Connect with us

খবর

আয়করের অতিরিক্ত টাকা ফেরত পাচ্ছেন না? চিন্তা নেই, অম্বাডসম্যান দফতর আছে তো

হয়রানি থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে ইনকাম ট্যাক্স অম্বাডসম্যানের দফতর। আয়কর নিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সুরাহার জন্য আর্জি জানানো যায় এখানে।

Published

on

আয়কর দফতরে (Income Tax Department) অভিযোগ জানিয়ে হয়রান হতে হয় বহু মানুষকে। এই হয়রানি থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে ইনকাম ট্যাক্স অম্বাডসম্যানের (Ombudsman) দফতর। আয়কর নিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সুরাহার জন্য আর্জি জানানো যায় এখানে।

অম্বাডসম্যানের দ্বারস্থ হওয়া যায় কখন

ধরা যাক, কর হিসেবে আপনার যত টাকা জমা দেওয়ার কথা, আপনার কাটা গিয়েছে তার থেকেও বেশি টাকা। অথচ দীর্ঘ দিন কেটে যাওয়ার পরেও সেই টাকা ফেরত পাননি। আবার অন্য দিকে কারও হয়তো টিডিএস (TDS) কাটা হয়েছে। কিন্তু পরে আপনি দেখলেন যে তা আয়কর দফতরের ঘরে জমা পড়েনি। এই একাধিক সমস্যার নিরিখে আয়কর দফতরকে চিঠি লিখলেও কোনও সুরাহা হয় না। উল্টে হেনস্থা হন আয়করদাতা। প্রাপ্য টাকা ফেরত পেতে কিংবা অন্য কোনও প্রাপ্য পরিষেবা আদায় করতে হয়রান হতে হয় তাঁদের। এই সব ক্ষেত্রে আয়কর অম্বাডসম্যানের (Ombudsman) কাছে যাওয়া যেতে পারে। ঠিক যে ভাবে ব্যাঙ্ক কিংবা বিমা সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে তাদের অম্বাডসম্যানের দ্বারস্থ হওয়া যায়।

২০০৫ সালে তৈরি হয় আয়কর অম্বাডসম্যানের দফতর। পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২টি রাজ্যে এই দফতর রয়েছে। এ রাজ্যের দফতরটি কলকাতায়, আয়করের সদর দফতরে।

কী অভিযোগ জানানো যায়

আয়কর সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইনকাম ট্যাক্স অম্বাডসম্যানের (Ombudsman) কাছে অভিযোগ জানানো যায়। অ্যাসেসমেন্টের পর যে সমস্ত পরিষেবা আয়কর দফতরের কাছ থেকে আপনার প্রাপ্য, তা পাওয়া না গেলে অম্বাডসম্যানের (Ombudsman) দফতরে অভিযোগ দায়ের করা যেতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ, রিফান্ড না পাওয়া বা পেতে দেরি হলে আপনি এখানে অভিযোগ জানাতে পারেন। যত টাকা আয়কর কারও দেওয়ার কথা, কোনও কারণে তার থেকে বেশি টাকা কাটা হয়ে থাকলে ওই বাড়তি অঙ্ক অবশ্যই তাঁর ফেরত পাওয়ার কথা। কিন্তু অনেক সময় দীর্ঘ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও রিফান্ডের টাকা হাতে পান না করদাতা। অনেক সময় আবার টাকা ফেরত পেলেও তার উপর প্রাপ্য সুদ মেলে না। এমনকি সুরাহা হয় না সংশ্লিষ্ট আয়কর দফতরে চিঠি লিখেও। তখন ভরসা অম্বাডসম্যানই।

