Connect with us

খবর

ইউপিআই এবং ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও আয়কর দিতে পারবেন, জানুন পদ্ধতি

কর প্রদানের একটি নতুন পদ্ধতিও চালু করেছে আয়কর বিভাগ। যেখানে করদাতারা ইউপিআই এবং ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও কর দিতে পারবেন।

Published

on

বিবি ডেস্ক: আয়কর রিটার্ন (ITR Filing) দাখিল করার প্রক্রিয়াটিকে সহজতর করতে গত দু’বছরে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে আয়কর বিভাগ। ফর্ম সংশোধন এবং আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য একটি নতুন পোর্টালও তৈরি হয়েছে। এই সব পরিবর্তন ছাড়াও, কর প্রদানের একটি নতুন পদ্ধতিও চালু করেছে আয়কর বিভাগ। যেখানে করদাতারা ইউপিআই (UPI) এবং ক্রেডিট কার্ডের (Credit card) মাধ্যমেও কর দিতে পারবেন।

কর জমা করার বিভিন্ন জানলা

নতুন সুবিধার আওতায় যে কোনো করদাতা অনুমোদিত ব্যাঙ্কের তরফে জারি করা ক্রেডিট কার্ড এবং ১৬টি ব্যাঙ্কের নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে এনএসডিএল (NSDL)-এর ওয়েবসাইটে ট্যাক্স পেমেন্ট করতে পারেন। ফলে এই ব্যাঙ্কগুলিতে যদি আপনার অ্যাকাউন্ট না থাকে, তা হলে আপনার কর দিতে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু তাতে আপনার দুশ্চিন্তার দরকার নেই।

আয়কর বিভাগের প্রবর্তিত নতুন সুবিধায় ডেবিট কার্ড ছাড়াও ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, নেট ব্যাঙ্কিং, পে-অ্যাট-ব্যাঙ্ক কাউন্টার, ইউপিআই এবং আরটিজিএস, এনইএফটি-এর মাধ্যমে কর দেওয়া যেতে পারে।

Advertisement

কী ভাবে ইউপিআই এবং ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কর জমা করবেন?

১. প্রথমে লগইন এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ই-ফাইলিং পোর্টালে লগইন করুন।

২. এই পোর্টালের মেনু থেকে E Pay Tax অপশনটি সিলেক্ট করুন এবং New Payment অপশনে ক্লিক করুন।

৩. যে ধরনের ট্যাক্স দিতে চান তা সিলেক্ট করে এগিয়ে যান।

Advertisement

৪. মূল্যায়ন বছর নির্বাচন করুন এবং আপনি যে বছরের জন্য কর দিচ্ছেন, তা সিলেক্ট করুন।

৫. এর পরে, ট্যাক্স ব্রেকআপ সম্পর্কে তথ্য দিন, যেমন ট্যাক্স, সারচার্জ এবং সেস ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য।

৬. এখানে ক্রেডিট কার্ড, নেট ব্যাঙ্কিং সুবিধা, পে-অ্যাট-ব্যাঙ্ক কাউন্টার, UPI এবং RTGS, NEFT পেমেন্ট অপশনগুলি দেখা যাবে।

Advertisement

৭. নিজের সুবিধামতো অপশন বেছে নিন। প্রয়োজনীয় তথ্যগুলি দিন।

৮. টাকা জমার পর ই-চালান ডাউনলোড করুন। আয়কর বিভাগও আপনাকে মেল ​​এবং এসএমএসের মাধ্যমে কর দেওয়ার বিষয়ে অবহিত করবে।

আরও পড়ুন: বন্ডে বিনিয়োগে মিলতে পারে দারুণ লাভ! কী ভাবে বিনিয়োগ করবেন জেনে নিন

Advertisement

খবর

এই নিয়ে টানা পঞ্চম বার সুদের হার বাড়াল আরবিআই, বাড়বে ইএমআই

এ বার ৩৫ বিপিএস বাড়াল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বাড়ানোর ফলে সরকারি-বেসরকারি ব্যাঙ্কের সুদের হারও বৃদ্ধি পেতে চলেছে। ঋণগ্রহীতাদের উপরে বাড়বে ইএমআইয়ের বোঝাও।

Published

on

মূল ঋণের হার (repo rate) ফের বাড়িয়ে ৬.২৫ শতাংশ করল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI)। এর আগে পরপর তিনবার ৫০ বিপিএস বৃদ্ধির পরে ধীরগতির মুদ্রাস্ফীতির উল্লেখ করে এ বার ৩৫ বিপিএস বাড়াল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বাড়ানোর ফলে সরকারি-বেসরকারি ব্যাঙ্কের সুদের হারও বৃদ্ধি পেতে চলেছে। ঋণগ্রহীতাদের উপরে বাড়বে ইএমআইয়ের বোঝাও।

মে মাসে ৪০ বেসিস পয়েন্ট এবং জুন, আগস্ট এবং সেপ্টেম্বরে প্রতি বার ৫০ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধির পর, এটা টানা পঞ্চম বারের জন্য রেপো রেট বৃদ্ধি। এ বারের বৃদ্ধি নিয়ে রেপো রেট বাড়ল ২.২৫ শতাংশ। অর্থাৎ গত পাঁচবারে শেষ সাত মাসে মোট ২২৫ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক।এর ফলে ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের পর থেকে রেপো রেট সর্বোচ্চে স্তরে পৌঁছল।

