Connect with us

ফিনান্স

বিনিয়োগের তালিকায় কেন রাখতেই হবে আপৎকালীন তহবিল

Published

on

বিবি ডেস্ক: জীবনে চলার পথে হঠাৎ তৈরি হওয়া এই সমস্যা এড়ানোর সবচেয়ে ভাল বিকল্প হল জরুরি বা আপৎকালীন তহবিল (Emergency Fund)। বিনিয়োগের পরিভাষায় যাকে বলে এমার্জেন্সি ফান্ড।

কেন করা উচিত আপৎকালীন তহবিল

এই ফান্ডগুলি জরুরি সমস্যার সমাধানের সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ও ধরে রাখে। পূর্ব পরিকল্পনার মাধ্যমে এই তহবিল জমিয়ে রাখতে পারলে যে কোনও পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য হাতে যথেষ্ট সময় পাওয়া যায়। তা ছাড়া, আপৎকালীন তহবিলকে (Emergency Fund) এক ধরনের বিনিয়োগ হিসেবেও ধরা যেতে পারে। এই কারণেই আয়, ব্যয় এবং সঞ্চয় অনুযায়ী সকলরেই একটি আপৎকালীন তহবিল (Emergency Fund) তৈরি করে রাখা উচিত।

মনে রাখবেন, আমরা প্রত্যেকেই আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কমবেশি ওয়াকিবহাল। প্রত্যেক মানুষই নিজের মাসিক আয়ের থেকে সংসার বাবদ খরচ সরিয়ে রেখে তার থেকে কিছু টাকা বিভিন্ন খাতে ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করে। সেই বিনিয়োগ ও খরচ ব্যতিরেকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার তালিকায় আপৎকালীন তহবিলকেও রাখা উচিত।

Advertisement

কী ভাবে তৈরি করবেন আপৎকালীন তহবিল?

এই তহবিল তৈরি করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে এই তহবিলের টাকা জরুরি বা আপৎকালীন অবস্থা ছাড়া অন্য কোনও কারণে কিন্তু খরচ করা যাবে না। এমনকি একে সঞ্চয়ের খাতাতেও (Savings) না ধরাই ভাল। এই দু’টি মূল বিষয় খেয়াল রেখে, নিখুঁত অঙ্ক কষে ফান্ডটি তৈরি করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও সমস্যাই ছ’মাসের বেশি স্থায়ী হয় না। এই সময়ের মধ্যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিপদ কেটে যায় বা আমরা সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে বার করে ফেলি।

কত টাকা জমানো উচিত

আপাতকালীন ফান্ডের মূল নিয়ম হল, আপনার মাসিক আয়ের ছ’গুণ টাকা এই তহবিলে জমা রাখতে হবে। এই জরুরি তহবিলে কমপক্ষে ছ’মাস সংসার চালানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করা উচিত। অর্থাৎ, কোনও ব্যক্তির মাসিক খরচ ৫০ হাজার টাকা হলে জরুরি তহবিলে তাঁকে তিন লক্ষ টাকা রাখতে হবে। আপৎকালীন তহবিল থাকলে তা স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্যপূরণেও সাহায্য করবে। এই সঞ্চিত অর্থ দিয়ে ব্যবসায়িক ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসার খরচ বা আর্থিক টানাপড়েনের সমস্যা মেটানো যাবে।

কোন খাতে সঞ্চয়

জরুরি তহবিলের অর্থকে এমন জায়গায় বিনিয়োগ করতে হবে যেখান থেকে খুব সহজেই টাকা তোলা যাবে। নগদ হিসেবে সাধারণ সেভিংস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করা যেতে পারে যেখান থেকে যে কোনও সময় কার্ড ব্যবহার করে এটিএম থেকে টাকা তোলা যাবে। এটিকে লিকুইড মিউচুয়াল ফান্ড (Mutual Fund) হিসেবেও বিনিয়োগ করা যেতে পারে। কারণ এই তহবিলের টাকা শুধুমাত্র মানি মার্কেট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা হয়। এই কারণেই এই লগ্নিতে ঝুঁকি খুবই কম থাকে। পাশাপাশি ফিক্সড ডিপোজিট (Fixed Deposit) বা রেকারিং ডিপোজিটের (Recurring Deposit) রূপেও জরুরি তহবিল জমানো যেতে পারে। অন্য ফান্ডের মতো জরুরি এই ফান্ডকেও তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়— স্বল্পমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি এবং মধ্যমেয়াদি।

Advertisement

আরও পড়ুন: পেনশনভোগীরা কী ভাবে অনলাইনে জীবন শংসাপত্র জমা দেবেন

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

খবর

ই-রুপি কী? এর সুবিধা কী, অসুবিধাই বা কী?

