Connect with us

খবর

করোনাভাইরাস কতটা প্রভাব ফেলবে ভারতীয় অর্থনীতিতে?

১লা ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার আগে করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে দেশের অর্থনীতিতেও।

Published

on

ওয়েবডেস্ক : ১লা ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার আগে করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে দেশের অর্থনীতিতেও।

শুধু ভারত কেন, সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে অন্যতম প্রধান খেলোয়াড় চিন। সেই চিন এখন ব্যস্ত করোনাভাইরাস সামলাতে। ইতিমধ্যে ১৪০ জন মারা গিয়েছেন এই ভাইরাসের আক্রমণে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে দোকানপাট কার্যত বন্ধ।

এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্কের তথ্য অনুযায়ী এর আগে সার্স ভাইরাসের প্রকোপের সময় বিশ্ব অর্থনীততে ক্ষতি হয়েছিল ১৮ বিলিয়ন ডলার। এবার ক্ষতি পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

চিনের শেয়ার বাজারে ইতিমধ্যেই এর প্রভাব পড়েছে। সেনঝেন এবং সাংহাই স্টক মার্কেট পড়েছে ৩.৫২ শতাংশ এবং ২.৫৭ শতাংশ।

এর প্রভাব পড়েছে জাপান আমেরিকা এবং ইউরোপের শেয়ার বাজারেও। ভারতে শেয়ার বাজারে প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে সোমবার থেকে।

জিডিপির বৃদ্ধি ইতিমধ্যেই মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকারের, তার উপর করোনাভাইরাসের আতঙ্ক গোদের উপর বিষ ফোড়ার মতো বিষয় বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

খনিজ দ্রব্য

চিন পৃথিবীর বৃহত্তম খনিজ দ্রব্য উৎপাদনকারী এবং উপভোক্তা দেশ। করোনাভাইরাসের প্রকোপে ধাক্কা খাবে উৎপাদন। ভারতও খনিজ দ্রব্যের জন্য অনেকটা নির্ভরশীল চিনের উপর। ফলে কিছুটা হলেও প্রভাব পড়বে।

ফার্মা কোম্পানি

ফার্মা কোম্পানিগুলিতে চিন থেকে আসা কাঁচামালের সরবরাহ কমেছে। এর ফলে ফার্মা কোম্পানিগুলির শেয়ার দরেরও প্রভাব পড়েছ।

বৈদ্যুতিন সামগ্রী

স্মার্ট ফোন থেকে এলইডি বাল্ব, প্রায় ৮০ শতাংশ বৈদ্যুতিন সামগ্রী ও যন্ত্রাংশ আসে চিন থেকে। করোনাভাইরাসের প্রকোপে উৎপাদনে প্রভাব পড়বে। এর ফলে বৈদ্যুতিন সামগ্রীর দাম ৩ থেকে ৪ শতাংশ বাড়তে পারে।

পর্যটন শিল্প

তবে, করোনাভাইরাসের প্রথম ধাক্কাটা এসেছে পর্যটন শিল্পে। চিন যাওয়ার জন্য বুকিং উল্লেখযোগ্য ভাবে কমছে। ক্লিয়ারট্রিপের প্রধান বালু রামাচন্দ্রন জানিয়েছেন,‘‘কারোনাভাইরসের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চিনে যাওয়ার জন্য বুকিং ৩১ শতাংশ কমেছে। ’’

থমাসকুক জানিয়েছে, পর্যটকরা পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছেন।

পর্যটন সংস্থাগুলির মধ্য থেকে কেউ কেউ আবার চিনে সফর বাতিল করলে তাকে বিকল্প জায়গার কথা বলা হচ্ছে ভ্রমণের জন্য।

পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে টুইট করেছেন শিল্পপতি আনন্দ মহিন্দ্রা। এবং বায়োকনের চেয়ারপার্সন কিরণ মজুমদার স ।

এছাড়া গাড়ি শিল্প এবং মোবাইল উৎপাদন শিল্পেও প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

খবর

বাজেট ২০২৩: রেলপথ, রাস্তার জন্য বাড়তি বরাদ্দের প্রত্যাশা

২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এ বারের বাজেটে একাধিক চমক থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Published

on

নয়াদিল্লি: আগামী ১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৩-২৪ পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতরমন। এটা তাঁর পঞ্চম বাজেট। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এ বারের বাজেটে একাধিক চমক থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এ বারের বাজেট বাড়তি গুরুত্ব পেতে চলেছে রেলপথ ও সড়ক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। বিশ্বব্যাপী মন্দার প্রভাব স্পষ্ট হলেও ভারত যে সেই আঁচ এড়াতে সক্ষম, সেই বার্তা পৌঁছে দিতে চাইবেন অর্থমন্ত্রী। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কমাতে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ।

এমন পরিস্থিতিতে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগে নজর দিচ্ছে বেসরকারি সংস্থাগুলি। ইস্পাত এবং সিমেন্টের মতো মূল উপকরণগুলির চাহিদা তৈরি করতে কেন্দ্রীয় সরকারও পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যায় বরাদ্দ বাড়াতে চাইছে।

২০২০ সালে কোভিড অতিমারির পর থেকে বিভিন্ন মন্ত্রক এবং বিভাগগুলিতে ব্যয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টস (CAG)-এর প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সড়ক পরিবহণ এবং রেলপথের মতো ক্ষেত্রগুলিতে বার্ষিক বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ খরচ করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে সড়ক ও জাতীয় সড়ক মন্ত্রক। যা ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে এই খাতে বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ।

একই ভাবে, বেশ কয়েক বছর ধরে পিছিয়ে থাকা রেলের ব্যয়ও বেড়েছে। সম্পদ তৈরির জন্য ১.১ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে ভারতীয় রেল, যা বাজেট বরাদ্দের প্রায় ৮৪ শতাংশ।

