Connect with us

খবর

সংকটে পড়া অর্থনীতির হাল ফেরাতে আরও একটি প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যে প্যাকেজ ঘোষণা করতে চলেছেন তাতে কর প্রশাসন ঢেলে সাজার ব্যাপারটিও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

Published

on

নয়াদিল্লি: করোনা মহামারিতে দেশের অর্থনীতির নাজেহাল অবস্থা। সেই ধুঁকতে থাকা অর্থনীতির হাল ফেরাতে আরও একটি প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। যে সব কেন্দ্রীয় আধিকারিক বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তাঁদের মতে, ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবারের মধ্যেই ওই ঘোষণা হতে পারে।

শুধু ভারতই নয়, কোভিড-১৯ মহামারিতে গোটা বিশ্ব অর্থনীতির বেহাল দশা। যে যার নিজের মতো করে পদক্ষেপ করছে অর্থনীতির হাল ফেরাতে। ভারতও তার ব্যতিক্রম নয়। ইতিমধ্যেই ভারতেও একাধিক আর্থিক প্যাকেজ ঘোষিত হয়েছে। খুব শীঘ্রই আরও একটি প্যাকেজ ঘোষণা করে ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে জিইয়ে তোলার পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে ইকোনমিক্স টাইমস-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যে প্যাকেজ ঘোষণা করতে চলেছেন তাতে কর প্রশাসন ঢেলে সাজার ব্যাপারটিও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

করোনাজনিত মহামারি পরিস্থিতির সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সরকার এর আগে ‘প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ নামে দু’টি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। নতুন প্যাকেজটিতে এই দুই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: কৃষিক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়ন: ১লক্ষ কোটির মূলধন যোগান প্রকল্পের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী     

এক সরকারি আধিকারিকের মন্তব্য উদ্ধৃত করে সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, প্রথম দু’টি উদ্যোগ ছিল মহামারির প্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষ এবং শিল্পকে স্বস্তি দেওয়ার। এ বারের প্যাকেজটিতে পরিকাঠামো পুনর্নির্মাণে মনোনিবেশ করা হবে।

এ বারের প্যাকেজে যে বিষয়গুলি থাকতে পারে তার মধ্যে রয়েছে একটি ডিজিটালি কেন্দ্রীভূত কর প্রশাসন, করদাতাদের অধিকার বাড়ানো, প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্রয় সংক্রান্ত নীতিকে সামনে রেখে মূল পরিকাঠামোগত প্রকল্পগুলিতে ব্যয় ত্বরান্বিত করা এবং একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তা শেষ করা ইত্যাদি।

মঙ্গলবার শিল্প সংক্রান্ত যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, জুনে যে তিন মাস শেষ হয়েছে, তাতে শিল্প উৎপাদন ৩৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।  

গরিব কল্যাণ যোজনা

করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দরিদ্র মানুষদের সাহায্যের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ‘প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা’ প্রকল্প ঘোষণা করে। এই প্রকল্প অনুসারে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য, মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি নগদ স্থানান্তর, অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থান এবং পিপিএফে বিশেষ সুবিধা-সহ একাধিক উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানান, “প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকা প্রথম পর্যায়ে বরাদ্দ হয়েছে। গরিবদের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার।”

আত্মনির্ভর ভারত

‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রকল্পে দেশীয় শিল্পগুলিকে চাঙ্গা করার লক্ষ্যে ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করে কেন্দ্র, যা দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১০ শতাংশ বলে দাবি করা হয়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প থেকে শুরু করে খনি, পশুপালন, মৎস্যচাষ, কৃষি-সহ সমস্ত ক্ষেত্রেই এই বিশাল পরিমাণ আর্থিক সহযোগিতার কথা ঘোষণা করা হয়।

খবর

বাজেট ২০২৩: রেলপথ, রাস্তার জন্য বাড়তি বরাদ্দের প্রত্যাশা

২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এ বারের বাজেটে একাধিক চমক থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Published

on

নয়াদিল্লি: আগামী ১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৩-২৪ পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতরমন। এটা তাঁর পঞ্চম বাজেট। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এ বারের বাজেটে একাধিক চমক থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এ বারের বাজেট বাড়তি গুরুত্ব পেতে চলেছে রেলপথ ও সড়ক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। বিশ্বব্যাপী মন্দার প্রভাব স্পষ্ট হলেও ভারত যে সেই আঁচ এড়াতে সক্ষম, সেই বার্তা পৌঁছে দিতে চাইবেন অর্থমন্ত্রী। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কমাতে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ।

এমন পরিস্থিতিতে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগে নজর দিচ্ছে বেসরকারি সংস্থাগুলি। ইস্পাত এবং সিমেন্টের মতো মূল উপকরণগুলির চাহিদা তৈরি করতে কেন্দ্রীয় সরকারও পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যায় বরাদ্দ বাড়াতে চাইছে।

২০২০ সালে কোভিড অতিমারির পর থেকে বিভিন্ন মন্ত্রক এবং বিভাগগুলিতে ব্যয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টস (CAG)-এর প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সড়ক পরিবহণ এবং রেলপথের মতো ক্ষেত্রগুলিতে বার্ষিক বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ খরচ করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে সড়ক ও জাতীয় সড়ক মন্ত্রক। যা ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে এই খাতে বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ।

একই ভাবে, বেশ কয়েক বছর ধরে পিছিয়ে থাকা রেলের ব্যয়ও বেড়েছে। সম্পদ তৈরির জন্য ১.১ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে ভারতীয় রেল, যা বাজেট বরাদ্দের প্রায় ৮৪ শতাংশ।

