Connect with us

ফিনান্স

ক্রেডিট কার্ড আছে? ভালো ক্রেডিট স্কোর বজায় রাখতে এই ৫টি বিষয় মাথায় রাখুন

শুধু ক্রেডিট কার্ড থাকলেই হবে না তার সঠিক ব্যবহার জানা চাই। তাই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করার সময় অবশ্য আপনাকে এই পাঁচটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

Published

on

বিবি ডেস্ক : রঞ্জন পাড়ুই। বয়স ৩৪। মাঝে খুব আর্থিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। মাইনে কুড়ি হাজারের উপরে। মাঝে মাইনে হতে একটু দেরি হচ্ছিল। ফলে মাসের শুরুতে পড়ে যাচ্ছিলেন টানাটানিতে।  সেই সময় হঠাৎ করে দেবদূতের মতো একটি সংস্থা ক্রেডিট কার্ডের অফার নিয়ে হাজির।

ক্রেডিট স্কোর ভালো থাকায় কার্ড পেয়েও যাচ্ছিলেন। অনেক ভেবে চিন্তে রাজি হয়ে গেলেন ক্রেডিট কার্ড নিতে।

কার্ড নিয়ে ভুলে গেলেন কার্ড শব্দটির আগে একটি ক্রেডিট শব্দ আছে। দুমাসের মধ্যেই কার্ডে ক্রেডিট লিমিট ছুঁয়ে ফেললেন। আবার প্রয়োজন পড়ায় নগদ টাকাও তুললেন।

এই অবধি বেশ চলছিল, কয়েক মাস পর আবার কোম্পানির মাইনে দিতে দেরি হল। ক্রেডিট কার্ডের টাকা ঠিক মতো দিতে পারলেন না। এক মাসে তো নুন্যতম টাকাও দিতে পারলেন। এর প্রভাব পড়ল রঞ্জনের ক্রেডিট স্কোরে।

এটি একটি সমস্যার বিষয়। শুধু ক্রেডিট কার্ড থাকলেই হবে না তার সঠিক ব্যবহার জানা চাই।  তাই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করার সময় অবশ্য আপনাকে এই পাঁচটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

১। ক্রেডিট লিমিট ছুঁয়ে ফেলা আপনার ক্রেডিট স্কোরের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো নয়

ক্রেডিট লিমিট মানে সর্বোচ্চ যে পরিমাণ অর্থ আপনি কার্ড থেকে খরচ করতে পারেন। চাইলে আপনি পুরো অর্থই ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ ব্যবহার করাই ভালো। পুরো অর্থ ব্যবহার করলে আপনার ক্রেডিট স্কোরে তার প্রভাব পড়তে পারে। ক্রেডিট ব্যবহারের গতিপ্রকৃতিও যাচাই করে ক্রেডিট ব্যুরো আপনার ক্রেডিট স্কোর নির্ধারণ করে। যারা ক্রেডিট লিমিটের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মধ্যে খরচ করে তাদের ক্রেডিট স্কোর ভালো হয়।

২। একাধিক ক্রেডিট কার্ড সবার জন্য নয়

যার একাধিক ক্রেডিট কার্ড রয়েছে জানবেন তাঁর খরচের পরিমাণও বেশি। শোধ করার ক্ষমতা না থাকলে ঋণের বোঝা ক্রমশ বাড়বে।

তাছাড়া যার ক্রেডিট স্কোর খুব একটা ভালো নয় তাঁর একাধিক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ ঋণের বোঝা যত বাড়তে থাকবে, শোধ না করতে পারেন তার প্রভাব পড়বে ক্রেডিট স্কোরে।

৩। মাসিক প্রদেয় অর্থ পরিশোধ করতে না পারা কাম্য নয়

নানা কারণে আপনি মাসিক প্রদেয় অর্থ পরিশোধ করতে পারলেন না। এক বা দু’বারের বেশি সেটি কাম্য নয়। এর ফলে প্রভাব পড়তে পারে আপনার ক্রেডিট স্কোরে।

যদি ভুলে যাওয়ার কারণে টাকা দিতে না পারেন তবে অটো ডেবিট অপশন চালু রাখুন।

৪। নুন্যতম বকেয়া অবশ্যই পরিশোধ করুন

সাধারণ ভাবে গ্রাহকদের ন্যুনতম টাকা পরিশোধ না করে পুরো বকেয়া মেটানোতে উৎসাহ দেওয়া হয়। তবে অনেক পরিস্থিতি এমন তৈরি হয় যে নুন্যতম বকেয়া দেওয়া সম্ভব হয়। সেক্ষেত্রে অবশ্য নুন্যতম বকেয়া টাকা ফেরত দিন। তার চেয়ে কম দিলে আপনার ক্রেডিট স্কোরের উপর নেগেটিভ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নুন্যতম বকেয়া ফেরত দেওয়া নিশ্চিত করুন।