আমজনতার কাছে এখনও পরিষ্কার নয় এই মুদ্রা ঠিক কী? কী ভাবে এটি কাজ করবে? এর সুবিধা, অসুবিধাই বা কী?

Published

on

বিবি ডেস্ক: অবশেষে ভারতের বাজারে এল ই-রুপি (E Rupee)। আগামী কাল থেকে দেশের বাছাই করা চার শহরে শুরু হবে এই ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Rupee) পরিষেবা। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (Reserve Bank Of India) দাবি, এর ফলে নগদ ছাপানোর খরচ কমবে। পাশাপশি নগদে লেনদেনের উপর নজর রাখাও সহজ হবে। কিন্তু আমজনতার কাছে এখনও পরিষ্কার নয় এই মুদ্রা ঠিক কী? কী ভাবে এটি কাজ করবে? এর সুবিধা, অসুবিধাই বা কী?

ই-টাকা কী

ই-টাকা (E Rupee) হল আমরা যে নোট লেনদেনের জন্য ব্যবহার করি তার ডিজিটাল রূপ। এর জন্য ব্যবহারকারীর ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট থাকা জরুরি নয়। এই টাকা ম্যানিব্যাগের বদলে থাকবে আপনার মোবাইলের ডিজিটাল ওয়ালেটে। নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কগুলির ই-টাকার ওয়ালেট আপনাকে মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে।

আপনার টাকা আপনি ই-টাকায় বদলে এই ওয়ালেটে রাখতে পারবেন এবং তা ব্যবহার করতে পারবেন প্রথাগত টাকা লেনদেন যে ভাবে করেন সে ভাবেই। শুধু ম্যানিব্যাগ থেকে নোট না বার করে আপনার ওয়ালেট থেকে অন্যের ওয়ালেটে তা পাঠিয়ে দিতে হবে।

Advertisement

ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টেও নোটের বদলে ই-টাকা জমা দিতে পারবেন। এখন যে ভাবে কিউআর কোড (QR Code) স্ক্যান করে আপনি ওয়ালেট থেকে টাকা দেন, ঠিক সে ভাবেই লেনদেন করতে পারবেন। অথবা প্রাপকের ওয়ালেট আইডি-তে পাঠাতে পারবেন ই-টাকা (E Rupee)। সুবিধাটা হল এই লেনদেন ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নির্ভর নয়। নগদে যে ভাবে বাজার করেন, সে ভাবেই ব্যবহার করবেন এই ওয়ালেট। ফারাক হবে শুধু মাধ্যমের।

কেন ই-টাকা

এর ফলে দেশের টাকা ছাপার খরচ কমবে। কিন্তু টাকার উপর শীর্ষ ব্যাঙ্কের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। এর ফলে নগদ বয়ে বেরানোর ঝক্কিও থাকবে না। প্রথাগত নগদের লেনদেনের উপর সরকারের নজরদারি যেমন কঠিন, তা কিন্তু এই লেনদেনে থাকবে না।

কোন কোন দেশে ই-মুদ্রা চালু আছে

বাহামাস, সেন্ট কিটস, গ্রেনাডা, অ্যান্টিগার মতো কয়েকটি দেশে ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে ই-মুদ্রা। রাশিয়ায় পরীক্ষামূলক ব্যবহার শেষ হয়ে সবার ব্যবহারের জন্য চালু হওয়ার রাস্তা। চিনও তৈরি। বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিও এ নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে।