সবমিলিয়ে, সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এ বারের বাজেটে বাড়তি উৎসাহ পেতে চলেছে এই দুই মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই আগত বছরের পরিকল্পনাগুলিও তৈরি করে ফেলেছে তারা। সেই মতোই নির্ধারিত হতে চলেছে সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ।

আরও পড়ুন: চাহিদা বাড়ায় দু’বছরে এই প্রথম লাভের মুখ দেখল টাটা মোটরস, আয় বাড়ল ২৩ শতাংশ

Continue Reading

খবর

চাহিদা বাড়ায় দু’বছরে এই প্রথম লাভের মুখ দেখল টাটা মোটরস, আয় বাড়ল ২৩ শতাংশ

২০২২-২৩ আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আয়-ব্যায়ের খতিয়ান পেশ করে এমনটাই জানিয়েছে দেশের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা।

Published

on

করোনা মহামারিতে মার খেয়েছিল গাড়ি বাজার। ধীরে ধীরে বেড়েছে চাহিদা। যাত্রীবাহী গাড়ির পাশাপাশি মাঝারি এবং ভারী বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে নির্মাতা টাটা মোটরস (Tata Motors) শেষ ত্রৈমাসিকে উল্লেখযোগ্য লাভের মুখ দেখেছে। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আয়-ব্যায়ের খতিয়ান পেশ করে এমনটাই জানিয়েছে দেশের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা।

ডিসেম্বরে শেষ হওয়া তৃতীয় ত্রৈমাসিকে টাটা মোটরসের একত্রিত নিট মুনাফার পরিমাণ ২ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকার বেশি। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের একই সময়ে নিট লোকসানের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫১৬ কোটি। এবং তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, চলতি আর্থিক বছরের সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে ৯৪৪ কোটি টাকার নিট লোকসানের কথা জানিয়েছিল সংস্থা।

এই সময়কালে সংস্থার অন্যতম গাড়ি জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার থেকে একত্রিত রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৪৮৮ কোটি। যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ২২.৫ শতাংশ।

সংস্থার দাবি, উল্লেখযোগ্য হারে লাভ বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে উত্তরোত্তর বেড়ে চলা গাড়ির চাহিদা। স্টক এক্সচেঞ্জে পেশ করা রিপোর্টে সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়ে তারা যথেষ্ট আশাবাদী। লাভজনক বৃদ্ধি, সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহের উন্নতি এবং স্থিতিশীল পণ্যের দামের উপর লক্ষ্য রাখছে সংস্থা।

আরও পড়ুন: সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

Continue Reading

খবর

কলকাতায় প্রথম শাখা খুলল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক

এই শাখা উদ্বোধনের সঙ্গেই ফিনকেয়ার পূর্ব ভারতে যাত্রা শুরু করল।

Published

on

কলকাতা: শহরে নিজের প্রথম শাখা উদ্বোধন করল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক (Fincare Small Finance bank)। এই শাখা উদ্বোধনের সঙ্গেই ফিনকেয়ার পূর্ব ভারতে যাত্রা শুরু করল। আধুনিক প্রযুক্তি, সর্বোত্তম-শ্রেণির পণ্য ও পরিষেবা এবং দক্ষ কর্মীদের সাহায্যে গ্রাহকের ব্যাঙ্কিং চাহিদা মেটাতে ব্যাঙ্ক প্রস্তুত।

নতুন শাখা খোলার বিষয়ে ব্যাঙ্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার রাজীব যাদব বলেন, “ফিনকেয়ার কলকাতার বাসিন্দাদের সেবা করতে পেরে রোমাঞ্চিত। ব্যাঙ্কের লক্ষ্য হল ব্যাঙ্কিং চাহিদার কথা মাথায় রেখে সুবিধা-ভিত্তিক সমাধানগুলি অফার করা৷ আমরা শহর এবং প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে গ্রাহকদের সম্পূর্ণ ব্যাঙ্কিং পরিষেবা সরবরাহ করার লক্ষ্য রাখি। কলকাতার এই শাখাটি উচ্চ সুদে সেভিংস অ্যাকাউন্ট, সুইপ ইন- সুইট আউট কারেন্ট অ্যাকাউন্ট এবং কিউআর কোড সুবিধা, সোনার বিপরীতে ঋণ-সহ আরও অনেক পরিষেবা দেবে”।

যাদব আরও জানান, “গ্রাহকরা নিয়মিত ব্যাঙ্কিং চ্যানেলের পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ এবং ভিডিও ব্যাঙ্কিংয়ের অভিজ্ঞতা নিতে পারেন৷ এ ছাড়া ইউনিফাইড পেমেন্ট ইন্টারফেস (UPI)-এর মাধ্যমেও লেনদেনের সুবিধা পাওয়া যাবে। ব্যাঙ্ক একটি “স্মার্ট ব্যাঙ্কিং” পদ্ধতি গ্রহণ করেছে যা এটিকে ভারত জুড়ে আধুনিক এবং সুবিধাজনক ব্যাঙ্কিং পরিষেবাগুলির একটি পছন্দের প্রদানকারী করে তুলেছে”।

২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের ১৯টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৩২ লক্ষেরও বেশি গ্রাহককে পরিষেবা দিয়েছে ব্যাঙ্ক। ১২ হাজারের বেশি কর্মী রয়েছেন ফিনকেয়ারে।

আরও পড়ুন: অর্থবর্ষ প্রায় শেষ, আয়কর বাঁচানোর ব্রহ্মাস্ত্র সম্পর্কে ওয়াকিবহাল তো?

Continue Reading

Trending