published

on

বিবি ডেস্ক: ভারতে স্টার্টআপ (Startup) সংস্থাগুলি কেমন বেতন দেয়? নামীদামি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার তুলনায় তা কেমন? মুনলাইটিং নিয়ে চলতি বিতর্কের মধ্যে আবার নতুন করে সামনে এসেছে এই প্রশ্ন। এ বার সেই প্রশ্নগুলির উত্তর কিছুটা হলেও পাওয়া গেল। টুইটারে পোস্ট হওয়া একটি থ্রেড অনুযায়ী নামীদামি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার চেয়ে বেশি বেতন দিচ্ছে স্টার্টআপ সংস্থাগুলি (Startup)।

কী দাবি

টুইটারের ওই থ্রেডে ৫০ হাজারেরও বেশি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের বেতন এবং তাঁদের বেতন বৃদ্ধির হিসাব দিয়ে দেখানো হয়েছে যে দেশীয় স্টার্টআপ এই ক্ষেত্রে বড় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে।

এই থ্রেডটা চালু করেছেন অমিত সিংহ নামে এক এক জন। তিনি উইকডে নামে একটি স্টার্টআপ সংস্থায় কাজ করেন। এই সংস্থা নামী তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় ইঞ্জিনিয়ার সরবরাহ করে। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বেতন নিয়ে বহু দিন ধরেই এই প্রশ্ন ছিল। আমি তথ্য দিয়ে সেই বিষয়ে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি’।

Advertisement

কত বেতন দেয় স্টার্টআপগুলি

থ্রেডে যে ইনফোগ্রাফিক দেওয়া হয়েছে সেই অনুযায়ী, দেশের ১০৭টি ইউনিকর্নের মধ্যে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের সবচেয়ে বেশি বেতন দেয় সমাজমাধ্যম সংস্থা শেয়ারচ্যাট (ShareChat)। চার বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ইঞ্জিনিয়ারদের সংস্থা বছরে প্রায় ৪৭ লক্ষ টাকা বেতন দেয়। এর পরেই নাম রয়েছে ফিনটেক সংস্থা ক্রেডের (CRED)। সেখানে বাৎসরিক বেতন প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা। এর পর রয়েছে মিশো (Meesho), সুইগি (Swiggy), ড্রিম ১১ (Deam11), ইনমবির (InMobi) মতো সংস্থা। এদের ক্ষেত্রে বেতন ৩৫ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা। তালিকার নীচের দিকে রয়েছে ওয়ো (Oyo), পেটিএম (PayTM), বাইজুসের (Byju’s) মতো সংস্থা। এখানে মোটামোটি বেতন ২০-২৫ লক্ষ টাকা। শপক্লুস (ShopClues) তাদের তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের বেতন দেয় বছরে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা।

স্টার্টআপে বেতন বৃদ্ধি কত

বেতনবৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই সব ইউনিকর্ন (Unicorn) আবার বেশ কৃপণ। ১০ শতাংশের বেশি বেতন বৃদ্ধি করে না এই সংস্থাগুলি। অমিতের মতে, এই কারণেই এক চাকরি ছেড়ে আর এক চাকরিতে যাওয়ার সংখ্যাটা অনেক বেশি।

তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার সঙ্গে পার্থক্য কতটা

এই রিপোর্ট অনুযায়ী ইনফোসিস (Infosys), টিসিএসের (TCS) মতো সংস্থার চেয়ে স্টার্টআপগুলি প্রায় ১৬০ শতাংশ বেশি বেতন দেয়। তবে স্টার্টআপগুলির চেয়ে গড়ে বেশি দিন এই সব বড় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মীরা চাকরি করেন।

Advertisement

আরও পড়ুন: দেশে ৫জি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, প্রথম ধাপে পরিষেবা মিলবে কলকাতা-সহ এই ১৩টি শহরে

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কাজ ও কেরিয়ার

বাড়ছে তথ্য-প্রযুক্তিতে কর্মীর চাহিদা, প্রথম ত্রৈমাসিকে ৪০হাজারের বেশি কর্মী নিয়োগ করেছে TCS, Infosys, Wipro

২০২২ আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে এই তিনটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা প্রায় ৪০,০০০ কর্মী নিয়োগ করেছে।

Published

on

বিবি ডেস্ক : করোনা কালে নিয়োগের গ্রাফ নেমে গেছে তলানিতে। আর্থিক চাপের মুখে দাঁড়িয়ে নিয়োগকারী সংস্থাগুলি ছাঁটাই, মাইনে কমানোর রাস্তায় যেতে বাধ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আশার আলো দেখাচ্ছে তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা টিসিএস, উইপ্রো, ইনফোসিস।

২০২২ আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে এই তিনটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা প্রায় ৪০,০০০ কর্মী নিয়োগ করেছে। এই নিয়োগের সংখ্যা ২০২১ আর্থিক প্রথম দিকে ৯০০০ মতো পড়ে গিয়েছে।