Advertisement

সুবিধা এবং অসুবিধা

ডিজিটাল লেনদেনের বর্তমান ব্যবস্থায় প্রতিটি লেনদেনের জন্য আপনাকে একটা কমিশন দিতে হয় যার ওয়ালেট ব্যবহার করছেন তাকে। ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড (Credit Card) ব্যবহার করলেও একই ভাবে আপনাকে কিছু দাম দিতে হয় যার কার্ড ব্যবহার করছেন তাকে। ই-টাকার (E Rupee) লেনদেনে এই খরচ থাকবে না বলে শীর্ষ ব্যাঙ্কের দাবি। ই-টাকায় (E Rupee) আপনি তাৎক্ষণিক দাম চোকানোর সুবিধা পাবেন এবং কোনও তৃতীয় মাধ্যম দিয়ে সেই লেনদেন পরিচালিত হবে না। ঠিক যে ভাবে নগদ লেনদেন পরিচালিত হয় সে ভাবেই চলবে গোটা প্রক্রিয়াটি। প্রয়োজনে লেনদেনের উপর সরকার নজরও রাখতে পারবে সহজে। আপনার মানিব্যাগে নগদ ফুরানোর চাপও থাকবে না। ঘন ঘন এটিএমে দৌড়নোর চাপও কমে যাবে।

আরও পড়ুন: ডিজিটাল মুদ্রা চালু ১ ডিসেম্বর, জানুন কোন কোন ব্যাঙ্ক থেকে পাওয়া যাবে

Advertisement
Continue Reading

ফিনান্স

অবসরের পর নিশ্চিত জীবন চান? কোথায় বিনিয়োগ করবেন জেনে নিন

সরকার এবং বেশির ভাগ বেসরকারি সংস্থার কর্মীরা অবসর নেন ৬০ বছর বয়স হলে। কোন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা উচিত? নিশ্চিত আয় দিতে পারে কোন প্রকল্প?

Published

on

বিবি ডেস্ক: অবসর (Retirement)। শব্দটির সঙ্গে জুড়ে থাকে ভবিষ্যতের বহু বিষয়। এখন থেকে ঠিক কতটা বিনিয়োগ করলে অবসরকালীন জীবন সুনিশ্চিত করা যাবে তা নিয়ে চর্চা চলে বিস্তর। সরকার এবং বেশির ভাগ বেসরকারি সংস্থার কর্মীরা অবসর নেন ৬০ বছর বয়স হলে। কোন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা উচিত? নিশ্চিত আয় দিতে পারে কোন প্রকল্প?

লগ্নির আদর্শ সময়

ঋণের মতো লাফিয়ে বৃদ্ধি দূর অস্ত্‌, চড়া মূল্যবৃদ্ধির (Inflation) আবহে কিছু দিন আগেও জমা টাকায় সুদ ছিল তলানিতে। অক্টোবরের গোড়া থেকে ছবিটা বদলাতে থাকে। কয়েকটি স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে সরকার সুদের হার বাড়ানোর কথা ঘোষণার পর থেকেই ব্যাঙ্কগুলি নামে সেই রাস্তায়। শুরু হয় সুদ বাড়িয়ে আমানত টানার যুদ্ধ। ব্যাঙ্ক নয় এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিও (এনবিএফসি) (NBFC) তাতে শামিল হয়। অনুমান, ডিসেম্বরে মূল্যবৃদ্ধিতে আরও রাশ টানতে ঋণের উপর আর একদফা সুদ বাড়াতে পারে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক (Reserve Bank)। সে ক্ষেত্রে আরও কিছুটা সুদ বাড়ানো হতে পারে আমানতেও। অর্থাৎ অবসরের সময়ে পিএফ এবং গ্র্যাচুইটি বাবদ হাতে আসা মোটা টাকা লগ্নির জন্য এই সময়টাকে আদর্শ ভাবা যেতে পারে।

কোথায় বিনিয়োগ

প্রশ্ন হল, অবসরের (Retirement) সময়ে একসঙ্গে মোটা টাকা পেলে তা কোথায় রাখা যেতে পারে এবং কী ভাবে পরিচালনা করা যেতে পারে বিভিন্ন অর্থকরী ব্যাপার। দেখে নেওয়া যাক—

Advertisement

• প্রাপ্ত শেষ সম্বল রাখতে হবে ১০০% সুরক্ষিত জায়গায়, যেখান থেকে মোটামুটি ভাল আয় আসবে।

