Connect with us

ফিনান্স

নতুন বছরে কী ভাবে ট্যাক্সের বোঝা কমাবেন, রইল টিপস

চলুন জেনে নেওয়া যাক, ২০২৩-এ নিজের করের বোঝা কী ভাবে লাঘব করবেন?

Published

on

সঞ্চয়ের (Saving) জন্য দরকার পরিকল্পনার, তেমনই কর (Tax) বাঁচানোর জন্যও মেনে চলা উচিত সঠিক পদ্ধতির। বেশ কিছু ক্ষেত্রে আয়ের উপর করছাড় দিয়ে থাকে কেন্দ্রীয় সরকার। সেগুলি অবলম্বন করতে আপনার আর্থিক স্বাস্থ্য ভালো বই মন্দ হবে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক, ২০২৩-এ নিজের করের বোঝা কী ভাবে লাঘব করবেন?

নিজেকে আপডেট রাখুন

প্রতিবছর বাজেট আসে, প্রতিবারই কোনো না কোনো নিয়ম পরিবর্তন করা হয়। সরকার অনেক সময় কর অব্যাহতি বাড়িয়ে বা কমিয়ে দেয়। এমন পরিস্থিতিতে, এই পরিবর্তনগুলি সম্পর্কে নিজেকে আপডেট রাখতে হবে।

আয়ের পাশাপাশি বিনিয়োগ

চাকরিজীবী হোন বা ব্যবসায়ী অথবা পেশাদার, আয়ের পাশাপাশি বিনিয়োগের প্রতিও মনোযোগ দিতে হবে। দেশে বসবাসকারী প্রত্যেক ব্যক্তি আয়করের ধারা ৮০সি এবং ৮০সিসিডি-র অধীনে একটি আর্থিক বছরে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পেতে পারেন। পিপিএফ, ইপিএফ এবং পোস্ট অফিসের বেশিরভাগ স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প ৮০সি-র আওতায় কর ছাড় পাওয়া যায়।

স্বাস্থ্যবিমায় নজর দিন

স্বাস্থ্যবিমার মাধ্যমে, আপনি নিজের পরিবারে নিরাপত্তার পাশাপাশি কর বাঁচাতেও পারেন। আয়করের ধারা ৮০ডি-র অধীনে, একজন করদাতা স্বাস্থ্যবিমাতে সর্বাধিক ২৫ হাজার টাকা ছাড় পান। অন্যদিকে, আপনি যদি আপনার পিতামাতার জন্যও স্বাস্থ্য বিমা করান, তা হলে এই সীমা ৫৯ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়।

নতুন কর ব্যবস্থা

বর্তমানে দেশে দু’ধরনের কর ব্যবস্থা চালু আছে। একটি হল নতুন কর ব্যবস্থা এবং অন্যটি পুরনো কর ব্যবস্থা। বিশেষজ্ঞদের মতে, করদাতাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কর ব্যবস্থা বেছে নেওয়া উচিত। যেটা আপনার করের বোঝা কমাতে সাহায্য করতে পারে, বিবেচনা করে সেটাই বেছে নিন।

আয়কর আইনের কোন ধারায় কীসে ছাড়

৮০সি এবং ৮০সিসিডি: স্বল্প সঞ্চয়ে একটি আর্থিক বছরে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড়

ধারা ৮০টিটিএ: সেভিং অ্যাকাউন্ট ডিপোজিট থেকে অর্জিত সুদ

ধারা ৮০ই: শিক্ষা ঋণের পরিশোধের জন্য দেওয়া সুদ

ধারা ৮০ডি: স্বাস্থ্যবিমা পলিসির প্রিমিয়াম বা প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে চিকিৎসার জন্য ব্যয়

ধারা ২৪ (বি): হোম লোনের জন্য পরিশোধিত সুদ।

ধারা ১০ (১০ডি): জীবন বিমা পরিকল্পনার ম্যাচিউরিটিতে পাওয়া টাকা।

ধারা ৮০ইইএ: প্রথমবারের ক্রেতাদের জন্য হোম লোনের সুদ পরিশোধ।

ধারা ১০(১৩এ): প্রদত্ত বাড়ি ভাড়া থেকে অব্যাহতি (যদি স্যালারি ব্রেকআপে উল্লেখ করা হয়)

ধারা ৮০জিজি: বাড়ি ভাড়ার ছাড় (যদি স্যালারি ব্রেকআপে উল্লেখ না থাকে)

ধারা ৮০জি: দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করা

ধারা ৮০জিজিএ: বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং গ্রামীণ উন্নয়নে অনুদান