অম্বাডসম্যানের ক্ষমতা কতটা

এ ছাড়া সুদ মকুবের সুবিধা না পাওয়া গেলেও অভিযোগ করা যেতে পারে এখানে। সময়ে বকেয়া কর মেটালে অনেক ক্ষেত্রে করদাতার সুদ মকুবের সুবিধা পাওয়ার যায়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আয়কর দফতরের কাছে আবেদন করা সত্ত্বেও তারা বিষয়টি ফেলে রেখেছে। সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। এই সমস্ত ক্ষেত্রে অম্বাডসম্যানের (Ombudsman) কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন। শেষ পর্যন্ত সুদ মকুব করা হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার অবশ্য তাঁর নেই। কিন্তু আয়কর দফতর যাতে এই ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে তা জানিয়ে দেয়, সেই বিষয়টি অম্বাডসম্যান নিশ্চিত করতে পারেন।

আরও পড়ুন: আরও নীচে নামবে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি? আশঙ্কা কেন্দ্রের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টার কথায়

খবর

কলকাতা-সহ দেশের ৮টি বড়ো শহরে বেড়েছে আবাসনের দাম

গত ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২-এ আবাসনের দাম বেড়েছে গড়ে ৭ শতাংশ।

Published

on

নয়াদিল্লি: বেড়েছে নির্মাণ সামগ্রীর দাম। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দেশের আটটি বড়ো শহর জুড়ে আবাসনের দাম। একটি সমীক্ষায় দাবি, “গত ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২-এ আবাসনের দাম বেড়েছে গড়ে ৭ শতাংশ।”

অতিমারির পর বাড়ি-ফ্ল্যাটের দাম বেড়েছে। মাথা তুলেছে ঋণে সুদের হার। কিন্তু স্থায়ী ঠিকানার চাহিদা এবং বাড়ি থেকে কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবাসনের চাহিদাও বাড়ছে। এর ফলে আগামী দিনে সেই দাম আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে আবাসনের দামবৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করেছে PropTiger.com।

সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, আবাসনের দাম বাড়লেও তা বিক্রির উপর সে ভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি। সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় অতিমারি পর্বেই নির্মাণ সামগ্রীর দাম বাড়তে শুরু করেছিল। তা সত্ত্বেও সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর চাহিদার পালে হাওয়া লাগে। সেই চাহিদা অব্যাহত রয়েছে।

২০১৬-২১ সময়কালে আবাসনের দাম অনেকাংশে স্থিতিশীল ছিল। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলে এমন একটি কারণে নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়ে যায়। নির্মাণ সামগ্রীর দাম বাড়তেই আবাসনের দাম বাড়াতে বাধ্য হন বিল্ডাররা।

সমীক্ষা রিপোর্ট অনুসারে, গুরুগ্রামে প্রায় ১৩ শতাংশ দাম বেড়েছে। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। অন্য দিকে, বেঙ্গালুরু এবং দিল্লি-এনসিআরে ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, তারপরে পুনে ৮ শতাংশ। অমদাবাদ এবং কলকাতায় বৃদ্ধি হয়েছে ৭ শতাংশ।

গুরুগ্রামে এখন আবাসনের প্রতি স্কোয়ার ফুটের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ৭০০০-৭২০০ টাকা। দিল্লি-এনসিআরে ৪৮০০-৫০০০ টাকা প্রতি স্কোয়ার ফুট। তবে নয়ডাতে ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি স্কোয়ার ফুটের গড় দাম ৫৪০০-৫৬০০ টাকা। কলকাতা এবং মুম্বইয়ে যা যথাক্রমে ৪৬০০-৪৮০০ টাকা এবং ১০১০০-১০৩০০ টাকা।

আরও পড়ুন: ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

Continue Reading

খবর

উইপ্রোর পর ইনফোসিস, বরখাস্ত ৬০০ ফ্রেশার

অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ প্রায় ৬০০ জন ফ্রেশারকে বরখাস্ত করল আরেক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিস।

Published

on

কয়েক দিন আগেই অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়া ফ্রেশারদের ছাঁটাই করেছিল ভারতের অন্যত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা উইপ্রো (Wipro)। মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশ, কতকটা একই কারণে প্রায় ৬০০ জন ফ্রেশারকে বরখাস্ত করল আরেক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিস (Infosys)।

