Connect with us

খবর

ভারতে তৈরি হবে সি২৯৫, এয়ারবাসের সঙ্গে টাটার যৌথ উদ্যোগের ভিস্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বায়ুসেনার জন্য ভারতে তৈরি হবে সামরিক পরিবহণ বিমান সি-২৯৫। টাটা গোষ্ঠী এবং এয়ারবাসের যৌথ উদ্যোগে এই বিমান তৈরি হবে গুজরাতের ভদোদরায়।

Published

on

ভদোদরা: বায়ুসেনার জন্য ভারতে তৈরি হবে সামরিক পরিবহণ বিমান সি-২৯৫ (C-295)। টাটা গোষ্ঠী (Tata Group) এবং এয়ারবাসের (Airbus) যৌথ উদ্যোগে এই বিমান তৈরি হবে গুজরাতের ভদোদরায়। রবিবার টাটা গ্রুপের ‘ইন্ডিয়া সি২৯৫ প্রকল্প’-এর জন্য ফাইনাল অ্যাসেম্বলি লাইন (FAL)-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।

আত্মনির্ভরতার এক বড়োসড়ো মাইলফলক

এই ইউনিটটিতে বিমান তৈরি এবং অ্যাসেম্বল করা হবে। ভারতীয় বায়ুসেনাকে (IAF) সরবরাহ করা হবে ওই দেশীয় ইলেকট্রনিক সামরিক বিমান। যা ভারতের আত্মনির্ভরতার এক বড়োসড়ো মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হতে চলেছে।

টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেম লিমিটিডে এবং স্পেনের এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেসের যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভারতীয় বায়ুসেনার অ্যাভ্রো বিমানের বদলি খোঁজার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল অনেক দিন আগে। অবশেষে অ্যাভ্রোর বদলি হিসেবে পাওয়া যায় এয়ারবাসের সি২৯৫ বিমানকে। দীর্ঘ আলোচনার পর ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে স্পেনের এয়ারবাসের সঙ্গেই চুক্তি করে ভারতীয় বায়ুসেনা। গত মাসেই কেন্দ্র এয়ারবাসের কাছ থেকে ৫৬টি বিমান কেনায় ছাড়পত্র দেয়।

সি২৯৫-এর মাধ্যমেই এই প্রথম বারের জন্য দেশে কোনো বেসরকারি সংস্থা বিমান তৈরি করতে চলেছে। যা দেশের বেসরকারি শিল্পের কাছে যথেষ্ট উৎসাহব্যঞ্জক। এর ফলে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে ১৫ হাজারের বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করবে।

একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করার সময় টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন বলেন, “ভাদোদরায় ফাইনাল অ্যাসেম্বলি লাইন স্থাপন করার সঙ্গে সঙ্গে টাটা গ্রুপ ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য এয়ারবাস সি২৯৫ সরবরাহ করবে। এটা শুধুমাত্র টাটা গ্রুপের জন্যই নয়, দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কারণ প্রধানমন্ত্রীর ‘আত্মনির্ভর ভারত’ দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে এটা প্রকৃত অর্থের একটি মানানসই পদক্ষেপ”।

সি-২৯৫ বিমানটি একটি বিশেষ কৌশলগত পরিবহণ বিমান। যে কোনও উচ্চতায় এক বারে ৭১ জন যাত্রী বা ৫০ জন প্যারাট্রুপারকে বহন করতে পারে সি-২৯৫। সি-২৯৫ বিমানটি প্যারাট্রুপার ছাড়াও বিভিন্ন ওজনের পণ্য বহন এবং অন্যান্য কাজে পারদর্শী। এছাড়াও চিকিৎসার প্রয়োজনেও এই বিমান রোগীকে উড়িয়ে আনতে সক্ষম। যে কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময়ও এই ধরনের বিমান ব্যবহারে উপযোগী। সমুদ্রতট রক্ষায়ও সমান পারদর্শী।

