Connect with us

ফিনান্স

১০০ টাকা বিনিয়োগে এক কোটি টাকা! কী ভাবে সম্ভব এই ‘ম্যাজিক’?

কষ্ট করে রোজগার করা অর্থকে আরও বাড়ানোর চেষ্টা করেন সকলেই। সে ক্ষেত্রে বিনিয়োগই একমাত্র উপায়। এই বিনিয়োগ নানা ভাবে হতে পারে।

Published

on

বিনিয়োগের পরিমাণ মাত্র ১০০ টাকা। আর তা দিয়েই আপনি নির্দিষ্ট সময়ের পর পেয়ে যেতে পারেন এক কোটি টাকা! কী ভাবে সম্ভব?

কষ্ট করে রোজগার করা অর্থকে আরও বাড়ানোর চেষ্টা করেন সকলেই। সে ক্ষেত্রে বিনিয়োগই (Investment) একমাত্র উপায়। এই বিনিয়োগ নানা ভাবে হতে পারে। শেয়ার (Share),  বন্ড (Bond),  মিউচুয়াল ফান্ড (Mutual Fund) ইত্যাদি। সাধারণত মিউচুয়াল ফান্ড (Mutual Fund) পরিচালনা করেন পেশাদার ফান্ড ম্যানেজাররা (Fund Manager)। তাঁরা বিনিয়োগকারীর অর্থ শেয়ার, বন্ডের মতো নানা দিকে বিভক্ত করেন। প্রারম্ভিক পর্যায়ে বিনিয়োগকারীর অর্থক্ষমতা সীমিত থাকে। অথচ রিটার্নের প্রত্যাশা থাকে গগনচুম্বি। সেই কারণে নতুন প্রজন্ম আরও বেশি করে মিউচুয়াল ফান্ডের (Mutual Fund) প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে।

মিউচুয়াল ফান্ডে কী ভাবে বিনিয়োগ

মিউচুয়াল ফান্ডে (Mutual Fund) বিনিয়োগ করার দু’টি রাস্তা আছে। এক, এক লপ্তে বড়সড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করা। দুই, সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা এসআইপি-র (SIP) সুযোগ নেওয়া। মোটা অঙ্কের বিনিয়োগ হল এককালীন বিনিয়োগ। এসআইপি-র ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যবধানে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে। এই এসআইপিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে সহজেই কয়েক লক্ষ টাকা জমিয়ে ফেলতে পারেন কোনও বিনিয়োগকারী। মনে রাখবেন, মিউচুয়াল ফান্ডের এসআইপি সিস্টেমে বিনিয়োগকারীদের যথেষ্ট আস্থা রয়েছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে এসআইপি-তে যদি বিনিয়োগের পরিসংখ্যান দেখা হয়, তবে তা বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা। এসআইপি-তে বহু দিনের জন্য বিনিয়োগ করলে দারুণ রিটার্ন তো পাওয়াই যায়, সেই সঙ্গে মেলে সুবিধাও।

একেবারে স্বল্প পরিমাণ অর্থ দিয়েই কোনও বিনিয়োগকারী শুরু করতে পারেন সঞ্চয়ের প্রথম ধাপ। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির রোজগার, ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক লক্ষ্যের কথা মাথায় রেখেই বিনিয়োগ শুরু করা উচিত। একবারে বড় অঙ্ক বিনিয়োগ করার থেকে প্রতি মাসে একটু একটু করে বিনিয়োগ করা অনেক সুবিধাজনক। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নানা পরিস্থিতি তৈরি হয়। কখনও কোনও ক্ষেত্রে আতঙ্কিত হয়ে অনেকে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। আবার অনেক সময় লাভের সুযোগ ছেড়ে দিতেও ইচ্ছে করে না।

এই দিকটা মাথায় রাখলে স্বয়ংক্রিয় বিনিয়োগই সেরা পন্থা। এখানে কোনও সুযোগ নেওয়ার কিংবা আবেগপ্রবণ হওয়ার ব্যাপার থাকে না। একটি জমা থাকা অর্থকে নানা ভাবে স্বয়ংক্রিয় বিনিয়োগের মাধ্যমে কাজে লাগানো যায়— মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষান্মাষিক কিংবা বার্ষিক পদ্ধতিতে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ১০০ টাকা দিয়েও এসআইপিতে বিনিয়োগ শুরু করা যেতে পারে।

ধাপে ধাপে এক কোটি

যদি কোনও বিনিয়োগকারী তাঁর ২১ বছর বয়স থকে প্রতি দিন ১০০ টাকা করে সঞ্চয় করে মাসিক এসআইপিতে (SIP) বিনিয়োগ করেন, তবে ৫০ বছর বয়সে ওই ব্যক্তি পেতে পারেন এক কোটি টাকা। এই পরিমাণ উপার্জনের জন্য কিন্তু এসআইপি (SIP) একটি দারুণ সুযোগ।

