Connect with us

শেয়ার বাজার

সপ্তাহ জুড়ে বিনিয়োগকারীদের মাথায় চক্কর কাটবে যে ৫টি বিষয়

Published

on

বিবিডেস্ক: গত সপ্তাহে চুড়োয় ছিল সেনসেক্স-নিফটি। এক সপ্তাহে সেনসেক্স জোগাড় করেছে ৬৩১ পয়েন্ট (১.৭২ শতাংশ)। গত শুক্রবার সেনসেক্স শেষ করেছে ৩৭,৩৩২. ৭৯ পয়েন্টে। অন্য দিকে ১৯৩ পয়েন্ট (১.৭৯ শতাংশ) ঝুলিতে পুরে নিফটি ঠেকেছিল ১১,০২৩.২৫ পয়েন্টে।

তবে চলতি সপ্তাহে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীদের সামনে থাকবে একাধিক টানাপোড়েন। যে বিষয়গুলি বিনিয়োগকারীদের মাথায় চক্কর কাটবে গোটা সপ্তাহ ধরে। সেগুলির মধ্যে থেকেই তুলে ধরা হল অন্যতম কয়েকটি-

১০টি ব্যাঙ্ক মিশে চারটি

ফের ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। শুক্রবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নতুন ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ১০টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক মিশে গিয়ে গঠিত হচ্ছে ৪টি ব্যাঙ্ক।

ইলাহাবাদ ব্যাঙ্কের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক। পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের সঙ্গে মিশছে ওরিয়েন্টার ব্যাঙ্ক এবং ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক। কানাড়া ব্যাঙ্কের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে সিন্ডিকেট ব্যাঙ্ক। একই ভাবে মিশছে ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক, অন্ধ্র ব্যাঙ্ক এবং কর্পোরেশন ব্যাঙ্ক।

জিডিপি বৃদ্ধির হার নিম্নমুখী

ফের কমল অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার বা জিডিপি। চলতি ২০১৯-২০ আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকের রিপোর্ট পেশ হতেই উৎপাদন শিল্প এবং কৃষির সংকট স্পষ্ট হল। সব মিলিয়ে বিগত ৭ বছরে সব থেকে নীচে নামল জিডিপি বৃদ্ধির হার।

শুক্রবার রিপোর্ট পেশ করে কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান দফতর। চলতি আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকের (এপ্রিল-জুন) ডিজিপি বৃদ্ধির হার ঠেকেছে ৫ শতাংশে। এক বছর আগে এই হার ছিল ৮.২। অন্য দিকে গত ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে এই হার ছিল ৫.৮ শতাংশ।

গাড়িবাজারের পতন

আগস্টের গাড়ি বিক্রির রিপোর্ট পেশ করছে নির্মাতা সংস্থাগুলি। এখনও পর্যন্ত রিপোর্ট পেশ করেছে মারুতি-সুজুকি এবং হোন্ডা কারস ইন্ডিয়া লিমিটেড। দু’টি সংস্থারই বিক্রি নিম্নমুখী।

ভারতীয় বাজারের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা মারুতি-সুজুকি রবিবার সংস্থার আগস্ট মাসের রিপোর্ট পেশ করে। তারা জানায়, গত মাসে তাদের বিক্রি কমেছে ৩৫.৯ শতাংশ। হোন্ডা কারস ইন্ডিয়া লিমিটেড রবিবার আগস্টের রিপোর্ট পেশ করে জানায়, সদ্য শেষ হওয়া মাসে তাদের গাড়ি বিক্রি কমেছে ৫১.২৮ শতাংশ।

মোদীর রাশিয়া সফর

আগামী ৪-৫ সেপ্টেম্বর রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সফরে একাধিক বাণিজ্যিক চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশেষত প্রতিরক্ষা, সিভিল নিউক্লিয়ার এনার্জি এবং হাইড্রোকার্বন নিয়ে উল্লেখযোগ্য চুক্তি হতে পারে এই সফরে।

বিশ্ব অর্থনীতি

মঙ্গলবার পিএমআই ম্যানুফ্যাকচারিং সূচক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমষ্টিগত অর্থনৈতিক তথ্য এবং বুধবার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, রেডবুক, বেইজ বুক, এডিপি এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্ট, বেকারত্বের দাবি, কারখানার নির্দেশিকা, ফেড ব্যালান্স শিট, বৃহস্পতিবার অর্থ সরবরাহ এবং অবশেষে শুক্রবার বাকের-হিউজেস রিগ কাউন্ট বাজারের বিনিয়োগকারীদের ব্যস্ত রাখবে।