ধারা ৮০জিজিসি: রাজনৈতিক দল বা নির্বাচনী ট্রাস্টকে অনুদান।

ধারা ৮০ডিডি: প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য চিকিৎসা ব্যয়

ধারা ৮০ইউ: বিশেষ ভাবে অক্ষমদের জন্য ছাড়

ধারা ৮০ডিডিবি: চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যয়

ধারা টিটিবি: প্রবীণ নাগরিকদের আমানতের উপর অর্জিত সুদ।

আরও পড়ুন: এটিএম থেকে টাকা তোলার সময় এই ভুলগুলি মোটেই করবেন না, নিমেষে ফাঁকা হয়ে যাবে অ্যাকাউন্ট

ফিনান্স

বাজেটে আয়কর স্ল্যাবে পরিবর্তন, জানুন নতুন ও পুরনো কর ব্যবস্থার খুঁটিনাটি

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী?

Published

on

আয়করে ছাড় মিলবে। ছাড় দেবে সরকার। কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে এমন সব খবরেই আশার বহর বাড়ছিল সাধারণ মানুষের। গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আয়করের স্ল্য়াব পরিবর্তনের বড়ো ঘোষণা করেছেন তিনি। করদাতাদের দাবি পূরণ করে, আয়কর স্ল্যাবের আওতা থেকে ৭ লক্ষের কম আয়ের মানুষকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

অর্থমন্ত্রী সংসদে ঘোষণা করেছেন, কোনো ব্যক্তি যদি নতুন কর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, তাহলে এমন পরিস্থিতিতে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর এক টাকাও কর দিতে হবে না। অর্থমন্ত্রী ২০২০ সালের বাজেটে নতুন কর ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।

নতুন কর ব্যবস্থা

প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার দু’টি কর ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী? অর্থমন্ত্রীর ব্কতৃতাতেই স্পষ্ট, নতুন কর ব্যবস্থায়, আপনাকে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো রকমের আয়কর দিতে হবে না। এই ক্ষেত্রে, সরকার ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স রিবেট পাওয়া যায়। নতুন আয়কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ স্ল্যাবে ২০ শতাংশ এবং ১৫ লক্ষ টাকার উপরে সর্বোচ্চ হারে ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

পুরনো কর ব্যবস্থা

পুরনো কর ব্যবস্থা অনুসারে, ৫ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হয় না কারণ ১২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যায়। পুরনো কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, এখন ৩ লক্ষ টাকা আয়ের উপর কোনো কর দিতে হবে না। অন্যদিকে, ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ৫ শতাংশ, ৬ থেকে ৯ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১০ শতাংশ, ৯ থেকে ১২ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ১৫ শতাংশ, ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার স্ল্যাবে ২০ শতাংশ। ১৫ লক্ষ টাকার উপরে আয়ের উপর ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।

কত বার বদলানো যাবে?

এমন পরিস্থিতিতে, নতুন এবং পুরানো কর ব্যবস্থায় আসার পরে, ব্যবহারকারীরা এই দু’টির মধ্যে যে কোনো একটি বেছে নিতে পারবেন। নির্দিষ্ট কিছু করদাতা প্রতি বছর নতুন এবং পুরনো কর ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে পারেন। যেমন একজন বেতনভোগী ব্যক্তি, ভাড়া থেকে উপার্জনকারী ব্যক্তি প্রতিবার ট্যাক্স স্ল্যাব পরিবর্তন করতে পারেন। অন্যদিকে, ব্যবসা থেকে আয়ের অর্থ হলে, অর্থাৎ ব্যবসায়ী ব্যক্তিরা একবার ট্যাক্স ব্যবস্থা পরিবর্তন করলে, তিনি আবার পুরানো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: সস্তায় ‘ভারত আটা’ বিক্রি করবে সরকার, জানুন দাম কত

Continue Reading

খবর

পোস্ট অফিসের জনপ্রিয় সব সঞ্চয় প্রকল্প, জানুন সর্বশেষ সুদের হার

বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

Published

on

বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় বা পোস্ট অফিস স্কিমের সুবিধা দিয়ে থাকে সরকার। এগুলো অনেকেরই ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা পূরণ করে থাকে। এই সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হার তিন মাসে একবার (প্রতি ত্রৈমাসিক) সংশোধন করা হয়। এক দিকে সরকারি সমর্থন, অন্য দিকে নিশ্চিত রিটার্ন পাওয়ার কারণে একটা বড়ো অংশের বিনিয়োগকারীদের কাছে জনপ্রিয় স্কিমগুলির মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি। অন্য দিকে বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

