Connect with us

শেয়ার বাজার

আসছে একাধিক আইপিও, চোখ রাখতে পারেন এই সংস্থায়

দেশের পরিচিত একটি বৈদ্যুতিন সামগ্রী উৎপাদন পরিষেবা সংস্থা এলিন ইলেক্ট্রনিক্স-এর আইপিও আসছে আগামী ২০ ডিসেম্বর।

Published

on

আগামী সপ্তাহে ভারতীয় স্টক মার্কেটে আসছে বেশ কয়েকটি আইপিও (IPO)। আপনি যদি আইপিও-তে বিনিয়োগে আগ্রহী হন, তা হলে কাজে লাগাতে পারেন এই সুযোগকে।

এলিন ইলেক্ট্রনিক্সের আইপিও

দেশের পরিচিত একটি বৈদ্যুতিন সামগ্রী উৎপাদন পরিষেবা সংস্থা এলিন ইলেক্ট্রনিক্স (Elin Electronics)-এর আইপিও আসছে আগামী ২০ ডিসেম্বর। বিনিয়োগকারীদের সাবস্ক্রিপশনের জন্য খুলতে যাচ্ছে। এতে বিনিয়োগকারীরা দু’দিন পর অর্থাৎ ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থ বিনিয়োগ করতে পারবেন। তবে অ্যাঙ্কর বিনিয়োগকারীদের জন্য তা খোলা হবে ১৯ ডিসেম্বর।

আইপিও-র ইস্যু আকার

এই কোম্পানির আইপিও-র ইস্যু আকার রাখা হয়েছে ৪৭৫ কোটি টাকা। একই সময়ে, কোম্পানিটি এর জন্য শেয়ার প্রতি ২৩৪-২৪৭ টাকা প্রাইস ব্যান্ড নির্ধারণ করেছে। একটি লট সাইজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ৬০টি শেয়ার।

তিনটি ভাগে সংরক্ষিত শেয়ার

এলিন ইলেকট্রনিক্সের আইপিওতে শেয়ার সংরক্ষিত হয়েছে তিনটি ভাগে। এতে, যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতাদের (QIB) জন্য ৫০ শতাংশ এবং অ-প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (NII) জন্য ১৫ শতাংশ এবং খুচরো বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৫ শতাংশ শেয়ার সংরক্ষিত হয়েছে। সংস্থাটি আইপিও থেকে সংগৃহীত তহবিল নিজের ঋণ পরিশোধ এবং মূলধন ব্যয়ের জন্য ব্যবহার করবে।

কেন আইপিও-র আকার কমল

সংস্থা নিজের আইপিওর আকার কমিয়ে ৪৭৫ কোটি টাকা করেছে। আইপিওর অধীনে, কোম্পানিটি ১৭৫ কোটি টাকার নতুন শেয়ার ইস্যু করবে। বর্তমান প্রোমোটার এবং শেয়ারহোল্ডাররা অফার ফর সেল (OFS)-এর মাধ্যমে ৩০০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করবেন। এর আগে সংস্থা জানিয়েছিল, তারা ৭৬০ কোটি টাকার আইপিও আনতে চলেছে। কিন্তু যারা শেয়ার বিক্রি করেছেন, তাঁদের মধ্যে বর্তমান প্রোমোটার ভাসুধা শেঠিয়া, কমল শেঠিয়া, সুমন শেঠিয়া, বিজয় সিং শেঠিয়া, কমল শেঠিয়া অ্যান্ড সন্স এইচইউএফ এবং অন্যান্যরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

কত টাকা বিনিয়োগ?

এলিন ইলেকট্রনিক্সের আইপিও-র জন্য প্রাইস ব্যান্ড রাখা হয়েছে প্রতি শেয়ারে ২৩৪-২৪৭ টাকা। এই আইপিওর জন্য প্রতি লটে ৬০টি শেয়ার নির্ধারণ করা হয়েছে। উপরের প্রাইস ব্যান্ড থেকে এই আইপিওতে সাবস্ক্রাইব করার জন্য কমপক্ষে ১৪.৮২০ টাকা প্রয়োজন। এছাড়াও, আপনি সর্বোচ্চ ১৪টি লটের জন্য এতে ২০৭৪৮০ টাকা বিনিয়োগ করতে পারেন।

আরও পড়ুন: এফএমজিসি বাজারে নাম লেখাচ্ছে রিলায়েন্স, নিয়ে এল প্যাকেজড পণ্য ব্র্যান্ড ‘ইন্ডিপেনডেন্স’