৫। ক্রেডিট কার্ড থেকে নগদ অর্থ না তোলাই  বুদ্ধিমানের কাজ

কারণ, ক্রেডিট কার্ডে নগদের উপর সুদ অনেক বেশি। তাছাড়া ক্রেডিট ব্যুরো একে সদর্থক চোখে দেখে না। ফলে নগদ তুললে আপনার ক্রেডিট স্কোরের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়তে পারে।

আরও পড়ুন : Mutual Fund-এ বিনিয়োগের আগে যাচাই করুন নির্ভরযোগ্যতা

খবর

পোস্ট অফিসের জনপ্রিয় সব সঞ্চয় প্রকল্প, জানুন সর্বশেষ সুদের হার

বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

Published

on

বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় বা পোস্ট অফিস স্কিমের সুবিধা দিয়ে থাকে সরকার। এগুলো অনেকেরই ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা পূরণ করে থাকে। এই সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হার তিন মাসে একবার (প্রতি ত্রৈমাসিক) সংশোধন করা হয়। এক দিকে সরকারি সমর্থন, অন্য দিকে নিশ্চিত রিটার্ন পাওয়ার কারণে একটা বড়ো অংশের বিনিয়োগকারীদের কাছে জনপ্রিয় স্কিমগুলির মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি। অন্য দিকে বার্ষিক ভিত্তিতে জমা করা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।

অর্থমন্ত্রকের সর্বশেষ সার্কুলারে ঘোষণা করা হয়, চলতি ত্রৈমাসিকে পিপিএফ-এ ৭.১০ শতাংশ, এনএসসি-তে ৭.০০ শতাংশ, মান্থলি ইনকাম স্কিমে (MIS)৭.১০ শতাংশ হারে সুদ পাবেন গ্রাহকরা।

এক নজরে দেখে নিন বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে কার্যকর সুদের হার (Interest Rates)-

স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প১ জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত সুদের হারকী ভাবে জমা হবে
সেভিংস ডিপোজিট৪%বার্ষিক
১ বছর মেয়াদি আমানত৬.৬০%ত্রৈমাসিক
২ বছর মেয়াদি আমানত৬.৮০%ত্রৈমাসিক
৩ বছর মেয়াদি আমানত৬.৯০%ত্রৈমাসিক
৫ বছর মেয়াদি আমানত৭.০০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের রেকারিং৫.৮০%ত্রৈমাসিক
৫ বছরের সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম৮.০০%ত্রৈমাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের মাসিক আয় প্রকল্প৭.১০%মাসিক এবং দিয়ে দেওয়া হয়
৫ বছরের জাতীয় সঞ্চয় শংসাপত্র৭.০০%বার্ষিক
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম৭.১০%বার্ষিক
কিষান বিকাশ পত্র৭.২০% (১২৪ মাসে ম্যাচুরিটি)বার্ষিক
সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্ট স্কিম৭.৬০%বার্ষিক
সূত্র: অর্থমন্ত্রকের সার্কুলার
Continue Reading

ফিনান্স

সময়ের আগেই হোম লোন মেটাতে চান? জানুন দুর্দান্ত কিছু টিপস

সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

Published

on

নিজের একটা বাড়ি বা ফ্ল্যাট। এমন স্বপ্ন অনেকেরই। কিন্তু এর জন্য দরকার বড়ো অঙ্কের টাকার। বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট কেনার জন্য যে কারণে বেশির ভাগ ক্রেতাই শরণাপন্ন হন ব্যাঙ্ক অথবা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। যেখানে সহজ মাসিক কিস্তিতে গৃহঋণ (Home loan) নিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব।

একটি নির্দিষ্ট সুদের হারে ঋণ দেয় ব্যাঙ্ক। যার জন্য গ্রাহককে প্রতি মাসে ইএমআই (EMI) দিতে হয়। বেঁধে দেওয়া হয় ঋণ পরিশোধের সময়সীমা। সচরাচর এই সময়সীমা বেশ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ফলে দিনের পর দিন ধরে ইএমআই-এর বোঝা বয়ে নিয়ে যেতে হয় ঋণগ্রহীতাকে।

অন্যদিকে, যত দিন না ঋণ পরিশোধ হচ্ছে, ততদিন গ্রাহকের বাড়ির কাগজপত্র ব্যাঙ্কের কাছে জমা থাকে। অর্থাৎ, ঋণের পরিমাণ সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির মালিকানা ব্যাঙ্কের হাতেই। এই কারণে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি পরিশোধ করা উচিত। দ্রুত এই ঋণ মিটিয়ে দিয়ে ঝক্কি কমানোর কিছু বিকল্প পথও রয়েছে।