বরখাস্ত হওয়া ফ্রেশারের মন্তব্য উদ্ধৃত করে বিজনেস টুডে-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের আগস্টে ইনফোসিসে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। তাঁকে এসএপি এপিএপি (SAP ABAP) স্ট্রিমের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। তবে ১৫০ জনের টিমে মাত্র ৬০ জন ফ্রেশার অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় পাশ করেছেন। অনুত্তীর্ণদের সবাইকে ছাঁটাই করা হয়েছে। যাঁরা জুলাইয়ে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে মোট ১৫০ জনের মধ্যে ৮৫ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অন্য দিকে, সংস্থার এক প্রতিনিধির পাল্টা যুক্তি, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে বরাবরই চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়।

বলে রাখা ভালো, ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে ইনফোসিসের কর্মী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮৪৫ জন। যা আগের ত্রৈমাসিকে ছিল ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ২১৮ জন। আগের ত্রৈমাসিকে ১০ হাজার কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়েছিল সংস্থা। তবে বাস্তবে তা ১ হাজার ৬২৭-এই থমকে যায়। অন্য দিকে, সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে যেখানে স্বেচ্ছাবসরের হার ছিল ২৭.১ শতাংশ, সেখানে ডিসেম্বরে কিছুটা নেমে থিতু হয় ২৫.৫ শতাংশে।

উল্লেখ্য, এর আগে, খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পরে ফ্রেশারদের বরখাস্ত করেছিল উইপ্রো।

আরও পড়ুন: ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

Continue Reading

খবর

ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। এরই মধ্যে ভারতীয় স্টার্টআপ সেক্টর থেকে কাজ হারিয়েছেন প্রায় হাজারদুয়েক কর্মী।

Published

on

চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রায় ৯২.৬ কোটি ডলারের ২২টি ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে ভারতীয় স্টার্টআপগুলি। এ বছরে তাদের সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। এরই মধ্যে ভারতীয় স্টার্টআপ সেক্টর থেকে কাজ হারিয়েছেন প্রায় হাজারদুয়েক কর্মী।

মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশ, প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলি জানুয়ারিতে ৬৭টি ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে। ১২টি স্টার্টআপ (তারা লেনদেনের তথ্য প্রকাশ করেনি) বাদে প্রত্যেকেই সেই চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রকাশ করেছে। জানা গিয়েছে, তাদের সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১৬.৫ কোটি ডলার।

স্টার্টআপ নিউজ পোর্টাল Entrackr-এর তথ্য উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলির গড় চুক্তির আকার ছিল প্রায় ৪০ লক্ষ এবং তারা এই বছর ১২০ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে। অন্য দিকে, মানিকন্ট্রোল-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১৪টি স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ২১০০-র বেশি কর্মী ছাঁটাই করেছে।

উল্লেখযোগ্য ভাবে, ভারতীয় স্টার্টআপগুলির মধ্যে, ডিজিটাল পেমেন্ট অ্যাপ কোম্পানি PhonePe জানুয়ারি মাসে মোট ৩৫ কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহ করেছে, যখন CreditKey সংগ্রহ করেছে ১২ কোটি। এই দুটি স্টার্টআপ কোম্পানিই মোট তহবিলের ৪০ শতাংশ সংগ্রহ করেছে।

সবচেয়ে বেশি ডিল পেয়েছে ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলি। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেঙ্গালুরুতে ৬০টি চুক্তি করা হয়েছে, যখন দিল্লি এনসিআরে ১৫টি চুক্তি করা হয়েছে। একই সময়ে, ভারতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম জানুয়ারিতে সমস্ত বিভাগে ১৮টি সংস্থার সংযুক্তিকরণ এবং অধিগ্রহণ করেছে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২২ সালের এই একই সময়ের তুলনায় এ বছর বেশি চুক্তি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ট্রেনে বসেই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পছন্দের খাবার, জানুন বিস্তারিত

Continue Reading

Trending