খবর

বাজারে অত্যাধিক অস্থিরতার মোকাবিলায় নজরদারি বজায় আছে, আদানি প্রসঙ্গে SEBI

বিবৃতিতে অবশ্য সরাসরি আদানি গোষ্ঠীর নাম করেনি সেবি। তবে তারা জানিয়েছে, গত সপ্তাহ থেকে এক ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্টকে অস্বাভাবিক গতিবিধি শুরু হয়েছে।

Published

on

অবশেষে আদানি কাণ্ডে মুখ খুলল SEBI। শনিবার এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, শেয়ার বাজারের নির্ভরযোগ্যতা সুনিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর তারা। বাজারের মাত্রারিতিক্ত অস্থিরতা মোকাবিলায় তাদের পর্যাপ্ত নজদারির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বিবৃতিতে অবশ্য সরাসরি আদানি গোষ্ঠীর নাম করেনি সেবি। তবে তারা জানিয়েছে, গত সপ্তাহ থেকে এক ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্টকে অস্বাভাবিক গতিবিধি শুরু হয়েছে। তবে নাম না বললেও শেয়ার বাজারের সাম্প্রতিক গতিবিধি আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের দিকে ইঙ্গিত করছে।

সেবি জানিয়েছে, কতগুলি ‘নির্দিষ্ট স্টক’-এর অত্যাধিক অস্থিরতা মোকাবিলার জন্য বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেবির সেই ব্যবস্থা নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে নিজে থেকেই চালু হয়ে যায়।
তবে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত শুরু করেছে কি না তা নিয়ে কিছু জানায়নি।

আদানি গ্রুপের তিনটি সংস্থা- আদানি এন্টারপ্রাইজ, আদানি পোর্টস ও স্পেশাল ইকোনমিক জোন এবং অম্বুজা সিমেন্ট-কে তাদের স্বল্পমেয়াদী বাড়তি নজরদারি প্রক্রিয়ার (ASM) আওতায় রেখেছে সেবি।
প্রসঙ্গত, আমেরিকার শর্ট-সেলার হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের রিপোর্টের পর থেকেই আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারে ধস নামে। সংস্থার বিরুদ্ধে শেয়ার কারচুপি, অ্যাকাউন্টিং জালিয়াতি এবং বিপুল দেনার অভিযোগ তোলে। আর তারপরেই আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারে হঠাৎ পতন হয়।

এই ঘটনা নিয়ে বিরোধী ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ সেবির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিল। সংসদেও উঠেছে এই দাবি। শেষ পর্যন্ত আদানি গোষ্ঠীর নাম না করে নিজেদের অবস্থা জানাল SEBI।

বাংলাবিজে আরও পড়তে পারেন: আদানি-বিপর্যয়ের মধ্যেও চাঙ্গা শেয়ার বাজার, লম্বা দৌড় সেনসেক্স-নিফটির

Continue Reading

খবর

আদানি-বিপর্যয়ের মধ্যেও চাঙ্গা শেয়ার বাজার, লম্বা দৌড় সেনসেক্স-নিফটির

শুক্রবার সবচেয়ে লাভবান স্টকগুলির মধ্যে রয়েছে টাইটান, বাজাজ ফিন্যান্স, বাজাজ ফিনসার্ভ. এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি।

Published

on

Stock Market

সপ্তাহের শেষ কেনাবেচার দিনে শক্তিশালী অবস্থানে থিতু হয়েছে ভারতীয় শেয়ার বাজার। ফিন্যান্সিয়াল এবং আইটি শেয়ারগুলির কাঁধে ভর দিলে অনেকটাই উঁচুতে উঠে বন্ধ হয়েছে অন্যতম সূচকগুলি। উল্লেখযোগ্য ভাবে, ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI) নিজের ত্রৈমাসিক আয়ের রিপোর্ট পেশ করার আগে আর্থিক লাভ করেছে।

বিএসই সেনসেক্স (BSE Sensex) ৯০০ পয়েন্ট উপরে উঠে ৬০.৮৫০-এর কাছাকাছি স্থির হয়েছে। অন্য দিকে, এনএসই নিফটি (NSE Nifty) প্রায় ২৫০ পয়েন্ট এগিয়ে ১৭,৮৫০-এর উপরে বন্ধ হয়েছে। নিফটি এই সপ্তাহে ১.৪ শতাংশ বেড়েছে এবং এর অন্তর্গত ৫০টি স্টকের মধ্যে লাভের খাতায় নাম লিখিয়েছে ২৭টি। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক এবং আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্কের নেতৃত্বে নিফটি ব্যাঙ্ক এই সপ্তাহে ২.৭ শতাংশ লাফিয়েছে। অন্য দিকে, ইনফোসিস-এর মতো সংস্থার উপর নির্ভর করে নিফটি আইটি সূচক টানা চতুর্থ সপ্তাহে ঊর্ধ্বমুখী।