খবর

শেয়ার বাজারে হুড়মুড়িয়ে ধস! মাথায় হাত লগ্নিকারীদের

সকালে বাজার খুলতেই পড়তে শুরু করে একের পর এক নামী কোম্পানির শেয়ার। আদানি গ্রুপের বেশিরভাগ শেয়ারের দাম ব্যাপক কমেছে।

Published

on

সপ্তাহের শেষ কেনাবেচার দিনে বড়োসড়ো ধাক্কা ভারতীয় শেয়ার বাজারে। শুক্রবার হুড়মুড়িয়ে ধস ভারতীয় শেয়ারবাজারের সবকটি সূচকে। একদিনে প্রায় ২ শতাংশ নেমেছে বাজার।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বব্যাপী প্রবণতার কারণেই এ দিন ব্যাপক ধস নেমেছে ভারতের শেয়ার বাজারে। সকালে বাজার খুলতেই পড়তে শুরু করে একের পর এক নামী কোম্পানির শেয়ার। আদানি গ্রুপের বেশিরভাগ শেয়ারের দাম ব্যাপক কমেছে। জানা গিয়েছে, আমেরিকার সংস্থার তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে মারাত্মক ধস নামে আদানি গ্রুপের শেয়ারে।

একটা সময় সেনসেক্স (Sensex) নেমে যায় এক হাজার পয়েন্টেরও বেশি। পরে কিছুটা পুনরুদ্ধার করে বাজার বন্ধের সময় ৮৪৬ পয়েন্ট পড়ে সেনসেক্স থিতু হয় ৫৯,৩৪৯-এ। বড়ো ধাক্কা লেগেছে নিফটিতেও । প্রায় তিনশো পয়েন্ট পড়ে নিফটি পৌঁছায় ১৭ হাজারে। বাজার বন্ধের সময় ২৮৬ পয়েন্ট পড়ে দাঁড়ায় ১৭,৬১১-য়।

উল্লেখযোগ্য ভাবে, আদানি পোর্টস এবং আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারের দাম ৫ শতাংশ কমেছে। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক এবং এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের শেয়ারের দাম ৩ শতাংশ পর্যন্ত পড়েছে। অন্যদিকে, টাটা মোটরসের শেয়ারের দর ৮ শতাংশ বেড়েছে। বাজাজ অটোর শেয়ারের দামও ৬ শতাংশ বেড়েছে। মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা, ডক্টর রেড্ডিজ ল্যাবসের দামও ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

আরও পড়ুন: বাজেট ২০২৩: রেলপথ, রাস্তার জন্য বাড়তি বরাদ্দের প্রত্যাশা

Continue Reading

খবর

পর পর দু’দিন পতন সেনসেক্সে, সপ্তাহের শেষ কেনাবেচার দিনে ১৮ হাজারে নিফটি

বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির আক্রমণাত্মক অবস্থানের আশঙ্কা…

Published

on

বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবারেও পতন দেখল সেনসেক্স। সপ্তাহের শেষ কেনাবেচার দিনে ২৩৭ পয়েন্ট নেমে এল ৩০ স্টকের এই সূচক। অন্য দিকে, ০.৪৪ শতাংশ পড়লেও ১৮ হাজারের উপরেই থিতু হল নিফটি ফিফটি।

বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির আক্রমণাত্মক অবস্থানের আশঙ্কা এবং মূল কর্পোরেট উপার্জনের প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বব্যাপী স্টক মার্কেটের অবস্থান নজরে রেখেই ভারতীয় বাজারও এ দিন নিঃশব্দে শুরু হয়েছিল। বার কয়েক উত্থান-পতন ঘটলেও দিনের শেষে নীচে নেমেই বন্ধ হল সূচকগুলি।

আজকের লেনদেন শেষে, বিএসই সেনসেক্স ২৩৬.৬৬ পয়েন্ট কমেছে এবং ৬০,৬২১.৭৭ পয়েন্টে বন্ধ হয়েছে। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটি ফিফটি ৮০.২০ পয়েন্টের নীচে নেমে ১৮,০২৭.৬৫-এ বন্ধ হয়েছে।

এ দিন উল্লেখযোগ্য পতনের সম্মুখীন টিভিএস মোটর এবং হ্যাভেলস (৪ শতাংশেরও বেশি)। এ ছাড়াও রয়েছে হিন্দুস্তান ইউনিলিভার (৩.৭৬ শতাংশ), এশিয়ান পেন্টস (২.৮৫ শতাংশ), বাজাজ ফিন্যান্স (২.৭৮ শতাংশ), নেসলে (২.৩৭ শতাংশ) এবং বাজাজ ফিনসার্ভ (১.৯৭ শতাংশ)-সহ আরও বেশকিছু সংস্থার স্টক। তবে লাভের মুখ দেখেছে কোল ইন্ডিয়া, এইচডিএফসি ব্যাংক, পাওয়ার গ্রিড, এইচডিএফসি এবং আইটিসি।