গৃহঋণ তাড়াতাড়ি পরিশোধ করতে, প্রতি বছর লোনের ব্যালেন্সের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ জমা করতে পারেন। এতে করে মূল পরিমাণ কমে যায় এবং ২০ বছরের ঋণ ১২ বছরে সম্পূর্ণ করা যায়।

আরও একটি বিকল্পের মধ্যে রয়েছে বছরে বাড়তি ইএমআই জমা করার পদ্ধতি। আপনি যদি গৃহঋণ তাড়াতাড়ি মিটিয়ে দিতে চান তবে ১২-র পরিবর্তে বছরে ১৩টি ইএমআই দিন৷ প্রতি বছর যদি অতিরিক্ত একটি ইএমআই জমা করে, তা হলে ২০ বছরের ঋণ শেষ শেষ হয়ে যাবে ১৭ বছরে।

তবে সব কিছুই নির্ভর করছে গ্রাহকের মাসিক আয়ের উপর। কারণ, এমনিতেই গৃহঋণের ইএমআই বেশ বড়ো হয়। যদি বাড়তি অর্থের সংস্থান হয়ে যায়, তা হলে ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে আপনি পূর্বনির্ধারিত ইএমআই-এর পরিমাণও বাড়িয়ে নিতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে, মাসিক কিস্তি ৫ শতাংশ বাড়িয়ে নিলে ২০ বছরের ঋণ ১৩ বছরেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: কলকাতায় প্রথম শাখা খুলল ফিনকেয়ার স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক

Continue Reading

খবর

অর্থবর্ষ প্রায় শেষ, আয়কর বাঁচানোর ব্রহ্মাস্ত্র সম্পর্কে ওয়াকিবহাল তো?

আপনাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারে তা হল আয়কর আইনের ৮০ নম্বর ধারা। আয়কর বাঁচাতে এটাই হতে পারে আপনার ব্রহ্মাস্ত্র।

Published

on

প্রায় শেষ হতে চলল ২০২৩ অর্থবর্ষ। আর কয়েক দিন পরেই পেশ হবে চলতি বছরের সাধারণ বাজেট (Budget 2023)। আর তার পরেই শুরু হবে আয়কর (Income Tax) বাঁচানোর জটিল হিসাব। এই অবস্থায় যা আপনাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারে তা হল আয়কর আইনের ৮০ নম্বর ধারা। আয়কর বাঁচাতে এটাই হতে পারে আপনার ব্রহ্মাস্ত্র।

৮০ নম্বর ধারা কী

আয়কর আইনের ৮০ ধারা সাধারণ মানুষের হাতে কর থেকে ছাড় পাওয়ার অন্যতম অস্ত্র। আয়কর থেকে ছাড় পেতে এই ধারায় ১২টি উপধারা আছে। তবে একটা কথা মাথায় রাখতে হবে। ৮০ নম্বর ধারার যে উপধারার ছাড়ের সুযোগই আপনি নিন না কেন, আপনার কিন্তু ওই ১ লক্ষ ৫০ হাজার পর্যন্তই মোট ছাড় মিলবে এই ধারায়।

দেখে নেওয়া যাক কোন উপধারায় কী কী ছাড় পাওয়া যায়—

৮০ ধারার উপধারাগুলি কী কী

৮০সি (80 C): এই উপধারায় আপনি ছাড় পাবেন কর্মচারী ভবিষ্যনিধি, জীবন বিমা, ইএলএসএস, গৃহঋণের মূল শোধ, বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনার জন্য স্ট্যাম্প ডিউটির খরচ, সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা, ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম, সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম, ইউলিপ, পাঁচ বছরের কর বাঁচানোর ফিক্সড ডিপোজিট, ইনফ্রাস্ট্রাকচার বন্ডের মতো বিনিয়োগে।

৮০সিসিসি (80 CCC): এই উপধারায় অ্যানুইটি পেনশন প্রকল্পে বিনিয়োগ অথবা সেই প্রকল্প থেকে পাওয়া আয়ের উপর ছাড় পাওয়া যায়।

৮০সিসিডি(১) (80 CCD (1): এই উপধারায় ক) বেতন বাবদ আয়ের ১০ শতাংশ, খ) স্বনিযুক্ত হলে সামগ্রিক বাৎসরিক আয়ের ২০ শতাংশ অথবা গ) এক লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এই তিনের মধ্যে যেটি সব থেকে কম তার উপরে করছাড় মেলে।

৮০সিসিডি (১বি) (80 CCD (1B): এনপিএস প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য অতিরিক্ত ৫০ হাজার ছাড়। অটল পেনশন যোজনা থেকেও এই উপধারায় ছাড়ের সুযোগ রয়েছে।

৮০সিসিডি (২): চাকুরিরতদের জন্য এনপিএসে বিনিয়োগে ছাড়।

আরও পড়ুন: নজরে লোকসভা ভোট, বাজেটে গ্রামের দিকে বেশি নজর মোদী সরকারের

Continue Reading

Trending