সবমিলিয়ে, সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এ বারের বাজেটে বাড়তি উৎসাহ পেতে চলেছে এই দুই মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই আগত বছরের পরিকল্পনাগুলিও তৈরি করে ফেলেছে তারা। সেই মতোই নির্ধারিত হতে চলেছে সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ।

আরও পড়ুন: চাহিদা বাড়ায় দু’বছরে এই প্রথম লাভের মুখ দেখল টাটা মোটরস, আয় বাড়ল ২৩ শতাংশ

Continue Reading

খবর

চাহিদা বাড়ায় দু’বছরে এই প্রথম লাভের মুখ দেখল টাটা মোটরস, আয় বাড়ল ২৩ শতাংশ

২০২২-২৩ আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আয়-ব্যায়ের খতিয়ান পেশ করে এমনটাই জানিয়েছে দেশের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা।

Published

on

করোনা মহামারিতে মার খেয়েছিল গাড়ি বাজার। ধীরে ধীরে বেড়েছে চাহিদা। যাত্রীবাহী গাড়ির পাশাপাশি মাঝারি এবং ভারী বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে নির্মাতা টাটা মোটরস (Tata Motors) শেষ ত্রৈমাসিকে উল্লেখযোগ্য লাভের মুখ দেখেছে। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আয়-ব্যায়ের খতিয়ান পেশ করে এমনটাই জানিয়েছে দেশের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা।

ডিসেম্বরে শেষ হওয়া তৃতীয় ত্রৈমাসিকে টাটা মোটরসের একত্রিত নিট মুনাফার পরিমাণ ২ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকার বেশি। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের একই সময়ে নিট লোকসানের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫১৬ কোটি। এবং তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, চলতি আর্থিক বছরের সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে ৯৪৪ কোটি টাকার নিট লোকসানের কথা জানিয়েছিল সংস্থা।

এই সময়কালে সংস্থার অন্যতম গাড়ি জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার থেকে একত্রিত রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৪৮৮ কোটি। যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ২২.৫ শতাংশ।

সংস্থার দাবি, উল্লেখযোগ্য হারে লাভ বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে উত্তরোত্তর বেড়ে চলা গাড়ির চাহিদা। স্টক এক্সচেঞ্জে পেশ করা রিপোর্টে সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়ে তারা যথেষ্ট আশাবাদী। লাভজনক বৃদ্ধি, সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহের উন্নতি এবং স্থিতিশীল পণ্যের দামের উপর লক্ষ্য রাখছে সংস্থা।

আরও পড়ুন: সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

Continue Reading

খবর

কলকাতায় প্রথম শাখা খুলল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক

এই শাখা উদ্বোধনের সঙ্গেই ফিনকেয়ার পূর্ব ভারতে যাত্রা শুরু করল।

Published

on

কলকাতা: শহরে নিজের প্রথম শাখা উদ্বোধন করল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক (Fincare Small Finance bank)। এই শাখা উদ্বোধনের সঙ্গেই ফিনকেয়ার পূর্ব ভারতে যাত্রা শুরু করল। আধুনিক প্রযুক্তি, সর্বোত্তম-শ্রেণির পণ্য ও পরিষেবা এবং দক্ষ কর্মীদের সাহায্যে গ্রাহকের ব্যাঙ্কিং চাহিদা মেটাতে ব্যাঙ্ক প্রস্তুত।

নতুন শাখা খোলার বিষয়ে ব্যাঙ্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার রাজীব যাদব বলেন, “ফিনকেয়ার কলকাতার বাসিন্দাদের সেবা করতে পেরে রোমাঞ্চিত। ব্যাঙ্কের লক্ষ্য হল ব্যাঙ্কিং চাহিদার কথা মাথায় রেখে সুবিধা-ভিত্তিক সমাধানগুলি অফার করা৷ আমরা শহর এবং প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে গ্রাহকদের সম্পূর্ণ ব্যাঙ্কিং পরিষেবা সরবরাহ করার লক্ষ্য রাখি। কলকাতার এই শাখাটি উচ্চ সুদে সেভিংস অ্যাকাউন্ট, সুইপ ইন- সুইট আউট কারেন্ট অ্যাকাউন্ট এবং কিউআর কোড সুবিধা, সোনার বিপরীতে ঋণ-সহ আরও অনেক পরিষেবা দেবে”।

যাদব আরও জানান, “গ্রাহকরা নিয়মিত ব্যাঙ্কিং চ্যানেলের পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ এবং ভিডিও ব্যাঙ্কিংয়ের অভিজ্ঞতা নিতে পারেন৷ এ ছাড়া ইউনিফাইড পেমেন্ট ইন্টারফেস (UPI)-এর মাধ্যমেও লেনদেনের সুবিধা পাওয়া যাবে। ব্যাঙ্ক একটি “স্মার্ট ব্যাঙ্কিং” পদ্ধতি গ্রহণ করেছে যা এটিকে ভারত জুড়ে আধুনিক এবং সুবিধাজনক ব্যাঙ্কিং পরিষেবাগুলির একটি পছন্দের প্রদানকারী করে তুলেছে”।

২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের ১৯টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৩২ লক্ষেরও বেশি গ্রাহককে পরিষেবা দিয়েছে ব্যাঙ্ক। ১২ হাজারের বেশি কর্মী রয়েছেন ফিনকেয়ারে।

আরও পড়ুন: অর্থবর্ষ প্রায় শেষ, আয়কর বাঁচানোর ব্রহ্মাস্ত্র সম্পর্কে ওয়াকিবহাল তো?

Continue Reading

Trending