প্রসঙ্গত, ভারত সরকার এয়ারবাসের সঙ্গে ২১ হাজার কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ৫৬টি সি-২৯৫ বিমানের জন্য। এর মধ্যে ১৬টি স্পেন থেকে তৈরি হয়ে আসবে। ভদোদরার এই কারখানায় বাকি ৪০টি বিমান ম্যানুফ্যাকচার এবং অ্যাসেম্বল করবে টাটা গোষ্ঠী। ৪০টি সি২৯৫ বিমান তৈরি করা ছাড়াও, ভাদোদরার এই কারখানায় বায়ুসেনার প্রয়োজনীয় এবং রফতানির জন্য অতিরিক্ত বিমান তৈরি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: ১,৫৮৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করলেও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নজরে ভারতীয় বাজার

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

খবর

কলকাতা-সহ দেশের ৮টি বড়ো শহরে বেড়েছে আবাসনের দাম

গত ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২-এ আবাসনের দাম বেড়েছে গড়ে ৭ শতাংশ।

Published

on

নয়াদিল্লি: বেড়েছে নির্মাণ সামগ্রীর দাম। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দেশের আটটি বড়ো শহর জুড়ে আবাসনের দাম। একটি সমীক্ষায় দাবি, “গত ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২-এ আবাসনের দাম বেড়েছে গড়ে ৭ শতাংশ।”

অতিমারির পর বাড়ি-ফ্ল্যাটের দাম বেড়েছে। মাথা তুলেছে ঋণে সুদের হার। কিন্তু স্থায়ী ঠিকানার চাহিদা এবং বাড়ি থেকে কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবাসনের চাহিদাও বাড়ছে। এর ফলে আগামী দিনে সেই দাম আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে আবাসনের দামবৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করেছে PropTiger.com।

সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, আবাসনের দাম বাড়লেও তা বিক্রির উপর সে ভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি। সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় অতিমারি পর্বেই নির্মাণ সামগ্রীর দাম বাড়তে শুরু করেছিল। তা সত্ত্বেও সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর চাহিদার পালে হাওয়া লাগে। সেই চাহিদা অব্যাহত রয়েছে।

২০১৬-২১ সময়কালে আবাসনের দাম অনেকাংশে স্থিতিশীল ছিল। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলে এমন একটি কারণে নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়ে যায়। নির্মাণ সামগ্রীর দাম বাড়তেই আবাসনের দাম বাড়াতে বাধ্য হন বিল্ডাররা।

সমীক্ষা রিপোর্ট অনুসারে, গুরুগ্রামে প্রায় ১৩ শতাংশ দাম বেড়েছে। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। অন্য দিকে, বেঙ্গালুরু এবং দিল্লি-এনসিআরে ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, তারপরে পুনে ৮ শতাংশ। অমদাবাদ এবং কলকাতায় বৃদ্ধি হয়েছে ৭ শতাংশ।

গুরুগ্রামে এখন আবাসনের প্রতি স্কোয়ার ফুটের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ৭০০০-৭২০০ টাকা। দিল্লি-এনসিআরে ৪৮০০-৫০০০ টাকা প্রতি স্কোয়ার ফুট। তবে নয়ডাতে ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি স্কোয়ার ফুটের গড় দাম ৫৪০০-৫৬০০ টাকা। কলকাতা এবং মুম্বইয়ে যা যথাক্রমে ৪৬০০-৪৮০০ টাকা এবং ১০১০০-১০৩০০ টাকা।

আরও পড়ুন: ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

Continue Reading

খবর

উইপ্রোর পর ইনফোসিস, বরখাস্ত ৬০০ ফ্রেশার

অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ প্রায় ৬০০ জন ফ্রেশারকে বরখাস্ত করল আরেক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিস।

Published

on

কয়েক দিন আগেই অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়া ফ্রেশারদের ছাঁটাই করেছিল ভারতের অন্যত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা উইপ্রো (Wipro)। মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশ, কতকটা একই কারণে প্রায় ৬০০ জন ফ্রেশারকে বরখাস্ত করল আরেক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিস (Infosys)।