• ব্যাঙ্ক এবং এনবিএফসি-র (NBFC) বিভিন্ন জমা প্রকল্পে এখন সুদ বাড়ছে। এই সময়ে টাকা রাখতে হবে বড় মেয়াদে, যেখানে ভাল হারে সুদ দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে মূল্যবৃদ্ধি কমলে সুদের হার কমতে পারে।

• বর্তমানে লগ্নি (Investment) থেকে গড়ে ৭.৫% আয় সম্ভব। সেই হিসেবে দেখে নিন প্রাপ্ত টাকা থেকে বছরে এবং মাসে কত আয় হতে পারে। আয় অনুযায়ী একটি মাসিক খরচের বাজেট তৈরি করুন।

Advertisement

• সব টাকা খরচ না করে কিছুটা আগের মতোই নিয়মিত সঞ্চয় করতে হবে ভবিষ্যতে বেড়ে ওঠা দামকে সামাল দেওয়ার জন্য।

• অবসরের পরে করযোগ্য আয়ের ব্যবস্থা থাকলে সঞ্চয় করতে হবে কর সাশ্রয়কারী প্রকল্পে।

• অবসরের পরে স্বাস্থ্য বিমা থাকা খুবই জরুরি। এর বার্ষিক প্রিমিয়ামে কর ছাড় মেলে।

Advertisement

• যাঁদের আয় ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে থাকবে, তাঁরা ৮৭এ ধারা অনুযায়ী ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয়কর রিবেট পাবেন। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে তাঁদের কোনও কর দিতে হবে না।

• যাঁদের বার্ষিক আয়ের উপরে কর ধার্য হবে না, তাঁরা উৎসে যাতে কর কাটা না হয় (টিডিএস) তার জন্য ১৫এইচ ফর্ম দাখিল করতে পারেন।

• উপরে বলা জায়গাগুলি ছাড়াও টাকা রাখা যেতে পারে মিউচুয়াল ফান্ডের ডেট ফান্ডে (যেখানে তহবিল খাটানো হয় মূলত ঋণপত্রে) কিংবা ব্যালেন্সড ফান্ডে (যেখানে ফান্ডের তহবিল শেয়ার বাজার এবং বন্ড, দু’টি জায়গাতেই খাটানো হয়)। যাঁদের নিয়মিত আয় প্রয়োজন, তাঁরা বেছে নিতে পারেন সিস্টেমেটিক উইথড্রয়াল প্ল্যান বা এসডব্লিউপি।

Advertisement

• সেভিংস অ্যাকাউন্টে মোটা টাকা ফেলে না রেখে লিঙ্কড এফডি অথবা অটো সুইপের সুবিধা নিতে পারেন। যেখানে সেভিংস অ্যাকাউন্টে জমা টাকা একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ পেরিয়ে গেলেই বাড়তি অংশটুকু ফিক্সড ডিপোজ়িট অ্যাকাউন্টে ঢুকে যায়। নির্দিষ্ট সীমা ঠিক করে দিতে হয় গ্রাহককেই। প্রয়োজনে সেভিংস অ্যাকাউন্টের মতো সেই টাকা তোলাও যায়। এতে সুদ বেশি পাবেন।

• কোনও কোনও নতুন প্রজন্মের বেসরকারি ব্যাঙ্ক প্রবীণদের জমা টাকায় ৮.৭৫% পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে। রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের তপশীলভুক্ত যে কোনও ব্যাঙ্কে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আমানত ডিআইসিজিসি দ্বারা গ্যারান্টিপ্রদত্ত।

• মিউচুয়াল ফান্ডের লিকুইড এবং আল্ট্রা লিকুইড ফান্ডে এখন রিটার্ন পাওয়া যাচ্ছে ৬ শতাংশের কাছাকাছি। জায়গাটা সেভিংস অ্যাকাউন্টের বিকল্প হতে পারে। লিকুইড ফান্ড এক ধরনের ডেট বা ঋণপত্রভিত্তিক ফান্ড, যা স্বল্পমেয়াদি হয়।

Advertisement

আরও পড়ুন: নিফটি ৫০ সূচক কী? কী ভাবে এটি কাজ করে?