এ বার আসা যাক অঙ্কের বিষয়ে। ধরা যাক, কোনও ব্যক্তি ২১ বছর বয়স থেকে প্রতি দিন ১০০ টাকা সঞ্চয় করছেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রতি মাসে বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ৩০০০ টাকা। কোনও ব্যক্তি যদি প্রতি মাসে তিন হাজার টাকার একটি এসআইপি করেন ও ১২ শতাংশ বার্ষিক রিটার্ন পান, তবে পরবর্তী ৩০ বছর অর্থাৎ তাঁর ৫০ বছর বয়সে সম্পূর্ণ করার পরেই ১.১ কোটি টাকার একটি তহবিল তৈরি গড়তে পারবেন। এই সময়ের মধ্যে মোট বিনিয়োগ হবে ১০ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। এর থেকে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীর লাভ হবে ৯৫ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।

মিউচুয়াল ফান্ডের এ রকম অনেক প্রকল্প রয়েছে যেখানে দীর্ঘমেয়াদে ১২ শতাংশ বার্ষিক রিটার্ন পাওয়া যায়। এই ক্ষেত্রে বার্ষিক রিটার্নের উপর তহবিলের বৃদ্ধি বা কম হওয়া নির্ভর করে। মনে রাখতে হবে, বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে তার প্রভাব এসআইপি-তেও পড়তে পারে। অতীত পরিসংখ্যান বলছে, এসআইপি-র ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা লাভজনক এবং অপেক্ষাকৃত ঝুঁকি অনেকটাই কম। আর সেই কারণেই বহু মানুষ এই এসআইপি-তে বিনিয়োগ করেন। একই সঙ্গে এই রিটার্ন সাধারণ বিনিয়োগের তুলনায় অনেকটাও বেশি।

আরও পড়ুন: কেওয়াইসি আপডেট নিয়ে ব্যাঙ্কগুলিকে ফের একগুচ্ছ পরামর্শ দিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

ফিনান্স

বাজেটে আয়কর স্ল্যাবে পরিবর্তন, জানুন নতুন ও পুরনো কর ব্যবস্থার খুঁটিনাটি

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী?

Published

on

আয়করে ছাড় মিলবে। ছাড় দেবে সরকার। কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে এমন সব খবরেই আশার বহর বাড়ছিল সাধারণ মানুষের। গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আয়করের স্ল্য়াব পরিবর্তনের বড়ো ঘোষণা করেছেন তিনি। করদাতাদের দাবি পূরণ করে, আয়কর স্ল্যাবের আওতা থেকে ৭ লক্ষের কম আয়ের মানুষকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

অর্থমন্ত্রী সংসদে ঘোষণা করেছেন, কোনো ব্যক্তি যদি নতুন কর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, তাহলে এমন পরিস্থিতিতে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর এক টাকাও কর দিতে হবে না। অর্থমন্ত্রী ২০২০ সালের বাজেটে নতুন কর ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।

নতুন কর ব্যবস্থা

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী? অর্থমন্ত্রীর ব্কতৃতাতেই স্পষ্ট, নতুন কর ব্যবস্থায়, আপনাকে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো রকমের আয়কর দিতে হবে না। এই ক্ষেত্রে, সরকার ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স রিবেট পাওয়া যায়। নতুন আয়কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ স্ল্যাবে ২০ শতাংশ এবং ১৫ লক্ষ টাকার উপরে সর্বোচ্চ হারে ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

পুরনো কর ব্যবস্থা

পুরনো কর ব্যবস্থা অনুসারে, ৫ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হয় না কারণ ১২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যায়। পুরনো কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন ৩ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। অন্যদিকে, ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ২০ শতাংশ। ১৫ লক্ষ টাকার উপরে আয়ের উপর ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

কত বার বদলানো যাবে?

এমন পরিস্থিতিতে, নতুন এবং পুরানো কর ব্যবস্থায় আসার পরে, ব্যবহারকারীরা এই দু’টির মধ্যে যে কোনো একটি বেছে নিতে পারবেন। নির্দিষ্ট কিছু করদাতা প্রতি বছর নতুন এবং পুরনো কর ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে পারেন। যেমন একজন বেতনভোগী ব্যক্তি, ভাড়া থেকে উপার্জনকারী ব্যক্তি প্রতিবার ট্যাক্স স্ল্যাব পরিবর্তন করতে পারেন। অন্যদিকে, ব্যবসা থেকে আয়ের অর্থ হলে, অর্থাৎ ব্যবসায়ী ব্যক্তিরা একবার ট্যাক্স ব্যবস্থা পরিবর্তন করলে, তিনি আবার পুরানো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: সস্তায় ‘ভারত আটা’ বিক্রি করবে সরকার, জানুন দাম কত