বাড়বে ইএমআইয়ের বোঝা

আরবিআই-এর তিন সদস্য এবং তিনজন বাইরের সদস্য নিয়ে গঠিত মুদ্রানীতি কমিটি (MPC)-র বৈঠক শেষে বুধবার রেপো রেট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। স্থায়ী আমানতের সুবিধার হার (standing deposit facility rate) এবং প্রান্তিক স্থায়ী সুবিধার হারও (marginal standing facility rate) একই ভাবে বেড়ে যথাক্রমে ৬.০০ শতাংশ এবং ৬.৫০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

Advertisement

দেশে যখন মূল্যবৃদ্ধি চড়তে থাকে, তখনই দেশে মুদ্রাস্ফীতির উপর লাগাম টানতে রেপো রেট বৃদ্ধির পথে হাঁটে ব্যাঙ্ক। আরবিআই যে সুদের হারে দেশের অন্য ব্যাঙ্কগুলিকে ঋণ দেয়, তাকে বলে রেপো রেট। এই সুদের হার বাড়লে ব্যাঙ্কগুলিও তাদের ঋণের উপর সুদ বৃদ্ধি করে। এর ফলে সাধারণ মানুষের উপর ঋণের মাসিক কিস্তি (EMI) বেড়ে যায়।

সার্বিক আর্থিক প্রবৃদ্ধির হার

এ দিন আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাশ বলেন, “অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর-এই ত্রৈমাসিকে আর্থিক প্রবৃদ্ধির হার বা জিডিপির বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬.৬ শতাংশ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ ত্রৈমাসিকে জিডিপির বৃদ্ধির হারও ৫.৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫.৯ শতাংশ হতে পারে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সার্বিক আর্থিক প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬.৮ শতাংশে করা হয়েছে।”

আরবিআই গভর্নর আরও বলেন, “ইউক্রেন যুদ্ধ মৌলিক ভাবে বিশ্ব অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেছে। উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও ভারতীয় কর্পোরেট সংস্থাগুলি আগের চেয়ে স্বাস্থ্যকর। ভারতীয় অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে। আমাদের মুদ্রাস্ফীতি বিশ্বের বেশিরভাগ অংশের মতোই বেড়েছে”।

Advertisement

আরও পড়ুন: দেশ জুড়ে ৬৮টি হাসপাতাল তৈরি করছে ইএসআই, রাজ্যের ভাগ্যে ৪টি

Continue Reading

খবর

দেশ জুড়ে ৬৮টি হাসপাতাল তৈরি করছে ইএসআই, রাজ্যের ভাগ্যে ৪টি

এ রাজ্যের ভাগ্যে আসতে চলেছে ৪টি হাসপাতাল। সম্প্রতি পরিচালন পর্ষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলিতে পিএইচডি, এমডি, নার্সিং এবং প্যারামেডিক্যাল পাঠ্যক্রম চালু করা হবে…

Published

on

কলকাতা: দেশ জুড়ে স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে কর্মী রাজ্য বিমা নিগম (ইএসআইসি) (Employees State Insurance Corporation) (ESIC)। আগামী ৪ বছরের মধ্যে দেশে ৬৮টি নতুন হাসপাতাল তৈরি করতে চলেছে তারা। এর মধ্যে এ রাজ্যের ভাগ্যে আসতে চলেছে ৪টি হাসপাতাল। সম্প্রতি পরিচালন পর্ষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলিতে পিএইচডি, এমডি, নার্সিং এবং প্যারামেডিক্যাল পাঠ্যক্রম চালু করা হবে বলেও জানিয়েছে তারা।

রাজ্যের কোথায় হাসপাতাল

ইএসআইয়ের পরিচালন পর্ষদের সদস্য এস পি তিওয়ারি জানান, আগামী মার্চের মধ্যে শিলিগুড়ি এবং হলদিয়ায় দু’টি ১০০ শয্যার হাসপাতাল চালু হতে চলেছে। সেগুলির নির্মাণকাজ শেষের পথে। এ ছাড়া পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে এবং উত্তর ২৪ পরগনার গড় শ্যামনগরে হবে দু’টি হাসপাতাল। ওই ৬৮টির বাইরেও মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে এবং মালদার বীরপুরে আরও দু’টি নতুন হাসপাতাল গড়ার প্রস্তাব ইএসআইয়ের (ESI) পরিচালন পর্ষদের বৈঠকে গৃহীত হয়েছে।