Continue Reading

ফিনান্স

ভুল অ্যাকাউন্টে ইউপিআই পেমেন্ট করে ফেলেছেন? কী ভাবে টাকা ফেরত পাবেন

এখন ইউপিআই লেনদেন বেশ সহজ। তবে, কোনো কারণে যদি ভুল অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেন? তখন কী ভাবে সেই টাকা ফেরত পাবেন?

Published

on

বিবি ডেস্ক: এখনকার দিনে ইউপিআই (UPI) লেনদেন খুব সহজ হয়ে গিয়েছে। মোবাইলে কয়েকটা মাত্র টাচেই আপনি ইউপিআই আইডি-র মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তিকে টাকা পাঠিয়ে দিতে পারেন। তবে, কোনো কারণে যদি ভুল অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেন? তখন কী ভাবে সেই টাকা ফেরত পাবেন?

ইউপিআই লেনদেনের সময় অবশ্য কিউআর কোড (QR code) স্ক্যান করে অথবা হিস্ট্রি থেকে সঠিক অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন করা যায়। কিন্তু অনেক সময়ই সেই সুযোগ অথবা সময় মেলে না। ফলে কিছু সময় হাতে নম্বর টাইপ করেই টাকা লেনদেন করতে হয়। সে ক্ষেত্রে ভুল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতেই পারে। তাড়াহুড়ো করতে গিয়েও ভুল অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার হয়ে যেতে পারে। ক্ষেত্রে আপনি কী ভাবে নিজের টাকা ফেরত পেতে পারেন?

অ্যাপে অভিযোগ

যদি আপনার ভুলে অন্য কোনো অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে ফেলেন, তা হলে প্রথমে আপনাকে আপনার ইউপিআই অ্যাপের হেল্পলাইন নম্বরে গিয়ে একটি অভিযোগ নথিভুক্ত করতে হবে। ফোন পে (PhonePe), গুগল পে (GooglePay) বা পেটিএম (Paytm)-এর মতো অ্যাপগুলিতে গ্রাহকদের এই ধরনের পরিস্থিতিতে সাহায্য করার জন্য হেল্পলাইন নম্বর রয়েছে। তবে মাথায় রাখবেন, ভুল লেনদেনের স্ক্রিনশট নিয়ে রাখবেন।

Advertisement

টোল ফ্রি নম্বর

অ্যাপে অভিযোগ নথিভুক্ত করার পর, আপনাকে ভিম (BHIM)-এর টোল-ফ্রি নম্বর 1800-120-1740-তে কল করে সম্পূর্ণ বিবরণ জানাতে হবে। শুধুমাত্র যে ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ভুল করে টাকা পাঠানো হয়েছে, তিনিই ওই টাকা ফেরত দিতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে, অবিলম্বে ব্যাঙ্কে যেতে হবে, এবং কী ভাবে টাকা ফেরত পাওয়া যাবে, তা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বিকল্পের সন্ধান করতে হবে।

আরবিআই-এ অভিযোগ

নিজের টাকা ফেরত পেতে আপনি ভারতী রিজার্ভ ব্যাঙ্কে (RBI) অভিযোগ জানাতে পারেন। এর জন্য আপনাকে bankingombudsman.rbi.org.in লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। সেখানে আপনাকে ভুল লেনদেন হয়ে যাওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং যে অ্যাকাউন্টে টাকা গেছে তার সম্পূর্ণ বিবরণ দিতে হবে।

এনপিসিআই-এ অভিযোগ

যে ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ভুলবশত টাকা স্থানান্তরিত হয়েছে, তিনি যদি তা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন, তখন এনপিসিআই (NPCI) ওয়েবসাইটে গিয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন। এর জন্য আপনাকে এনপিসিআই ওয়েবসাইট npci.org.in-এ লগইন করতে হবে। এর পর What We Do-এ ক্লিক করুন। সেখান থেকে ইউপিআই বিভাগে গিয়ে ভুল লেনদেনের সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য দিন। বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতিতে ক্লিক করে এ ভাবেই আপনার অভিযোগ নথিভুক্ত করতে পারেন।

Advertisement

আরও পড়ুন: সুদের হার ঊর্ধ্বমুখী, ঋণের চাহিদাও বাড়ছে

Continue Reading

Trending