সেক্টরাল সূচকগুলি মিশ্র লেনদেন করেছে। ব্যাঙ্ক নিফটি ০.৭৫ শতাংশ বেড়েছে, নিফটি আইটি বেড়েছে ০.২৫ শতাংশ, নিফটি পিএসইউ ব্যাঙ্ক ০.৮০ শতাংশ এবং নিফটি অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ০.২৫ শতাংশ বেড়েছে। অন্য দিকে নিফটি অটো কমেছে ০.১৬ শতাংশ। এ ছাড়াও নিফটি এফএমসিজি ০.৮৫ শতাংশ এঊং নিফটি মেটাল ০.৫৫ শতাংশ নেমে এসেছে এ দিন।

আরও পড়ুন: নজরে লোকসভা ভোট, বাজেটে গ্রামের দিকে বেশি নজর মোদী সরকারের

Continue Reading

খবর

মাত্র ২ সপ্তাহ, ভারতীয় শেয়ার বাজার থেকে উধাও ১৫ হাজার কোটির বিদেশি বিনিয়োগ

২ জানুয়ারি থেকে ১৩ জানুয়ারির মধ্যে এফপিআই-গুলি ভারতীয় ইক্যুইটি বাজার থেকে ১৫ হাজার ৬৮ কোটি টাকা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

Published

on

stock market

নয়াদিল্লি: বিশ্বের বেশ কিছু দেশে নতুন করে কোভিডের ঝুঁকি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মন্দা-সহ আরও বেশ কিছু উদ্বেগকে সামনে রেখে ভারতের শেয়ার বাজার থেকে বড়ো অঙ্কের বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারির প্রথম দুই সপ্তাহে এ দেশের স্টক মার্কেট থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার ইক্যুইটি বিক্রি করেছেন তাঁরা।

কেন বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহার

শুধু নতুন বছরের প্রথম দুই সপ্তাহেই নয়, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারতীয় শেয়ার বাজারে সতর্ক পদক্ষেপ করছে বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরা (FPI)। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অথবা দেশীয় ভাবে মুদ্রাস্ফীতি সামান্য মাত্র নিম্নগামী হলেও এ দেশের শেয়ার বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ। তথ্য অনুযায়ী, ২ জানুয়ারি থেকে ১৩ জানুয়ারির মধ্যে এফপিআই-গুলি ভারতীয় ইক্যুইটি বাজার থেকে ১৫ হাজার ৬৮ কোটি টাকা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

জানা গিয়েছে, গত ২০২২ সাল জুড়ে ভারতীয় ইক্যুইটি বাজার থেকে ১.২১ লক্ষ কোটি টাকা তুলে নিয়েছিল এফপিআই-গুলি। এর নেপথ্যে ছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির সুদের হার বৃদ্ধি, অপরিশোধিত তেলের দামে চাপান-উতোর এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। পরিস্থিতি এমনই হয়েছিল যে, শেষ তিন বছরে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহার হয়েছিল ২০২২ সালেই।

সেই ধারা নতুন বছরেও অব্যাহত। এর জন্য আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় স্তরে বিভিন্ন উদ্বেগজনক কারণকেই কাঠগড়ায় তুলছেন বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণের হার। একই সঙ্গে রয়েছে মার্কিন মন্দার উদ্বেগ। এ রকমই সব কারণ ভারতীয় শেয়ার বাজারে বিদেশি বিনিয়োগে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সস্তা বাজারে আগ্রহ বিদেশি বিনিয়োগের

বিশ্লেষকরা আরও জানাচ্ছেন, ভারতীয় বাজার থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ দেখাচ্ছে চিন, হংকং এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মতো সস্তা বাজারে। তবে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এই পদক্ষেপে কিছুটা ইতিবাচক ভূমিকা নিচ্ছেন খুচরো ক্রেতারা। অপেক্ষাকৃত কম দামে কেনার পর দাম উঠলেই শেয়ার বিক্রি করার প্রবণতা গভীর হচ্ছে ভারতীয় বাজারে। ফলে সূচকগুলির বড়োসড়ো সংশোধনের সম্ভাবনাও কম।

ভারতীয় শেয়ার বাজারের দুর্বলতার নেপথ্যে রয়েছে দেশীয় কিছু কারণও। সূচকগুলি দুর্বল হয়ে পড়ার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। এখন দেখা যাচ্ছে, ডিসেম্বরে কমজিউমার প্রাইস ইনডেক্স মূল্যস্ফীতি ৫.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন: দেশে বিপুল লগ্নির আশা তেল এবং গ্যাস উত্তোলনে, মন্ত্রীর কথায় আশার আলো

Continue Reading

Trending