উইপ্রোর চেয়ারম্যান ঋষদ প্রেমজি একটি চিঠিতে শেয়ারহোল্ডারদের জানিয়েছেন, অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোতে বড় ভূমিকা নেবে প্রযুক্তি। বাড়বে ডিজিট্যাল নির্ভরতা। এই পরিস্থিতিকে ভারতের আইটি সংস্থাগুলি কাজে লাগতে চাইছে। তাই তারা নিয়োগের দিকে ঝুঁকছে এবং ইনসেনটিভ দেওয়ার ক্ষেত্রে উদ্যোগ নিচ্ছে।

Advertisement

দেশের সেরা আইটি ফার্মগুলির নিয়োগ, প্রথম ত্রৈমাসিকের শেষে অর্থাৎ ৩০ জুন ২০২১-এর ৪০,০০০-এ দাঁড়িয়েছে। সংস্থাগুলি বড়সড় চুক্তি করার সঙ্গে সঙ্গে চাহিদা বাড়ছে তথ্য-প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের।

সম্প্রতি ইনফোসিস ২.৬ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করেছে। উইপ্রো আটটি বড় প্রকল্পের জন্য ৭১৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে। অন্যদিকে টিসিএস প্রথম ত্রৈমাসিক ৮.১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে।

টিসিএম এই ত্রৈমাসিক প্রায় ২০,০০০ কর্মী নিয়োগ করেছে। একটি ত্রৈমাসিকে এই পরিমাণ নিয়োগ কার্য়ত রেকর্ড। এর ফলে সংস্থাটির বর্তমান কর্মী সংখ্যা ৫ লক্ষ।

Advertisement

অন্যদিকে ইনফোসিস ৮,৩০০ এবং উইপ্রো ১২ হাজার কর্মী নিয়োগ করছে। যা গত এক দশকে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ।

টিসিএস প্রথম ত্রৈমাসিকে ৪০,০০০ ফ্রেশার্স নিয়োগ করবে। অন্যদিকে ইনফোসিস ৩৫,০০০ ফ্রেশার্স নিয়োগ করবে।

ইউপ্রো জানিয়েছে, তারা ক্যাম্পাস থেকে ৯০০০ কর্মী নিয়োগ করবে। এই বছরে আরও ৩৩ শতাংশ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

Advertisement

আরও পড়ুন

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ১১ শতাংশ DA বাড়ল

Advertisement
Continue Reading

কাজ ও কেরিয়ার

কমছে বেকারত্ব, বেড়েছে শ্রমিকদের কাজে যোগ দেওয়ার অনীহাও

মে মাসে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ১১.৯ শতাংশ। সেখানে জুন মাসে তা কমে হয়েছে ৯.১৯ শতাংশ।

Published

on

কর্মসংস্থান

বিবি ডেস্ক : করোনা অতিমারীতে যেখানে মে মাসে বেকারত্বের হার কপালে ভাঁজ ফেলেছিল, সেখানে জুন মাস থেকে কিছুটা হলে স্বস্তির খবর দিল অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর মনিটারিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (CMII)।

মে মাসে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ১১.৯ শতাংশ। সেখানে জুন মাসে তা কমে হয়েছে ৯.১৯ শতাংশ। তবে এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল কোভিড পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়ার হার বেশ কম। পাশাপাশি কম কর্মসংস্থানেরও হারও।

CMII-এর পরিসংখ্যান বলছে, জুনে দেশের শহরগুলিতে বেকারত্বের হার অনেকটাই কমে গিয়েছে। মে মাসে শহরে বেকারত্বের হার ছিল ১৪.৭৩ শতাংশ, সেখানে জুনে তা কমে হয়েছে ১০.০৭ শতাংশ।

Advertisement

তবে দেশের গ্রামগুলিতে বেকারত্বের হার কমার গতি স্লথ। মে মাসে দেশের গ্রামগুলিতে বেকারত্বের হার ছিল ১০.৬৩ শতাংশ, সেখানে জুনে তা কমে হয়েছে ৮.৭৫ শতাংশ।

করোনা অতিমারীর কারণেই শ্রমিকরা কাজে যোগ দিচ্ছেন না বলে মনে করা হচ্ছে। তার উপর আশঙ্কা রয়েছে করোনার তৃতীয় ঢেউকে নিয়ে। তাই শ্রমিকদের একাংশ ভাবছেন তৃতীয় ঢেউ-এর কারণে ফের যদি লকডাউন হয় তবে ফের কারখানা বন্ধ হবে, তখন ঘরে ফের সমস্যা হয়ে যাবে। তাই কাজে যোগ দিতে অনেকেই অনীহা প্রকাশ করছেন।

সংস্থাটির মতে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে গড়ে শ্রমিকদের কাজে যোগ দেওয়ার হার ছিল ৪২.৭ শতাংশ। এপ্রিলে তা কমে দাঁড়ায় ৩৫.৬ শতাংশে। পরে আগস্টে তা সামান্য বেড়ে দাঁড়ায় ৪১ শতাংশে ।

Advertisement

এই হিসাব থেকে দেখা যাচ্ছে, কোভিড পূর্ববতী অবস্থার তুলনায় পরবর্তী পর্যায়ে শ্রমিকদের কাজে যোগ দেওয়ার প্রবণতা ১.৭ শতাংশ কম ছিল। চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে তা গড়ে হয়েছে ৪০ শতাংশ। জুনের শেষেও তা একই থাকবে বলে মত CMII-এর।

Continue Reading

Trending