ডাক্তারি পড়ার সুবিধা কোথায়

এখন সারা দেশে ইএসআইয়ের (ESI) ১৬০টি হাসপাতাল রয়েছে। এর মধ্যে আটটি সাধারণ হাসপাতাল এবং দু’টি দন্তচিকিৎসার হাসপাতালে ডাক্তারির কোর্স চালু আছে। সেগুলিতেই চালু হবে প্যারামেডিক্যাল। ডাক্তারিতে ইএসআইয়ের সদস্যদের সন্তানদের জন্য নির্দিষ্ট আসন সংরক্ষিত থাকে এই হাসপাতালগুলিতে। জয়েন্ট এন্ট্রান্স পাশ করে সংরক্ষিত আসনের সেই সুবিধা নেওয়া যায়। তিওয়ারি বলেন, ‘‘প্যারামেডিক্যাল কোর্সেও ওই ধরনের সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন: পিএফের পর ইএসআই, শেয়ার বাজারে লগ্নি আরও এক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের তহবিল

Continue Reading

খবর

পিএফের পর ইএসআই, শেয়ার বাজারে লগ্নি আরও এক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের তহবিল

এ বার আরও এক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের তহবিলের দরজা খুলল শেয়ার বাজারের জন্য। এমপ্লয়িজ় স্টেট ইনশিওরেন্সের (কর্মী রাজ্য বিমা বা ইএসআই) তহবিলও শেয়ার বাজারে লগ্নি করতে চলেছে মোদী সরকার।

Published

on

বিবি ডেস্ক: আগেই খুলেছিল প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Provident Fund) দরজা। এ বার আরও এক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের তহবিলের দরজা খুলল শেয়ার বাজারের জন্য। এমপ্লয়িজ় স্টেট ইনশিওরেন্সের (কর্মী রাজ্য বিমা বা ইএসআই) (Employees State Insurance) তহবিলও শেয়ার বাজারে লগ্নি করতে চলেছে মোদী সরকার। রবিবার শ্রমমন্ত্রী ভূপেন্দর যাদবের সভাপতিত্বে কর্মী রাজ্য বিমা নিগমের (ইএসআইসি) (ESIC) পরিচালন পর্ষদের বৈঠকে এই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে শ্রম মন্ত্রক।

কী বলছে ট্রেড ইউনিয়ন

কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ট্রেড ইউনিয়নগুলির একাংশ। তাদের দাবি, ইএসআইয়ের (ESI) মতো সমাজের স্বল্প আয়ের মানুষদের সুরক্ষা প্রকল্পের টাকা ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় লগ্নি করার অনুমতি দিয়ে সরকার বহু মানুষের জীবন অনিশ্চিত করে দিতে চলেছে। বিশেষ করে বর্তমান অনিশ্চিত আর্থিক অবস্থার প্রেক্ষিতে।

সিটুর (CITU) সাধারণ সম্পাদক তপন সেন বলেন, “আমরা ইএসআই (ESI) এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Provident Fund) টাকা শেয়ার বাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় লগ্নির বিরুদ্ধে। ওই প্রস্তাব নিয়ে আগেই ইএসআইসি-র পর্ষদে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বেশিরভাগ শ্রমিক প্রতিনিধি। কিন্তু সকলের বিরোধিতা অগ্রাহ্য করে কেন্দ্র সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের টাকা শেয়ারে খাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’’

Advertisement

যদিও ইএসআইয়ের (ESI) আয় বাড়াতে এই লগ্নি জরুরি বলে মন্তব্য সংস্থার পর্ষদের শ্রমিক প্রতিনিধি সদস্য এবং টিইউসিসির সাধারণ সম্পাদক এসপি তিওয়ারির। তিনি জানান, “সুরক্ষা দেওয়ার পরিষেবা বজায় রাখতে গিয়ে ইতিমধ্যেই ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৩০০ কোটি টাকা। এমন চললে ইএসআইয়ের পরিষেবা সম্প্রসারণের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়িত করা কঠিন হবে। তাই আয় বাড়াতে প্রকল্পের টাকা শেয়ারে লগ্নি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যথেষ্ট সতর্ক ভাবেই তা করা হবে।’’

কোথায় বিনিয়োগ

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুরুতে প্রতি বছর ইএসআইয়ের (ESI) সমস্ত খরচ মিটিয়ে যে টাকা অবশিষ্ট থাকবে, তার ৫ শতাংশ শেয়ারে লগ্নি হবে। ছ’মাস (দু’টি ত্রৈমাসিক) অম্তর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পর্যায়ক্রমে লগ্নির পরিমাণ নিয়ে যাওয়া হবে ১৫ শতাংশে। পুঁজি খাটানো হবে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডের (ইটিএফ) মাধ্যমে। তবে শুধুমাত্র নিফটি (Nifty) এবং সেনসেক্সের (Sensex) ইটিএফেই লগ্নি করা হবে।

কেন্দ্রের দাবি

শ্রম মন্ত্রক দাবি করেছে, বর্তমানে ইএসআইয়ের টাকা প্রধানত বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণপত্রে লগ্নি হয়। কিন্তু তা থেকে আয় কমছে। অথচ বাড়ছে প্রকল্পের সদস্য সংখ্যা। তাই তহবিলের আয় বাড়াতেই শেয়ারে লগ্নির ওই সিদ্ধান্ত।

Advertisement

আরও পড়ুন: মারুতি সুজুকির পর টাটা মোটরস, গাড়ির দাম বাড়াচ্ছে নতুন বছরে

Continue Reading

Trending