বরখাস্ত হওয়া ফ্রেশারের মন্তব্য উদ্ধৃত করে বিজনেস টুডে-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের আগস্টে ইনফোসিসে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। তাঁকে এসএপি এপিএপি (SAP ABAP) স্ট্রিমের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। তবে ১৫০ জনের টিমে মাত্র ৬০ জন ফ্রেশার অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় পাশ করেছেন। অনুত্তীর্ণদের সবাইকে ছাঁটাই করা হয়েছে। যাঁরা জুলাইয়ে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে মোট ১৫০ জনের মধ্যে ৮৫ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অন্য দিকে, সংস্থার এক প্রতিনিধির পাল্টা যুক্তি, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে বরাবরই চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়।

বলে রাখা ভালো, ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে ইনফোসিসের কর্মী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮৪৫ জন। যা আগের ত্রৈমাসিকে ছিল ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ২১৮ জন। আগের ত্রৈমাসিকে ১০ হাজার কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়েছিল সংস্থা। তবে বাস্তবে তা ১ হাজার ৬২৭-এই থমকে যায়। অন্য দিকে, সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে যেখানে স্বেচ্ছাবসরের হার ছিল ২৭.১ শতাংশ, সেখানে ডিসেম্বরে কিছুটা নেমে থিতু হয় ২৫.৫ শতাংশে।

উল্লেখ্য, এর আগে, খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পরে ফ্রেশারদের বরখাস্ত করেছিল উইপ্রো।

আরও পড়ুন: ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

Continue Reading

খবর

ভারতীয় স্টার্টআপগুলিতে এসেছে ১২০ কোটি ডলার, তবুও ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই

সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। এরই মধ্যে ভারতীয় স্টার্টআপ সেক্টর থেকে কাজ হারিয়েছেন প্রায় হাজারদুয়েক কর্মী।

Published

on

চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রায় ৯২.৬ কোটি ডলারের ২২টি ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে ভারতীয় স্টার্টআপগুলি। এ বছরে তাদের সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। এরই মধ্যে ভারতীয় স্টার্টআপ সেক্টর থেকে কাজ হারিয়েছেন প্রায় হাজারদুয়েক কর্মী।

মিডিয়া রিপোর্টে প্রকাশ, প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলি জানুয়ারিতে ৬৭টি ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে। ১২টি স্টার্টআপ (তারা লেনদেনের তথ্য প্রকাশ করেনি) বাদে প্রত্যেকেই সেই চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রকাশ করেছে। জানা গিয়েছে, তাদের সম্মিলিত সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১৬.৫ কোটি ডলার।

স্টার্টআপ নিউজ পোর্টাল Entrackr-এর তথ্য উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলির গড় চুক্তির আকার ছিল প্রায় ৪০ লক্ষ এবং তারা এই বছর ১২০ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে। অন্য দিকে, মানিকন্ট্রোল-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১৪টি স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ২১০০-র বেশি কর্মী ছাঁটাই করেছে।

উল্লেখযোগ্য ভাবে, ভারতীয় স্টার্টআপগুলির মধ্যে, ডিজিটাল পেমেন্ট অ্যাপ কোম্পানি PhonePe জানুয়ারি মাসে মোট ৩৫ কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহ করেছে, যখন CreditKey সংগ্রহ করেছে ১২ কোটি। এই দুটি স্টার্টআপ কোম্পানিই মোট তহবিলের ৪০ শতাংশ সংগ্রহ করেছে।

সবচেয়ে বেশি ডিল পেয়েছে ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলি। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেঙ্গালুরুতে ৬০টি চুক্তি করা হয়েছে, যখন দিল্লি এনসিআরে ১৫টি চুক্তি করা হয়েছে। একই সময়ে, ভারতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম জানুয়ারিতে সমস্ত বিভাগে ১৮টি সংস্থার সংযুক্তিকরণ এবং অধিগ্রহণ করেছে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২২ সালের এই একই সময়ের তুলনায় এ বছর বেশি চুক্তি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ট্রেনে বসেই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পছন্দের খাবার, জানুন বিস্তারিত

Continue Reading

Trending