অর্থমন্ত্রকের সর্বশেষ সার্কুলারে ঘোষণা করা হয়, চলতি ত্রৈমাসিকে পিপিএফ-এ ৭.১০ শতাংশ, এনএসসি-তে ৭.০০ শতাংশ, মান্থলি ইনকাম স্কিমে (MIS)৭.১০ শতাংশ হারে সুদ পাবেন গ্রাহকরা।

এক নজরে দেখে নিন বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে কার্যকর সুদের হার (Interest Rates)-

স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প১ জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত সুদের হারকী ভাবে জমা হবে
সেভিংস ডিপোজিট৪%বার্ষিক
১ বছর মেয়াদি আমানত৬.৬০%ত্রৈমাসিক
২ বছর মেয়াদি আমানত৬.৮০%ত্রৈমাসিক
৩ বছর মেয়াদি আমানত৬.৯০%ত্রৈমাসিক
৫ বছর মেয়াদি আমানত৭.০০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের রেকারিং৫.৮০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম৮.০০%ত্রৈমাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের মাসিক আয় প্রকল্প৭.১০%মাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের জাতীয় সঞ্চয় শংসাপত্র৭.০০%বার্ষিক
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম৭.১০%বার্ষিক
কিষান বিকাশ পত্র৭.২০% (১২৪ মাসে ম্যাচুরিটি)বার্ষিক
সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্ট স্কিম৭.৬০%বার্ষিক
সূত্র: অর্থমন্ত্রকের সার্কুলার
Continue Reading

ফিনান্স

সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

Published

on

নিজের একটা বাড়ি বা ফ্ল্যাট। এমন স্বপ্ন অনেকেরই। কিন্তু এর জন্য দরকার বড়ো অঙ্কের টাকার। বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট কেনার জন্য যে কারণে বেশির ভাগ ক্রেতাই শরণাপন্ন হন ব্যাঙ্ক অথবা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। যেখানে সহজ মাসিক কিস্তিতে গৃহঋণ (Home loan) নিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব।

একটি নির্দিষ্ট সুদের হারে ঋণ দেয় ব্যাঙ্ক। যার জন্য গ্রাহককে প্রতি মাসে ইএমআই (EMI) দিতে হয়। বেঁধে দেওয়া হয় ঋণ পরিশোধের সময়সীমা। সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

অন্যদিকে, যত দিন না ঋণ পরিশোধ হচ্ছে, ততদিন গ্রাহকের বাড়ির কাগজপত্র ব্যাঙ্কের কাছে জমা থাকে। অর্থাৎ, ঋণের পরিমাণ সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির মালিকানা ব্যাঙ্কের হাতেই। এই কারণে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি পরিশোধ করা উচিত। দ্রুত এই ঋণ মিটিয়ে দিয়ে ঝক্কি কমানোর কিছু বিকল্প পথও রয়েছে।

গৃহঋণ তাড়াতাড়ি পরিশোধ করতে, প্রতি বছর লোনের ব্যালেন্সের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ জমা করতে পারেন। এতে করে মূল পরিমাণ কমে যায় এবং ২০ বছরের ঋণ ১২ বছরে সম্পূর্ণ করা যায়।

আরও একটি বিকল্পের মধ্যে রয়েছে বছরে বাড়তি ইএমআই জমা করার পদ্ধতি। আপনি যদি গৃহঋণ তাড়াতাড়ি মিটিয়ে দিতে চান তবে ১২-র পরিবর্তে বছরে ১৩টি ইএমআই দিন৷ প্রতি বছর যদি অতিরিক্ত একটি ইএমআই জমা করে, তা হলে ২০ বছরের ঋণ শেষ শেষ হয়ে যাবে ১৭ বছরে।

তবে সব কিছুই নির্ভর করছে গ্রাহকের মাসিক আয়ের উপর। কারণ, এমনিতেই গৃহঋণের ইএমআই বেশ বড়ো হয়। যদি বাড়তি অর্থের সংস্থান হয়ে যায়, তা হলে ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে আপনি পূর্বনির্ধারিত ইএমআই-এর পরিমাণও বাড়িয়ে নিতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে, মাসিক কিস্তি ৫ শতাংশ বাড়িয়ে নিলে ২০ বছরের ঋণ ১৩ বছরেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: কলকাতায় প্রথম শাখা খুলল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক

Continue Reading

Trending