Continue Reading

খবর

পোস্ট অফিসের জনপ্রিয় সব সঞ্চয় প্রকল্প, জানুন সর্বশেষ সুদের হার

বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

Published

on

বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় বা পোস্ট অফিস স্কিমের সুবিধা দিয়ে থাকে সরকার। এগুলো অনেকেরই ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা পূরণ করে থাকে। এই সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হার তিন মাসে একবার (প্রতি ত্রৈমাসিক) সংশোধন করা হয়। এক দিকে সরকারি সমর্থন, অন্য দিকে নিশ্চিত রিটার্ন পাওয়ার কারণে একটা বড়ো অংশের বিনিয়োগকারীদের কাছে জনপ্রিয় স্কিমগুলির মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি। অন্য দিকে বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

অর্থমন্ত্রকের সর্বশেষ সার্কুলারে ঘোষণা করা হয়, চলতি ত্রৈমাসিকে পিপিএফ-এ ৭.১০ শতাংশ, এনএসসি-তে ৭.০০ শতাংশ, মান্থলি ইনকাম স্কিমে (MIS)৭.১০ শতাংশ হারে সুদ পাবেন গ্রাহকরা।

এক নজরে দেখে নিন বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে কার্যকর সুদের হার (Interest Rates)-

স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প১ জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত সুদের হারকী ভাবে জমা হবে
সেভিংস ডিপোজিট৪%বার্ষিক
১ বছর মেয়াদি আমানত৬.৬০%ত্রৈমাসিক
২ বছর মেয়াদি আমানত৬.৮০%ত্রৈমাসিক
৩ বছর মেয়াদি আমানত৬.৯০%ত্রৈমাসিক
৫ বছর মেয়াদি আমানত৭.০০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের রেকারিং৫.৮০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম৮.০০%ত্রৈমাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের মাসিক আয় প্রকল্প৭.১০%মাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের জাতীয় সঞ্চয় শংসাপত্র৭.০০%বার্ষিক
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম৭.১০%বার্ষিক
কিষান বিকাশ পত্র৭.২০% (১২৪ মাসে ম্যাচুরিটি)বার্ষিক
সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্ট স্কিম৭.৬০%বার্ষিক
সূত্র: অর্থমন্ত্রকের সার্কুলার
Continue Reading

ফিনান্স

সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

Published

on

নিজের একটা বাড়ি বা ফ্ল্যাট। এমন স্বপ্ন অনেকেরই। কিন্তু এর জন্য দরকার বড়ো অঙ্কের টাকার। বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট কেনার জন্য যে কারণে বেশির ভাগ ক্রেতাই শরণাপন্ন হন ব্যাঙ্ক অথবা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। যেখানে সহজ মাসিক কিস্তিতে গৃহঋণ (Home loan) নিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব।

একটি নির্দিষ্ট সুদের হারে ঋণ দেয় ব্যাঙ্ক। যার জন্য গ্রাহককে প্রতি মাসে ইএমআই (EMI) দিতে হয়। বেঁধে দেওয়া হয় ঋণ পরিশোধের সময়সীমা। সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

অন্যদিকে, যত দিন না ঋণ পরিশোধ হচ্ছে, ততদিন গ্রাহকের বাড়ির কাগজপত্র ব্যাঙ্কের কাছে জমা থাকে। অর্থাৎ, ঋণের পরিমাণ সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির মালিকানা ব্যাঙ্কের হাতেই। এই কারণে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি পরিশোধ করা উচিত। দ্রুত এই ঋণ মিটিয়ে দিয়ে ঝক্কি কমানোর কিছু বিকল্প পথও রয়েছে।

গৃহঋণ তাড়াতাড়ি পরিশোধ করতে, প্রতি বছর লোনের ব্যালেন্সের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ জমা করতে পারেন। এতে করে মূল পরিমাণ কমে যায় এবং ২০ বছরের ঋণ ১২ বছরে সম্পূর্ণ করা যায়।

আরও একটি বিকল্পের মধ্যে রয়েছে বছরে বাড়তি ইএমআই জমা করার পদ্ধতি। আপনি যদি গৃহঋণ তাড়াতাড়ি মিটিয়ে দিতে চান তবে ১২-র পরিবর্তে বছরে ১৩টি ইএমআই দিন৷ প্রতি বছর যদি অতিরিক্ত একটি ইএমআই জমা করে, তা হলে ২০ বছরের ঋণ শেষ শেষ হয়ে যাবে ১৭ বছরে।

তবে সব কিছুই নির্ভর করছে গ্রাহকের মাসিক আয়ের উপর। কারণ, এমনিতেই গৃহঋণের ইএমআই বেশ বড়ো হয়। যদি বাড়তি অর্থের সংস্থান হয়ে যায়, তা হলে ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে আপনি পূর্বনির্ধারিত ইএমআই-এর পরিমাণও বাড়িয়ে নিতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে, মাসিক কিস্তি ৫ শতাংশ বাড়িয়ে নিলে ২০ বছরের ঋণ ১৩ বছরেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: কলকাতায় প্রথম শাখা খুলল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক

Continue Reading

Trending