শুক্রবার সবচেয়ে লাভবান স্টকগুলির মধ্যে রয়েছে টাইটান, বাজাজ ফিন্যান্স, বাজাজ ফিনসার্ভ. এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি। এ ছাড়াও এ দিন সবচেয়ে সক্রিয় স্টকের মধ্যে ছিল আদানি এন্টারপ্রাইজেস, আদানি পোর্টস সেজ, আরআইএল, এসবিআই, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক। নিফটি-কে পিছনের দিকে টেনে ধরার চেষ্টা করেছে টেক মাহিন্দ্রা, এইচসিএল টেক, উইপ্রো সেনসেক্সে ওজন করেছে যখন ডিভিস ল্যাবস, বিপিসিএল।

প্রসঙ্গত, আদানি গোষ্ঠীর সংস্থাগুলির শেয়ারের পতন অব্যাহত রয়েছে। ২০ হাজার কোটি টাকার এফপিও বন্ধ করার পরে আদানি এন্টারপ্রাইজ ২ শতাংশের বেশি কমে ১,৫৩১ টাকায় নেমে এসেছে। আদানি টোটাল গ্যাস ৫ শতাংশ, আদানি গ্রিন এবং আদানি ট্রান্সমিশন ১০ শতাংশ করে কমেছে।

ও দিকে, আমেরিকার শেয়ার বাজারে বৃহস্পতিবার রাতে বাজার খোলার কিছু ক্ষণ পরে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ার দরের পতন ঘটতে শুরু করে। যার প্রভাব পড়ে ডাও জোন্স সূচকেও। এক সময় সূচক তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় আদানির সংস্থাকে। পরে আবার তা চালু হলেও পতন ঠেকানো যায়নি। সামগ্রিক ভাবে আদানিদের ওই সংস্থাগুলির শেয়ার দর পড়েছে ৫ শতাংশেরও বেশি। আর তার অভিঘাতে ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে পতন ঘটে ডাও জোন্স সূচকে।

আরও পড়ুন: আদানিকাণ্ডে এলআইসি লগ্নিকারীদের উপর আঁচ পড়বে না, বিবৃতি বিমা সংস্থার

Continue Reading

খবর

প্রত্যাশা অনেক! বাজেট আবহে তুঙ্গে শেয়ার বাজার

এ বারের বাজেটে বেশ কিছু চমক থাকবে ধরে নিয়েই যথেষ্ট উৎসাহিত শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারীরাও।

Published

on

১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ সংসদে। তার কয়েক ঘণ্টা আগে শেয়ার বাজার খোলার সঙ্গেই বাজেট প্রত্যাশার আবহে তুঙ্গে সূচকগুলি।

মঙ্গলবার দোলাচলে ভুগতে থাকা শেয়ার বাজারে সেনসেক্স বন্ধ হয়েছিল ৫৯,৫৪৯ পয়েন্ট। এ দিন সকালে বাজার খোলার সময় ৩০ স্টকের এই সূচক পৌঁছে যায় ৬০ হাজারের উপরে। বাজেট পেশের আগে পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৬০,০৯৯ পয়েন্টে পৌঁছে যায় সেনসেক্স।

অন্য দিকে, নিফটি ফিফটি-তে প্রায় ১ শতাংশের উত্থান। গতকাল যেখানে ১৭,৬৬২ পয়েন্টে থিতু হয়েছিল ৫০ স্টকের এই সূচক, বুধবার সকালে তা পৌঁছে যায় ১৭,৮১৫-য়।

২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে ভোটব্যাঙ্কের কথা মাথায় রেখেই বাজেট প্রস্তুত করা হতে পারে বলে মিলেছিল পূর্বাভাস। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে বাজেট অধিবেশন। প্রথম দিন যৌথ কক্ষের সামনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর। ২০২২-২৩ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা রিপোর্টও পেশ করা হয়েছে সংসদে। সংবাদ মাধ্যমের সামনে বাজেট নিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁদের দু’জনের মন্তব্যেই দেশের কথা উঠে এসেছে।

উল্লেখযোগ্য ভাবে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের এটাই শেষ সাধারণ বাজেট। ভোটমুখী ভারতে তাই বুধবারই ২০২৪ সালের দিকে তাকিয়ে বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।ফলে এ বারের বাজেটে বেশ কিছু চমক থাকবে ধরে নিয়েই যথেষ্ট উৎসাহিত শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারীরাও।

আরও পড়ুন: অর্থনৈতিক সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ সংসদে, বাজেট পেশের আগে জানুন মূল বিষয়গুলি

Continue Reading

Trending